টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল এবং উজান থেকে নেমে আসা পানির প্রবল স্রোতে চট্টগ্রাম বিভাগজুড়ে সৃষ্টি হওয়া ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৫০ জনে পৌঁছেছে। বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি শুরু হলেও হাজারো পরিবার এখনো ঘরে ফিরতে পারেনি। বর্তমানে বিভাগের ৩ হাজার ৯৪১টি আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন ৩৪ হাজার ৭২৩ জন মানুষ।
রোববার
প্রকাশিত চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিভাগের ১১ জেলার
মোট ৪০৮টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি
ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রাম জেলার ১৭৬টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা। এছাড়া কক্সবাজারের ৭৪টি,
রাঙামাটির ৪২টি, খাগড়াছড়ির ৪১টি এবং বান্দরবানের ৩৬টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বন্যার
পানিতে প্লাবিত হয়েছে।
প্রাণহানির
দিক থেকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত কক্সবাজার জেলা, যেখানে ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।
চট্টগ্রামে প্রাণ হারিয়েছেন ১৩ জন, বান্দরবানে ৬ জন এবং রাঙামাটিতে ৩ জন। পাশাপাশি
রাঙামাটি ও কক্সবাজারে একজন করে মোট দুইজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে
সবচেয়ে বেশি মানুষ অবস্থান করছেন চট্টগ্রাম জেলায়। জেলার ৬৭০টি আশ্রয়কেন্দ্রে
বর্তমানে রয়েছেন ২২ হাজার ৬০০ জন। বান্দরবানের ২০০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৬ হাজার ২৫০
জন, রাঙামাটির ৫৩টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৩ হাজার ৯০৩ জন, কক্সবাজারের ৬১৮টি
আশ্রয়কেন্দ্রে ১ হাজার ৫৮০ জন এবং খাগড়াছড়ির ১৫০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৫৮১ জন আশ্রয়
নিয়েছেন।
বন্যার
কারণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে অবকাঠামো ও বসতবাড়ি। এখন পর্যন্ত ৭৯ হাজার
১৮৭টি বসতঘর, ৩৪৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ৩ হাজার ৮৪০ কিলোমিটার সড়ক এবং ৩৩৯টি সেতু ও
কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বসতঘর
ক্ষতির দিক থেকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত কক্সবাজার, যেখানে ৪৮ হাজার ৬৩টি ঘরবাড়ি
ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া বান্দরবানে ১৫ হাজার ৩৩০টি, চট্টগ্রামে ১৪ হাজার ২৮১টি,
খাগড়াছড়িতে ১ হাজার ৪০টি এবং রাঙামাটিতে ৪৭৩টি বসতঘর ক্ষতির মুখে পড়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তবে পানি পুরোপুরি নেমে না যাওয়ায় অনেক এলাকায় এখনো স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি।

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল এবং উজান থেকে নেমে আসা পানির প্রবল স্রোতে চট্টগ্রাম বিভাগজুড়ে সৃষ্টি হওয়া ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৫০ জনে পৌঁছেছে। বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি শুরু হলেও হাজারো পরিবার এখনো ঘরে ফিরতে পারেনি। বর্তমানে বিভাগের ৩ হাজার ৯৪১টি আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন ৩৪ হাজার ৭২৩ জন মানুষ।
রোববার
প্রকাশিত চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিভাগের ১১ জেলার
মোট ৪০৮টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি
ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রাম জেলার ১৭৬টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা। এছাড়া কক্সবাজারের ৭৪টি,
রাঙামাটির ৪২টি, খাগড়াছড়ির ৪১টি এবং বান্দরবানের ৩৬টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বন্যার
পানিতে প্লাবিত হয়েছে।
প্রাণহানির
দিক থেকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত কক্সবাজার জেলা, যেখানে ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।
চট্টগ্রামে প্রাণ হারিয়েছেন ১৩ জন, বান্দরবানে ৬ জন এবং রাঙামাটিতে ৩ জন। পাশাপাশি
রাঙামাটি ও কক্সবাজারে একজন করে মোট দুইজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে
সবচেয়ে বেশি মানুষ অবস্থান করছেন চট্টগ্রাম জেলায়। জেলার ৬৭০টি আশ্রয়কেন্দ্রে
বর্তমানে রয়েছেন ২২ হাজার ৬০০ জন। বান্দরবানের ২০০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৬ হাজার ২৫০
জন, রাঙামাটির ৫৩টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৩ হাজার ৯০৩ জন, কক্সবাজারের ৬১৮টি
আশ্রয়কেন্দ্রে ১ হাজার ৫৮০ জন এবং খাগড়াছড়ির ১৫০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৫৮১ জন আশ্রয়
নিয়েছেন।
বন্যার
কারণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে অবকাঠামো ও বসতবাড়ি। এখন পর্যন্ত ৭৯ হাজার
১৮৭টি বসতঘর, ৩৪৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ৩ হাজার ৮৪০ কিলোমিটার সড়ক এবং ৩৩৯টি সেতু ও
কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বসতঘর
ক্ষতির দিক থেকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত কক্সবাজার, যেখানে ৪৮ হাজার ৬৩টি ঘরবাড়ি
ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া বান্দরবানে ১৫ হাজার ৩৩০টি, চট্টগ্রামে ১৪ হাজার ২৮১টি,
খাগড়াছড়িতে ১ হাজার ৪০টি এবং রাঙামাটিতে ৪৭৩টি বসতঘর ক্ষতির মুখে পড়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তবে পানি পুরোপুরি নেমে না যাওয়ায় অনেক এলাকায় এখনো স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি।

প্রধান সম্পাদক: চঞ্চল মাহমুদ ফুলর
সম্পাদক: এম এ ওমর
প্রকাশক: জি.সি দাস
আপনার মতামত লিখুন