অবৈধ পকেট কমিটি গঠন এবং মাদক ব্যবসায়ী, ইভটিজিংকারী, অছাত্র ও টিকটকারদের কমিটিতে স্থান দেওয়ার প্রতিবাদ ও বিতর্কিত কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে সিটি কলেজ ছাত্রদল।
রবিবার বেলা ১২টায় সিটি কলেজ প্রাঙ্গন
থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে কলেজের ক্লাসরুম, অফিস রুমের বারান্দায়
শ্লোগানে দিয়ে ক্যাম্পাস চত্তরে সমাবেশ করে।
বিক্ষোভ
সমাবেশ থেকে এই কমিটিকে সম্পূর্ণ অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে এবং কলেজ ক্যাম্পাসে
তাদের প্রবেশ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়াও মহানগর ও কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে
এই নতুন কমিটির গঠন প্রক্রিয়া নিয়ে সঠিক তদন্ত করার আহ্বান জানান বিক্ষুব্ধ
শিক্ষার্থীরা।
বক্তরা
বলেন সম্প্রতি সিটি কলেজে গঠিত নতুন কমিটিকে ঘিরে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ
করেছেন বিগত আন্দোলন-সংগ্রামের ত্যাগী নেতাকর্মীরা।
আন্দোলনকারী
ছাত্রদল নেতাদের অভিযোগ: নতুন কমিটির সদস্যদের সাধারণ শিক্ষার্থীরা চেনে না
এবং ৫ তারিখের আগে ও পরের কোনো আন্দোলন-সংগ্রামে মাঠে তাদের কোনো উপস্থিতি ছিল না।
কমিটিতে এমন ব্যক্তিদের স্থান দেওয়া
হয়েছে যারা মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত এবং যারা টিকটকার। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নারী
বিদ্বেষী আচরণের অভিযোগ রয়েছে। তারা নারীদের নামে কটূক্তি ও খারাপ কথা বলে থাকেন। সদস্যদের
মধ্যে বিবাহিত এবং সন্তানের বাবারাও রয়েছেন, যা ছাত্র রাজনীতির সাধারণ নিয়মের
পরিপন্থী।
অযোগ্য ব্যক্তিদের কীভাবে কমিটিতে আনা
হলো এবং এর নেপথ্যে কারা তার তদন্ত চেয়ে, সে বিষয়ে মহানগর ও সেন্ট্রাল কমিটিকে
অনুরোধ জানান।
যারা
আন্দোলন করতে গিয়ে জেল-জুলুমের শিকার হয়েছেন, দলের সেই ত্যাগী নেতাদের পদ-পদবী না
হলেও অন্তত তাদের ত্যাগের যথার্থ স্বীকৃতি ও মূল্যায়ন চান তারা।
নতুন
কমিটিকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে মাঠে নেমে যোগ্যতা প্রমাণ করতে হবে, তা না
পারলে তাদের পদত্যাগ করতে হবে।
ছাত্রদলের
নেতাকর্মীরা উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, এই ধরনের বিতর্কিত কমিটির কারণে দলের
মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে এবং শুধু সিটি কলেজ নয়, সারা বাংলাদেশেই এমন পরিস্থিতি বিরাজ
করছে।
বিক্ষোভকারীরা
তাদের দীর্ঘদিনের ত্যাগী নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি গভীর
আস্থা ও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তারা জোরালো দাবি জানান যেন তিনি ব্যক্তিগতভাবে
বিষয়টি খতিয়ে দেখেন। একইসাথে সেন্ট্রালের প্রেসিডেন্ট ও সেক্রেটারির কাছেও সুষ্ঠু
তদন্তের মাধ্যমে সিটি কলেজে একটি গ্রহণযোগ্য ও সুন্দর কমিটি উপহার দেওয়ার আহ্বান
জানানো হয়েছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সিটি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ন আহবায়ক বিশাল রহমান, যুগ্ন আহবায়ক তাফাকুল ইসলাম সৈকত, যুগ্ম আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান চন্দন এবং ১১নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি ও সিটি কলেজের ছাত্রনেতা আন নাফি খান মন।

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
