বুধবার (১ জুলাই) দিবাগত মধ্যরাতে উপজেলার খলাছড়া ইউনিয়নের লামারগ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আলম আহমদ (২৮) লামারগ্রামের বাসিন্দা ও ওয়ারিছ আলীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন রিকশাচালক ছিলেন। আটক পারভেজ আহমদ (৩২) মোস্তকিন আলীর ছেলে এবং নিহতের আপন চাচাতো ভাই।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখার সময় চিৎকার করাকে কেন্দ্র করে আলম ও পারভেজের মধ্যে প্রথমে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নিলে পারভেজ ধারালো ছুরি দিয়ে আলমকে আঘাত করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত আলমকে দ্রুত জকিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার খবর পেয়ে জকিগঞ্জ থানা পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে খলাছড়া ইউনিয়নের মাদারখাল গ্রামে তার নানাবাড়ি থেকে অভিযুক্ত পারভেজকে আটক করে। এ সময় তার কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিও উদ্ধার করা হয়।
জকিগঞ্জ থানার ওসি মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক জানান, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, খেলা দেখার সময় চিৎকার করাকে কেন্দ্র করেই দুই চাচাতো ভাইয়ের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয় এবং সেই বিরোধের জেরেই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬
বুধবার (১ জুলাই) দিবাগত মধ্যরাতে উপজেলার খলাছড়া ইউনিয়নের লামারগ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আলম আহমদ (২৮) লামারগ্রামের বাসিন্দা ও ওয়ারিছ আলীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন রিকশাচালক ছিলেন। আটক পারভেজ আহমদ (৩২) মোস্তকিন আলীর ছেলে এবং নিহতের আপন চাচাতো ভাই।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখার সময় চিৎকার করাকে কেন্দ্র করে আলম ও পারভেজের মধ্যে প্রথমে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নিলে পারভেজ ধারালো ছুরি দিয়ে আলমকে আঘাত করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত আলমকে দ্রুত জকিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার খবর পেয়ে জকিগঞ্জ থানা পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে খলাছড়া ইউনিয়নের মাদারখাল গ্রামে তার নানাবাড়ি থেকে অভিযুক্ত পারভেজকে আটক করে। এ সময় তার কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিও উদ্ধার করা হয়।
জকিগঞ্জ থানার ওসি মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক জানান, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, খেলা দেখার সময় চিৎকার করাকে কেন্দ্র করেই দুই চাচাতো ভাইয়ের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয় এবং সেই বিরোধের জেরেই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

প্রধান সম্পাদক: চঞ্চল মাহমুদ ফুলর
সম্পাদক: এম এ ওমর
প্রকাশক: জি.সি দাস
আপনার মতামত লিখুন