সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার খলাছড়া ইউনিয়নের মাদারখাল গ্রামে লাবণী রানী বিশ্বাস (১৯) নামে এক তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকালে নিজ বাড়ি থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
লাবণী রানী বিশ্বাস স্থানীয় অন্নদা বিশ্বাসের মেয়ে। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রায় আট মাস আগে উপজেলার মানিকপুর ইউনিয়নের খাশেরা গ্রামের এক ওমানপ্রবাসী যুবকের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বিয়ের অল্প কিছুদিন পরই স্বামী কর্মস্থলে ফিরে যান।
নিহতের পরিবারের দাবি, স্বামী বিদেশে থাকার সুযোগে শ্বশুরবাড়ির ভাসুর নিত্যানন্দ বিশ্বাস লাবণীর প্রতি অনৈতিক আচরণ ও হয়রানি করতেন। বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক অশান্তি চলছিল বলেও অভিযোগ তাদের।
পরিবারের সদস্যরা জানান, এসব ঘটনার জেরে প্রায় এক মাস আগে লাবণী বাবার বাড়িতে চলে আসেন। এরপর তাকে শ্বশুরবাড়িতে ফিরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তিনি যেতে রাজি হননি।
লাবণীর বাবা অন্নদা বিশ্বাস বলেন, “আমার মেয়ে অনেক মানসিক চাপে ছিল। মৃত্যুর পর তার মোবাইলে কিছু তথ্য পাওয়া গেছে, যা তদন্তে সহায়তা করতে পারে।”
অন্যদিকে, স্বামীর পরিবারের কয়েকজন সদস্য জানান, দুই পরিবারের মধ্যে কিছুদিন ধরে বিরোধ চলছিল। তবে তারা লাবণীকে শান্ত ও ভদ্র স্বভাবের মেয়ে বলেও উল্লেখ করেন।
ঘটনার বিষয়ে জকিগঞ্জ থানা পুলিশ-এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুর রাজ্জাক জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে অভিযুক্ত নিত্যানন্দ বিশ্বাসের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার খলাছড়া ইউনিয়নের মাদারখাল গ্রামে লাবণী রানী বিশ্বাস (১৯) নামে এক তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকালে নিজ বাড়ি থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
লাবণী রানী বিশ্বাস স্থানীয় অন্নদা বিশ্বাসের মেয়ে। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রায় আট মাস আগে উপজেলার মানিকপুর ইউনিয়নের খাশেরা গ্রামের এক ওমানপ্রবাসী যুবকের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বিয়ের অল্প কিছুদিন পরই স্বামী কর্মস্থলে ফিরে যান।
নিহতের পরিবারের দাবি, স্বামী বিদেশে থাকার সুযোগে শ্বশুরবাড়ির ভাসুর নিত্যানন্দ বিশ্বাস লাবণীর প্রতি অনৈতিক আচরণ ও হয়রানি করতেন। বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক অশান্তি চলছিল বলেও অভিযোগ তাদের।
পরিবারের সদস্যরা জানান, এসব ঘটনার জেরে প্রায় এক মাস আগে লাবণী বাবার বাড়িতে চলে আসেন। এরপর তাকে শ্বশুরবাড়িতে ফিরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তিনি যেতে রাজি হননি।
লাবণীর বাবা অন্নদা বিশ্বাস বলেন, “আমার মেয়ে অনেক মানসিক চাপে ছিল। মৃত্যুর পর তার মোবাইলে কিছু তথ্য পাওয়া গেছে, যা তদন্তে সহায়তা করতে পারে।”
অন্যদিকে, স্বামীর পরিবারের কয়েকজন সদস্য জানান, দুই পরিবারের মধ্যে কিছুদিন ধরে বিরোধ চলছিল। তবে তারা লাবণীকে শান্ত ও ভদ্র স্বভাবের মেয়ে বলেও উল্লেখ করেন।
ঘটনার বিষয়ে জকিগঞ্জ থানা পুলিশ-এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুর রাজ্জাক জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে অভিযুক্ত নিত্যানন্দ বিশ্বাসের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

প্রধান সম্পাদক: চঞ্চল মাহমুদ ফুলর
সম্পাদক: এম এ ওমর
প্রকাশক: জি.সি দাস
আপনার মতামত লিখুন