মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ধলাই নদীর ব্রিজ ও নদী তীরের বাড়িঘরের নিচ থেকে প্রশাসনের নাকের ডগায় ড্রেজার মেশিনে বেপরোয়াভাবে বালু উত্তোলন চলছে। স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় বালু উত্তোলনের ফলে নদীর ব্রিজ, শতাধিক বসতবাড়ি, রাস্তাঘাট, নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধ, ফসলি জমি ও স্থানীয় জনপদ মারাত্মক ঝঁুকির মুখে পড়েছে। হুমকির মুখে পড়েছে পরিবেশ ও প্রতিবেশ।
সরেজমিনে দেখা যায়, কমলগঞ্জ উপজেলার মধ্যদিয়ে
প্রবাহিত ধলাই নদীর লিজকৃত ও লিজ বহিভর্ূত বিভিন্ন স্থান থেকে বেপরোয়া গতিতে বালু উত্তোলন
চলছে। ড্রেজার মেশিনযোগে বালু উত্তোলনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বসতবাড়িসহ নানা অবকাঠামো।
গতকাল রোববার দুপুরে কমলগঞ্জ পৌর এলাকার ভানুগাছ বাজারে যাতায়াত সড়কের উপর নির্মিত
ধলাই সেতুর নিচ থেকে ড্রেজার মেশিনে বালু উত্তোলনের চিত্র দেখা যায়। এতে মারাত্মক হুমকির
মুখে পড়েছে ধলাই সেতু। এছাড়া ইজারার বাহিরেও ধলাইপাড়সহ বিভিন্ন স্থান থেকে বালু উত্তোলন
হচ্ছে। ফলে ধলাইপাড়, কুমড়াকাপন এলাকা, হীরামতি, রহিমপুর ইউনিয়নের জসমতপুর, ধর্মপুর,
চৈত্রঘাট এলাকার প্রায় শতাধিক বসতবাড়ি বড় ধরনের হুমকির মুখে রয়েছে। বাড়িগুলো নদীগর্ভে
বিলীন হওয়ার অপেক্ষায় অসহায় স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়রা জানান, বালু উত্তোলনের বোমা
আর ড্রেজার মেশিনের শব্দে তারা অতিষ্ঠ। এ বিষয়ে কাউকে কিছু বলেও কোন সুরাহান হচ্ছে
না। হুমকিতে পড়েছে নদীর বিভিন্ন স্থানে প্রতিরক্ষা বাঁধ। অন্যদিকে বালু পরিবহনের কারনে
ভেঙে পড়ছে রাস্তাঘাট। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষিজমি। স্থানীয় রাস্তাঘাটেরও বেহাল দশা ধারণ
করেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দারা জানান, বন্যার
পর বালু উত্তোলনের ফলে আমাদের বসতবাড়ি ঝঁুকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ধলাই নদীর তীরবতর্ী বেশকিছু
বাড়িঘর নিয়ে অনেকেই উদ্বেগ আর উৎকন্ঠায় দিন কাটছি।
এব্যাপারে পরিবেশ কমর্ী ও সাংবাদিক নূরুল
মোহাইমীন মিল্টন বলেন, আমরা সরেজমিনে ধলাই নদীর বালু উত্তোলনে বেশ কয়েকটি বসতবাড়ি ঝঁুকিপূর্ণ
অবস্থায় দেখেছি। বসতবাড়ির সন্নিকট ও সেতুর নিচ থেকে কোন অবস্থায়ই বালু উত্তোলনের নিয়ম
নেই। উপজেলা প্রশাসনের নাকের ডগায় এমন তৎপরতা ভাবিয়ে তুলেছে। উপজেলা প্রশাসন তড়িৎ পদক্ষেপ
ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এমনটাই প্রত্যাশা।
এবিষয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা নিবার্হী কর্মকতার্
মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ব্রিজের নিচ থেকে বালু উত্তোলনের কোন নিয়ন নেই। উপজেলা সহকারী
কমিশনার (ভূমি) সরেজমিনে গিয়ে কাজ বন্ধ রেখেছেন। তাছাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডও নদীর বাঁধ
