জর্ডানে
অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ২ মার্কিন সেনা নিহত
হয়েছে। একই হামলায় অপর আরও ১ সেনা নিখোঁজ রয়েছে। স্থানীয় সময় ১৭ জুলাই শুক্রবারের ওই
হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র ১৮ জুলাই শনিবার রাতেও টানা অষ্টম দিনের মতো ইরানে নতুন
করে বিমান হামলা চালিয়েছে।
মার্কিন
সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, হামলায় আহত ৪ মার্কিন সেনাকে হাসপাতালে নেয়া
হলেও চিকিৎসা শেষে তারা ছাড়পত্র পেয়েছেন। এছাড়া সামান্য আহত অন্য সেনারা আবার
দায়িত্বে ফিরেছেন।
নিহত
২ সেনার পরিচয় বা তারা ঠিক কোথায় ও কী পরিস্থিতিতে নিহত হয়েছেন, সে বিষয়ে
বিস্তারিত জানায়নি সেন্টকম। বিবিসির খবরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।
শনিবার
রাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায়
নতুন করে হামলা চালানো হয়। সেন্টকমের দাবি, এসব হামলার লক্ষ্য ছিল হরমুজ প্রণালিতে
বাণিজ্যিক নৌ চলাচলের প্রতি ইরানের হুমকি কমিয়ে আনা এবং জর্ডানে মার্কিন সেনাদের
ওপর হামলার জন্য দায়ী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-কে দ্রুত
শাস্তি দেয়া।
এদিকে
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে বলেছেন, ওয়াশিংটন
বারবার সমঝোতা লঙ্ঘন করে প্রমাণ করেছে যে মার্কিন প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরের কোনো
বিশ্বাসযোগ্যতা নেই। তিনি আরও বলেন, সংঘাত আরও বাড়ানোর চেষ্টা করলে যুক্তরাষ্ট্রকে
‘অবিস্মরণীয়
শিক্ষা’
দেয়া হবে।
অন্যদিকে
জর্ডানের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, রাতভর দেশটির আকাশসীমায় প্রবেশ করা ইরানের ছোড়া
১০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর
পাওয়া যায়নি।
সেন্টকমের
তথ্য অনুযায়ী, চলমান সংঘাতে এখন পর্যন্ত ১৬ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে। এরমধ্যে
চলতি মাসের শুরুতে নিখোঁজ হওয়া এক নৌ-বাহিনীর পাইলটকেও আনুষ্ঠানিকভাবে মৃত ঘোষণা
করা হয়েছে।
এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের দাবি, আইআরজিসি জর্ডানের আল-আজরাক ঘাঁটিতে অন্তত দু’টি মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছে। তবে এ বিষয়ে বিবিসির প্রশ্নের জবাবে সেন্টকম অতিরিক্ত কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
জর্ডানে
অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ২ মার্কিন সেনা নিহত
হয়েছে। একই হামলায় অপর আরও ১ সেনা নিখোঁজ রয়েছে। স্থানীয় সময় ১৭ জুলাই শুক্রবারের ওই
হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র ১৮ জুলাই শনিবার রাতেও টানা অষ্টম দিনের মতো ইরানে নতুন
করে বিমান হামলা চালিয়েছে।
মার্কিন
সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, হামলায় আহত ৪ মার্কিন সেনাকে হাসপাতালে নেয়া
হলেও চিকিৎসা শেষে তারা ছাড়পত্র পেয়েছেন। এছাড়া সামান্য আহত অন্য সেনারা আবার
দায়িত্বে ফিরেছেন।
নিহত
২ সেনার পরিচয় বা তারা ঠিক কোথায় ও কী পরিস্থিতিতে নিহত হয়েছেন, সে বিষয়ে
বিস্তারিত জানায়নি সেন্টকম। বিবিসির খবরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।
শনিবার
রাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায়
নতুন করে হামলা চালানো হয়। সেন্টকমের দাবি, এসব হামলার লক্ষ্য ছিল হরমুজ প্রণালিতে
বাণিজ্যিক নৌ চলাচলের প্রতি ইরানের হুমকি কমিয়ে আনা এবং জর্ডানে মার্কিন সেনাদের
ওপর হামলার জন্য দায়ী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-কে দ্রুত
শাস্তি দেয়া।
এদিকে
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে বলেছেন, ওয়াশিংটন
বারবার সমঝোতা লঙ্ঘন করে প্রমাণ করেছে যে মার্কিন প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরের কোনো
বিশ্বাসযোগ্যতা নেই। তিনি আরও বলেন, সংঘাত আরও বাড়ানোর চেষ্টা করলে যুক্তরাষ্ট্রকে
‘অবিস্মরণীয়
শিক্ষা’
দেয়া হবে।
অন্যদিকে
জর্ডানের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, রাতভর দেশটির আকাশসীমায় প্রবেশ করা ইরানের ছোড়া
১০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর
পাওয়া যায়নি।
সেন্টকমের
তথ্য অনুযায়ী, চলমান সংঘাতে এখন পর্যন্ত ১৬ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে। এরমধ্যে
চলতি মাসের শুরুতে নিখোঁজ হওয়া এক নৌ-বাহিনীর পাইলটকেও আনুষ্ঠানিকভাবে মৃত ঘোষণা
করা হয়েছে।
এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের দাবি, আইআরজিসি জর্ডানের আল-আজরাক ঘাঁটিতে অন্তত দু’টি মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছে। তবে এ বিষয়ে বিবিসির প্রশ্নের জবাবে সেন্টকম অতিরিক্ত কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

প্রধান সম্পাদক: চঞ্চল মাহমুদ ফুলর
সম্পাদক: এম এ ওমর
প্রকাশক: জি.সি দাস
আপনার মতামত লিখুন