সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলম দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহারের পর সিলেটবাসীর উদ্দেশে আবেগঘন বিদায়বার্তা দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৩ জুন)
নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে তিনি লিখেন, “বিদায় সিলেট। ভালো
থাকুন সিলেটবাসী। আপনাদের ভালোবাসায় আমি ধন্য।” সংক্ষিপ্ত এই
বার্তায় সিলেটবাসীর প্রতি তার কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসার প্রকাশ ফুটে ওঠে।
এর আগে, গত ২১ জুন
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে তাকে সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা
ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা
ওই প্রজ্ঞাপনে তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে সংযুক্ত করার কথা জানানো
হয়। তবে তার প্রত্যাহারের কারণ কিংবা সিলেটের নতুন জেলা প্রশাসকের নাম তখন প্রকাশ
করা হয়নি।
দায়িত্ব থেকে
অব্যাহতির পর মঙ্গলবার দুপুরে তিনি ঢাকার উদ্দেশে সিলেট ত্যাগ করেন। প্রশাসন
সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১টার দিকে সরকারি বাসভবন থেকে বের হয়ে তিনি ওসমানী
আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেন। পরে দুপুর ২টার দিকে একটি ফ্লাইটে
ঢাকার পথে যাত্রা করেন।
এর আগে সোমবার
বিকেলে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। দায়িত্ব
হস্তান্তরের পর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বিদায়ী অনুষ্ঠানও অনুষ্ঠিত হয়।
সিলেটে দায়িত্ব
পালনকালে মো. সারওয়ার আলম বিভিন্ন প্রশাসনিক উদ্যোগের কারণে আলোচনায় ছিলেন। বিশেষ
করে হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরাণ (রহ.) মাজারের ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা
নিশ্চিত করার উদ্যোগ, শাহজালাল (রহ.) মাজারের ডেগ সিলগালা এবং নতুন দানবাক্স
স্থাপনকে কেন্দ্র করে তিনি ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার মুখে পড়েন।
এদিকে, নতুন জেলা
প্রশাসক যোগদান না করা পর্যন্ত অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পিংকি সাহা ভারপ্রাপ্ত
জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
সারওয়ার আলমের বিদায়ের মধ্য দিয়ে সিলেট প্রশাসনের একটি আলোচিত অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল। তবে তার নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ ও সেগুলোকে ঘিরে জনমতের আলোচনা এখনও সিলেটজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে রয়েছে।

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলম দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহারের পর সিলেটবাসীর উদ্দেশে আবেগঘন বিদায়বার্তা দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৩ জুন)
নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে তিনি লিখেন, “বিদায় সিলেট। ভালো
থাকুন সিলেটবাসী। আপনাদের ভালোবাসায় আমি ধন্য।” সংক্ষিপ্ত এই
বার্তায় সিলেটবাসীর প্রতি তার কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসার প্রকাশ ফুটে ওঠে।
এর আগে, গত ২১ জুন
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে তাকে সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা
ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা
ওই প্রজ্ঞাপনে তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে সংযুক্ত করার কথা জানানো
হয়। তবে তার প্রত্যাহারের কারণ কিংবা সিলেটের নতুন জেলা প্রশাসকের নাম তখন প্রকাশ
করা হয়নি।
দায়িত্ব থেকে
অব্যাহতির পর মঙ্গলবার দুপুরে তিনি ঢাকার উদ্দেশে সিলেট ত্যাগ করেন। প্রশাসন
সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১টার দিকে সরকারি বাসভবন থেকে বের হয়ে তিনি ওসমানী
আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেন। পরে দুপুর ২টার দিকে একটি ফ্লাইটে
ঢাকার পথে যাত্রা করেন।
এর আগে সোমবার
বিকেলে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। দায়িত্ব
হস্তান্তরের পর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বিদায়ী অনুষ্ঠানও অনুষ্ঠিত হয়।
সিলেটে দায়িত্ব
পালনকালে মো. সারওয়ার আলম বিভিন্ন প্রশাসনিক উদ্যোগের কারণে আলোচনায় ছিলেন। বিশেষ
করে হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরাণ (রহ.) মাজারের ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা
নিশ্চিত করার উদ্যোগ, শাহজালাল (রহ.) মাজারের ডেগ সিলগালা এবং নতুন দানবাক্স
স্থাপনকে কেন্দ্র করে তিনি ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার মুখে পড়েন।
এদিকে, নতুন জেলা
প্রশাসক যোগদান না করা পর্যন্ত অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পিংকি সাহা ভারপ্রাপ্ত
জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
সারওয়ার আলমের বিদায়ের মধ্য দিয়ে সিলেট প্রশাসনের একটি আলোচিত অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল। তবে তার নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ ও সেগুলোকে ঘিরে জনমতের আলোচনা এখনও সিলেটজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে রয়েছে।

প্রধান সম্পাদক: চঞ্চল মাহমুদ ফুলর
সম্পাদক: এম এ ওমর
প্রকাশক: জি.সি দাস
আপনার মতামত লিখুন