২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট
উপস্থাপনের পরদিন বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ
চৌধুরী জানিয়েছেন. দেড় দশক ধরে দেয়া বাজেটে জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হয়নি। তিনি
আরো বলেন, নৈতিক ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে দেশ পরিচালনার চেষ্টা চলছে। যেন অর্থের অপচয়
না হয় সেসব ভেবেই প্রকল্প নেয়া হচ্ছে।
১২ জুন শুক্রবার বিকেল ৩টায়
রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
প্রস্তাবিত বাজেট প্রণয়নের
ক্ষেত্রে সরকারের নীতি ও দর্শনের বিষয়েও কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।
তিনি জানান, বাজেট তৈরির সময় ‘সবার জন্য বাংলাদেশ’, অর্থনৈতিক গণতন্ত্র এবং নৈতিক
ভিত্তির ওপর রাষ্ট্র পরিচালনার বিষয়গুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। অপচয়নির্ভর অর্থনীতি
থেকে বেরিয়ে এসে জবাবদিহিমূলক ও কার্যকর ব্যয় ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যেই
আগামী দিনের প্রকল্প ও ব্যয় অনুমোদনের ক্ষেত্রে ৪টি মূল মানদণ্ড নির্ধারণ করা
হয়েছে।
‘প্রতিটি প্রকল্প মূল্যায়নের ক্ষেত্রে ভ্যালু ফর মানি (ব্যয়ের যথাযথ মূল্য),
রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট (বিনিয়োগের প্রতিফল), কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পরিবেশগত বিবেচনা’ এই ৪টি বিষয়কে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হবে। এসব মানদণ্ডের ভিত্তিতেই
উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন
বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন,
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, শিক্ষামন্ত্রী আনম এহসানুল হক মিলন,
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী
জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, এনবিআর চেয়ারম্যান মো.
আবদুর রহমান খান ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রস্তাবিত
বাজেটের বিভিন্ন দিক, সরকারের অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার এবং সামনের দিনের চ্যালেঞ্জ
মোকাবিলার কৌশল তুলে ধরেন। পাশাপাশি বাজেট নিয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের
জবাবও দেন।

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুন ২০২৬
২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট
উপস্থাপনের পরদিন বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ
চৌধুরী জানিয়েছেন. দেড় দশক ধরে দেয়া বাজেটে জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হয়নি। তিনি
আরো বলেন, নৈতিক ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে দেশ পরিচালনার চেষ্টা চলছে। যেন অর্থের অপচয়
না হয় সেসব ভেবেই প্রকল্প নেয়া হচ্ছে।
১২ জুন শুক্রবার বিকেল ৩টায়
রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
প্রস্তাবিত বাজেট প্রণয়নের
ক্ষেত্রে সরকারের নীতি ও দর্শনের বিষয়েও কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।
তিনি জানান, বাজেট তৈরির সময় ‘সবার জন্য বাংলাদেশ’, অর্থনৈতিক গণতন্ত্র এবং নৈতিক
ভিত্তির ওপর রাষ্ট্র পরিচালনার বিষয়গুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। অপচয়নির্ভর অর্থনীতি
থেকে বেরিয়ে এসে জবাবদিহিমূলক ও কার্যকর ব্যয় ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যেই
আগামী দিনের প্রকল্প ও ব্যয় অনুমোদনের ক্ষেত্রে ৪টি মূল মানদণ্ড নির্ধারণ করা
হয়েছে।
‘প্রতিটি প্রকল্প মূল্যায়নের ক্ষেত্রে ভ্যালু ফর মানি (ব্যয়ের যথাযথ মূল্য),
রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট (বিনিয়োগের প্রতিফল), কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পরিবেশগত বিবেচনা’ এই ৪টি বিষয়কে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হবে। এসব মানদণ্ডের ভিত্তিতেই
উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন
বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন,
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, শিক্ষামন্ত্রী আনম এহসানুল হক মিলন,
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী
জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, এনবিআর চেয়ারম্যান মো.
আবদুর রহমান খান ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রস্তাবিত
বাজেটের বিভিন্ন দিক, সরকারের অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার এবং সামনের দিনের চ্যালেঞ্জ
মোকাবিলার কৌশল তুলে ধরেন। পাশাপাশি বাজেট নিয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের
জবাবও দেন।

প্রধান সম্পাদক: চঞ্চল মাহমুদ ফুলর
সম্পাদক: এম এ ওমর
প্রকাশক: জি.সি দাস
আপনার মতামত লিখুন