মেরামতের কাজ শুরু করেছে। তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ধলাই নদীর ব্রিজ ও নদী তীরের বাড়িঘরের নিচ থেকে প্রশাসনের নাকের ডগায় ড্রেজার মেশিনে বেপরোয়াভাবে বালু উত্তোলন চলছে। স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় বালু উত্তোলনের ফলে নদীর ব্রিজ, শতাধিক বসতবাড়ি, রাস্তাঘাট, নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধ, ফসলি জমি ও স্থানীয় জনপদ মারাত্মক ঝঁুকির মুখে পড়েছে। হুমকির মুখে পড়েছে পরিবেশ ও প্রতিবেশ।
সরেজমিনে দেখা যায়, কমলগঞ্জ উপজেলার মধ্যদিয়ে
প্রবাহিত ধলাই নদীর লিজকৃত ও লিজ বহিভর্ূত বিভিন্ন স্থান থেকে বেপরোয়া গতিতে বালু উত্তোলন
চলছে। ড্রেজার মেশিনযোগে বালু উত্তোলনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বসতবাড়িসহ নানা অবকাঠামো।
গতকাল রোববার দুপুরে কমলগঞ্জ পৌর এলাকার ভানুগাছ বাজারে যাতায়াত সড়কের উপর নির্মিত
ধলাই সেতুর নিচ থেকে ড্রেজার মেশিনে বালু উত্তোলনের চিত্র দেখা যায়। এতে মারাত্মক হুমকির
মুখে পড়েছে ধলাই সেতু। এছাড়া ইজারার বাহিরেও ধলাইপাড়সহ বিভিন্ন স্থান থেকে বালু উত্তোলন
হচ্ছে। ফলে ধলাইপাড়, কুমড়াকাপন এলাকা, হীরামতি, রহিমপুর ইউনিয়নের জসমতপুর, ধর্মপুর,
চৈত্রঘাট এলাকার প্রায় শতাধিক বসতবাড়ি বড় ধরনের হুমকির মুখে রয়েছে। বাড়িগুলো নদীগর্ভে
বিলীন হওয়ার অপেক্ষায় অসহায় স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়রা জানান, বালু উত্তোলনের বোমা
আর ড্রেজার মেশিনের শব্দে তারা অতিষ্ঠ। এ বিষয়ে কাউকে কিছু বলেও কোন সুরাহান হচ্ছে
না। হুমকিতে পড়েছে নদীর বিভিন্ন স্থানে প্রতিরক্ষা বাঁধ। অন্যদিকে বালু পরিবহনের কারনে
ভেঙে পড়ছে রাস্তাঘাট। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষিজমি। স্থানীয় রাস্তাঘাটেরও বেহাল দশা ধারণ
করেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দারা জানান, বন্যার
পর বালু উত্তোলনের ফলে আমাদের বসতবাড়ি ঝঁুকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ধলাই নদীর তীরবতর্ী বেশকিছু
বাড়িঘর নিয়ে অনেকেই উদ্বেগ আর উৎকন্ঠায় দিন কাটছি।
এব্যাপারে পরিবেশ কমর্ী ও সাংবাদিক নূরুল
মোহাইমীন মিল্টন বলেন, আমরা সরেজমিনে ধলাই নদীর বালু উত্তোলনে বেশ কয়েকটি বসতবাড়ি ঝঁুকিপূর্ণ
অবস্থায় দেখেছি। বসতবাড়ির সন্নিকট ও সেতুর নিচ থেকে কোন অবস্থায়ই বালু উত্তোলনের নিয়ম
নেই। উপজেলা প্রশাসনের নাকের ডগায় এমন তৎপরতা ভাবিয়ে তুলেছে। উপজেলা প্রশাসন তড়িৎ পদক্ষেপ
ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এমনটাই প্রত্যাশা।
এবিষয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা নিবার্হী কর্মকতার্
মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ব্রিজের নিচ থেকে বালু উত্তোলনের কোন নিয়ন নেই। উপজেলা সহকারী
কমিশনার (ভূমি) সরেজমিনে গিয়ে কাজ বন্ধ রেখেছেন। তাছাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডও নদীর বাঁধ
মেরামতের কাজ শুরু করেছে। তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রধান সম্পাদক: চঞ্চল মাহমুদ ফুলর
সম্পাদক: এম এ ওমর
প্রকাশক: জি.সি দাস
আপনার মতামত লিখুন