অবৈধ পকেট কমিটি গঠন এবং মাদক ব্যবসায়ী, ইভটিজিংকারী, অছাত্র ও টিকটকারদের কমিটিতে স্থান দেওয়ার প্রতিবাদ ও বিতর্কিত কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে সিটি কলেজ ছাত্রদল।
রবিবার বেলা ১২টায় সিটি কলেজ প্রাঙ্গন
থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে কলেজের ক্লাসরুম, অফিস রুমের বারান্দায়
শ্লোগানে দিয়ে ক্যাম্পাস চত্তরে সমাবেশ করে।
বিক্ষোভ
সমাবেশ থেকে এই কমিটিকে সম্পূর্ণ অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে এবং কলেজ ক্যাম্পাসে
তাদের প্রবেশ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়াও মহানগর ও কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে
এই নতুন কমিটির গঠন প্রক্রিয়া নিয়ে সঠিক তদন্ত করার আহ্বান জানান বিক্ষুব্ধ
শিক্ষার্থীরা।
বক্তরা
বলেন সম্প্রতি সিটি কলেজে গঠিত নতুন কমিটিকে ঘিরে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ
করেছেন বিগত আন্দোলন-সংগ্রামের ত্যাগী নেতাকর্মীরা।
আন্দোলনকারী
ছাত্রদল নেতাদের অভিযোগ: নতুন কমিটির সদস্যদের সাধারণ শিক্ষার্থীরা চেনে না
এবং ৫ তারিখের আগে ও পরের কোনো আন্দোলন-সংগ্রামে মাঠে তাদের কোনো উপস্থিতি ছিল না।
কমিটিতে এমন ব্যক্তিদের স্থান দেওয়া
হয়েছে যারা মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত এবং যারা টিকটকার। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নারী
বিদ্বেষী আচরণের অভিযোগ রয়েছে। তারা নারীদের নামে কটূক্তি ও খারাপ কথা বলে থাকেন। সদস্যদের
মধ্যে বিবাহিত এবং সন্তানের বাবারাও রয়েছেন, যা ছাত্র রাজনীতির সাধারণ নিয়মের
পরিপন্থী।
অযোগ্য ব্যক্তিদের কীভাবে কমিটিতে আনা
হলো এবং এর নেপথ্যে কারা তার তদন্ত চেয়ে, সে বিষয়ে মহানগর ও সেন্ট্রাল কমিটিকে
অনুরোধ জানান।
যারা
আন্দোলন করতে গিয়ে জেল-জুলুমের শিকার হয়েছেন, দলের সেই ত্যাগী নেতাদের পদ-পদবী না
হলেও অন্তত তাদের ত্যাগের যথার্থ স্বীকৃতি ও মূল্যায়ন চান তারা।
নতুন
কমিটিকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে মাঠে নেমে যোগ্যতা প্রমাণ করতে হবে, তা না
পারলে তাদের পদত্যাগ করতে হবে।
ছাত্রদলের
নেতাকর্মীরা উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, এই ধরনের বিতর্কিত কমিটির কারণে দলের
মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে এবং শুধু সিটি কলেজ নয়, সারা বাংলাদেশেই এমন পরিস্থিতি বিরাজ
করছে।
বিক্ষোভকারীরা
তাদের দীর্ঘদিনের ত্যাগী নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি গভীর
আস্থা ও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তারা জোরালো দাবি জানান যেন তিনি ব্যক্তিগতভাবে
বিষয়টি খতিয়ে দেখেন। একইসাথে সেন্ট্রালের প্রেসিডেন্ট ও সেক্রেটারির কাছেও সুষ্ঠু
তদন্তের মাধ্যমে সিটি কলেজে একটি গ্রহণযোগ্য ও সুন্দর কমিটি উপহার দেওয়ার আহ্বান
জানানো হয়েছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সিটি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ন আহবায়ক বিশাল রহমান, যুগ্ন আহবায়ক তাফাকুল ইসলাম সৈকত, যুগ্ম আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান চন্দন এবং ১১নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি ও সিটি কলেজের ছাত্রনেতা আন নাফি খান মন।

প্রধান সম্পাদক: চঞ্চল মাহমুদ ফুলর
সম্পাদক: এম এ ওমর
প্রকাশক: জি.সি দাস
আপনার মতামত লিখুন