সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার চরনারাবাদ ইউনিয়নে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য প্রণীত সরকারি সহায়তার তালিকায় অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তালিকা পুনঃযাচাই করে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন শাওম কুমার বৈষ্ণব নামের এক ব্যক্তি।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চরনারচর ইউনিয়নের কামালপুর গ্রামের বাসিন্দা শাওম কুমার বৈষ্ণব ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রণয়নে অনিয়মের অভিযোগ এনে গত ২২ মে ইউএনও বরাবর আবেদন করেন। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, সরকার ঘোষিত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা কর্মসূচির তালিকা তৈরির সময় কিছু ব্যক্তিকে অনিয়মের মাধ্যমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, তালিকার ক্রমিক নম্বর ১৭৩-এ থাকা বিকাশ চন্দ্র দাস নামে এক ব্যক্তি সরকারি চাকরিজীবীর পরিবারের সদস্য হওয়া সত্ত্বেও তাকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। অথচ প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত অনেক কৃষকের নাম তালিকায় স্থান পায়নি বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।
লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়, তালিকাটি পুনরায় যাচাই-বাছাই করে অযোগ্য ব্যক্তিদের নাম বাদ দিয়ে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে অভিযোগকারী শাওন কুমার বৈষ্ণব বলেন, প্রকৃত কৃষকরা যাতে সরকারি সহায়তা পান, সে লক্ষ্যে আমি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।
তিনি আরও বলেন তালিকায় থাকা ১৭৩ নম্বর বিকাশ চন্দ্র দাস তার প্রকৃত উপাধি বৈষ্ণব, সে নিজের দুর্নীতি ও অপকর্ম লুকাতে বৈষ্ণব উপাধি দাস দিয়ে "দাস" উপাধি তালিকায় যুক্ত করেছে। তার স্ত্রী একজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা। সরকারি চাকুরিজীবীর স্বামী কি ভাবে ক্ষতিগ্রস্থের তালিকায় আসতে পারে। আমি আশা করি কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
তবে অভিযুক্ত ব্যক্তি বিকাশ চন্দ্র দাসের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বক্তব্য দিতে নারাজ।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার চরনারাবাদ ইউনিয়নে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য প্রণীত সরকারি সহায়তার তালিকায় অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তালিকা পুনঃযাচাই করে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন শাওম কুমার বৈষ্ণব নামের এক ব্যক্তি।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চরনারচর ইউনিয়নের কামালপুর গ্রামের বাসিন্দা শাওম কুমার বৈষ্ণব ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রণয়নে অনিয়মের অভিযোগ এনে গত ২২ মে ইউএনও বরাবর আবেদন করেন। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, সরকার ঘোষিত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা কর্মসূচির তালিকা তৈরির সময় কিছু ব্যক্তিকে অনিয়মের মাধ্যমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, তালিকার ক্রমিক নম্বর ১৭৩-এ থাকা বিকাশ চন্দ্র দাস নামে এক ব্যক্তি সরকারি চাকরিজীবীর পরিবারের সদস্য হওয়া সত্ত্বেও তাকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। অথচ প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত অনেক কৃষকের নাম তালিকায় স্থান পায়নি বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।
লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়, তালিকাটি পুনরায় যাচাই-বাছাই করে অযোগ্য ব্যক্তিদের নাম বাদ দিয়ে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে অভিযোগকারী শাওন কুমার বৈষ্ণব বলেন, প্রকৃত কৃষকরা যাতে সরকারি সহায়তা পান, সে লক্ষ্যে আমি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।
তিনি আরও বলেন তালিকায় থাকা ১৭৩ নম্বর বিকাশ চন্দ্র দাস তার প্রকৃত উপাধি বৈষ্ণব, সে নিজের দুর্নীতি ও অপকর্ম লুকাতে বৈষ্ণব উপাধি দাস দিয়ে "দাস" উপাধি তালিকায় যুক্ত করেছে। তার স্ত্রী একজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা। সরকারি চাকুরিজীবীর স্বামী কি ভাবে ক্ষতিগ্রস্থের তালিকায় আসতে পারে। আমি আশা করি কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
তবে অভিযুক্ত ব্যক্তি বিকাশ চন্দ্র দাসের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বক্তব্য দিতে নারাজ।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

প্রধান সম্পাদক: চঞ্চল মাহমুদ ফুলর
সম্পাদক: এম এ ওমর
প্রকাশক: জি.সি দাস
আপনার মতামত লিখুন