সিলেটের সীমান্তবর্তী উপজেলা বিয়ানীবাজারের যোগাযোগ ব্যবস্থার দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘবে বড় সুখবর এসেছে। উপজেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সারপার-সিলেটিপাড়া-গজুকাটা সড়ক সংস্কার ও সম্প্রসারণের জন্য ৪৬ কোটি ৬৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে এবং সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরীর উদ্যোগে এ বরাদ্দ অনুমোদন করা হয়েছে।
মুড়িয়া ও দুবাগ
ইউনিয়ন অতিক্রমকারী প্রায় ২১ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সড়কটি স্থানীয় যোগাযোগ ব্যবস্থার
পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় যাতায়াতের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে বর্ডার
গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ক্যাম্প ও সীমান্তবর্তী অঞ্চলে যাতায়াতের ক্ষেত্রে সড়কটির
ভূমিকা অপরিসীম।
দীর্ঘদিন ধরে
সংস্কারের অভাবে সড়কটির বিভিন্ন অংশ চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা
বছরের পর বছর ভোগান্তি পোহালেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। অবশেষে নতুন সংসদ
সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরীর প্রচেষ্টায় সড়কটির উন্নয়নের জন্য বড় অঙ্কের বরাদ্দ
নিশ্চিত হয়েছে।
জানা গেছে,
প্রকল্পটির কাজ তিনটি ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। সম্প্রতি গণমাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে
সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী জানান, গত ৮ জুন প্রকল্পটির অনুমোদন ও বরাদ্দ পাওয়া
গেছে। তিনি এ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান,
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, এলজিইডি মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট সকল
কর্মকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এমপি এমরান আহমদ
চৌধুরী বলেন, “সিলেটের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নজর রয়েছে। আমরা বিশ্বাস
করি, আগামী পাঁচ বছরে সিলেট বিভাগের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন বাস্তবায়িত হবে এবং
দীর্ঘদিনের নানা বঞ্চনার অবসান ঘটবে।”
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত প্রকল্পের কাজ শুরু হলে সীমান্তাঞ্চলের হাজারো মানুষের যাতায়াত সহজ হবে, বাণিজ্যিক কার্যক্রমে গতি আসবে এবং এলাকার সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
সিলেটের সীমান্তবর্তী উপজেলা বিয়ানীবাজারের যোগাযোগ ব্যবস্থার দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘবে বড় সুখবর এসেছে। উপজেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সারপার-সিলেটিপাড়া-গজুকাটা সড়ক সংস্কার ও সম্প্রসারণের জন্য ৪৬ কোটি ৬৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে এবং সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরীর উদ্যোগে এ বরাদ্দ অনুমোদন করা হয়েছে।
মুড়িয়া ও দুবাগ
ইউনিয়ন অতিক্রমকারী প্রায় ২১ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সড়কটি স্থানীয় যোগাযোগ ব্যবস্থার
পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় যাতায়াতের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে বর্ডার
গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ক্যাম্প ও সীমান্তবর্তী অঞ্চলে যাতায়াতের ক্ষেত্রে সড়কটির
ভূমিকা অপরিসীম।
দীর্ঘদিন ধরে
সংস্কারের অভাবে সড়কটির বিভিন্ন অংশ চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা
বছরের পর বছর ভোগান্তি পোহালেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। অবশেষে নতুন সংসদ
সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরীর প্রচেষ্টায় সড়কটির উন্নয়নের জন্য বড় অঙ্কের বরাদ্দ
নিশ্চিত হয়েছে।
জানা গেছে,
প্রকল্পটির কাজ তিনটি ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। সম্প্রতি গণমাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে
সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী জানান, গত ৮ জুন প্রকল্পটির অনুমোদন ও বরাদ্দ পাওয়া
গেছে। তিনি এ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান,
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, এলজিইডি মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট সকল
কর্মকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এমপি এমরান আহমদ
চৌধুরী বলেন, “সিলেটের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নজর রয়েছে। আমরা বিশ্বাস
করি, আগামী পাঁচ বছরে সিলেট বিভাগের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন বাস্তবায়িত হবে এবং
দীর্ঘদিনের নানা বঞ্চনার অবসান ঘটবে।”
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত প্রকল্পের কাজ শুরু হলে সীমান্তাঞ্চলের হাজারো মানুষের যাতায়াত সহজ হবে, বাণিজ্যিক কার্যক্রমে গতি আসবে এবং এলাকার সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।

প্রধান সম্পাদক: চঞ্চল মাহমুদ ফুলর
সম্পাদক: এম এ ওমর
প্রকাশক: জি.সি দাস
আপনার মতামত লিখুন