পঞ্চবাণী

চলতি মাসেই এনটিআরসিএর ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন কার্যক্রম



চলতি মাসেই এনটিআরসিএর ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন কার্যক্রম

চলতি মাসেই বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। আগামী ২৬ জানুয়ারির পর ই-রেজিস্ট্রেশনের জন্য এক সপ্তাহ সময় দেয়া হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে ই-রিকুইজিশন গ্রহণ এবং নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হতে পারে।

মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র দৈনিক শিক্ষাডটকমকে এ তথ্য জানিয়েছে।

সূত্র জানায়, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগেই শূন্যপদের চাহিদা সংগ্রহ করা হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো থেকে পাওয়া খালি পদের তালিকা অনুযায়ীই ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

এবারের কার্যক্রমে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেমৌখিক পরীক্ষা (ভাইভা) পুনর্বহাল, ভাইভার জন্য আলাদা নম্বর সংযোজন, উত্তীর্ণদের সনদ দেয়া না করা এবং শূন্যপদের সংখ্যা অনুযায়ী প্রার্থীকে উত্তীর্ণ ঘোষণা।

এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা গ্রহণ, নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন বিধিমালা ২০২৫-এর গেজেট প্রকাশ হয়। এতে শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রমে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। সেই পরিবর্তন অনুযায়ী ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হবে।

ডিসেম্বরে প্রকাশিত গেজেটে বলা হয়েছে, নির্বাচনি বা বাছাই পদ্ধতিতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনি বা বাছাই পরীক্ষার বিষয়, ব্যাপ্তি ও নম্বর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত হবে। নির্বাচনি বা বাছাই পরীক্ষায় পাস নম্বর হবে মোট নম্বরের অন্যূন ৪০ শতাংশ নম্বর। শূন্যপদের ১:২ অনুপাতে বিষয় ও পদভিত্তিক নির্বাচনি বা বাছাই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। ফল প্রকাশের পর কর্তৃপক্ষ উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করবে, যাতে মোট ২০ নম্বর থাকবে এবং পাস নম্বর হবে মোট নম্বরের অন্যূন ৪০ শতাংশ।

শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়নের জন্য শূন্যপদের চাহিদা নিরূপণ নিয়ে বলা হয়েছে, কর্তৃপক্ষ যোগ্য শিক্ষকদের তালিকা প্রণয়ন, নিবন্ধন ও প্রত্যয়নের জন্য শূন্যপদের চাহিদা সংগ্রহ করবে। উপ-বিধি (১) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, কর্তৃপক্ষ সর্বশেষ অনুমোদিত জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হতে শিক্ষকের শূন্যপদের চাহিদা গ্রহণ করবে।

প্রসঙ্গত, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত প্রার্থী বাছাই ও নিয়োগ সুপারিশের দায়িত্ব এনটিআরসিএর। স্বচ্ছ পদ্ধতিতে যোগ্য শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে ২০০৫ খ্রিষ্টাব্দে বিএনপি সরকার এ প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করে।

শিক্ষাসহ সব খবর সবার আগে জানতে দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গেই থাকুন। ভিডিয়োগুলো মিস করতে না চাইলে এখনই দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল বাটন ক্লিক করুন। বেল বাটন ক্লিক করার ফলে আপনার স্মার্ট ফোন বা কম্পিউটারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিয়োগুলোর নোটিফিকেশন পৌঁছে যাবে।

 

বিষয় : নিবন্ধন

আপনার মতামত লিখুন

পঞ্চবাণী

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬


চলতি মাসেই এনটিআরসিএর ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন কার্যক্রম

প্রকাশের তারিখ : ২০ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

চলতি মাসেই বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। আগামী ২৬ জানুয়ারির পর ই-রেজিস্ট্রেশনের জন্য এক সপ্তাহ সময় দেয়া হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে ই-রিকুইজিশন গ্রহণ এবং নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হতে পারে।

মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র দৈনিক শিক্ষাডটকমকে এ তথ্য জানিয়েছে।

সূত্র জানায়, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগেই শূন্যপদের চাহিদা সংগ্রহ করা হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো থেকে পাওয়া খালি পদের তালিকা অনুযায়ীই ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

এবারের কার্যক্রমে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেমৌখিক পরীক্ষা (ভাইভা) পুনর্বহাল, ভাইভার জন্য আলাদা নম্বর সংযোজন, উত্তীর্ণদের সনদ দেয়া না করা এবং শূন্যপদের সংখ্যা অনুযায়ী প্রার্থীকে উত্তীর্ণ ঘোষণা।

এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা গ্রহণ, নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন বিধিমালা ২০২৫-এর গেজেট প্রকাশ হয়। এতে শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রমে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। সেই পরিবর্তন অনুযায়ী ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হবে।

ডিসেম্বরে প্রকাশিত গেজেটে বলা হয়েছে, নির্বাচনি বা বাছাই পদ্ধতিতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনি বা বাছাই পরীক্ষার বিষয়, ব্যাপ্তি ও নম্বর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত হবে। নির্বাচনি বা বাছাই পরীক্ষায় পাস নম্বর হবে মোট নম্বরের অন্যূন ৪০ শতাংশ নম্বর। শূন্যপদের ১:২ অনুপাতে বিষয় ও পদভিত্তিক নির্বাচনি বা বাছাই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। ফল প্রকাশের পর কর্তৃপক্ষ উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করবে, যাতে মোট ২০ নম্বর থাকবে এবং পাস নম্বর হবে মোট নম্বরের অন্যূন ৪০ শতাংশ।

শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়নের জন্য শূন্যপদের চাহিদা নিরূপণ নিয়ে বলা হয়েছে, কর্তৃপক্ষ যোগ্য শিক্ষকদের তালিকা প্রণয়ন, নিবন্ধন ও প্রত্যয়নের জন্য শূন্যপদের চাহিদা সংগ্রহ করবে। উপ-বিধি (১) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, কর্তৃপক্ষ সর্বশেষ অনুমোদিত জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হতে শিক্ষকের শূন্যপদের চাহিদা গ্রহণ করবে।

প্রসঙ্গত, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত প্রার্থী বাছাই ও নিয়োগ সুপারিশের দায়িত্ব এনটিআরসিএর। স্বচ্ছ পদ্ধতিতে যোগ্য শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে ২০০৫ খ্রিষ্টাব্দে বিএনপি সরকার এ প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করে।

শিক্ষাসহ সব খবর সবার আগে জানতে দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গেই থাকুন। ভিডিয়োগুলো মিস করতে না চাইলে এখনই দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল বাটন ক্লিক করুন। বেল বাটন ক্লিক করার ফলে আপনার স্মার্ট ফোন বা কম্পিউটারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিয়োগুলোর নোটিফিকেশন পৌঁছে যাবে।

 


পঞ্চবাণী

প্রধান সম্পাদক: চঞ্চল মাহমুদ ফুলর

সম্পাদক: এম এ ওমর

প্রকাশক: জি.সি দাস


ঢাকা অফিস: ফকিরবানু ভবন (২য় তলা), ১৯ হাটখোলা রোড, ওয়ারী, ঢাকা-১২০০, সিলেট অফিস : ২/১২ লেইছ সুপার মার্কেট, স্টেশন রোড, সিলেট। মোবাইল : +৮৮০১৭১১-৩২৩৪৬২, +৮৮০১৭২৯-৬৫৫২৬৫, +৮৮০১৭১৩-৮০০৭৭৩