০৮:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

হাসপাতা লে বাড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগী, কী পরাম র্শ চিকিৎসকদের

print news -

নিউজ ডেস্ক:  প্রকৃতিতে এখন শীতের আমেজ। শুষ্ক বাতাস। বাড়ছে দূষণ ও ধূলিকণা। আবহাওয়ার এ পরিবর্তনে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে বৃদ্ধি পাচ্ছে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা, যার বেশিরভাগই নবজাতক ও শিশু। সতর্কতা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

দুই মাস বয়সি শিশু হামিজা। জন্মের পর থেকেই ভুগছে ঠান্ডাজনিত রোগে। দিনের পর দিন কাটছে হাসপাতালের বেডে। বাসায় ফিরে সপ্তাহ ব্যবধানে নিউমোনিয়ায় আবারও ভর্তি হতে হয়েছে হাসপাতালে।

শিশুটির মা বলেন, ঠান্ডার সমস্যা থাকায় হাসপাতালে নিয়ে এসেছি। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অবস্থা অনেক খারাপ। তার নিউমোনিয়া হয়েছে।

আবহাওয়া পরিবর্তনের এই সময় ঠান্ডা ও অ্যালার্জিজনিত রোগে প্রাপ্তবয়স্কদের চেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকায় তাপমাত্রার পরিবর্তনের সঙ্গে মানাতে কষ্ট হচ্ছে শিশুদের। এরই মধ্যে দেখা দিয়েছে জ্বর, ঠান্ডা ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা।
 
রাজধানীর মুগদা হাসপাতালের শিশু ও নিউমোনিয়া ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, কোনো বেড ফাঁকা নেই। প্রতিদিন গড়ে কয়েকশ’ রোগী হাসপাতালের বহির্বিভাগে আসছে, যা গত দুই সপ্তাহ আগেও ছিল অর্ধেক। শিশুদের পাশপাশি আত্রান্ত হচ্ছেন বড়রাও। তবে বাড়তি সতর্কতা ও সচেতনতায় এসব মৌসুমজনিত রোগ-বালাই প্রতিরোধ সম্ভব বলে মনে করেন চিকিৎসকরা।
শীতকালে সর্দি-কাশি, নিউমোনিয়া, ব্রংকিওলাইটিস, হাঁপানি, ডায়রিয়া, সাইনোসাইটিসহ দেখা দেয় বিভিন্ন ধরনের রোগব্যাধি। সহজেই আক্রান্ত হয় শিশু ও বয়স্করা। তাই শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে খেতে হবে জিংক ও ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ রসালো ফলমূল, বলছেন চিকিৎসকরা।
বিশ্বে প্রতি ১৩ সেকেন্ডে একজন নিউমোনিয়ায় মারা যায় এবং প্রতি ৪৩ সেকেন্ডে ১টি শিশু। তাই শ্বাসনালির সংক্রমণ, রোগজীবাণু ও ধূলাবালি এড়াতে অযথা বাড়ির বাইরে যাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে পাশাপাশি প্রতিদিন অন্তত আধাঘণ্টা কায়িক শ্রম দিতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া খাওয়া যাবে না অ্যান্টিবায়োটিক।
ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের ৩৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

হাসপাতা লে বাড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগী, কী পরাম র্শ চিকিৎসকদের

প্রকাশিত হয়েছেঃ ০৫:১৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৩
print news -

নিউজ ডেস্ক:  প্রকৃতিতে এখন শীতের আমেজ। শুষ্ক বাতাস। বাড়ছে দূষণ ও ধূলিকণা। আবহাওয়ার এ পরিবর্তনে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে বৃদ্ধি পাচ্ছে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা, যার বেশিরভাগই নবজাতক ও শিশু। সতর্কতা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

দুই মাস বয়সি শিশু হামিজা। জন্মের পর থেকেই ভুগছে ঠান্ডাজনিত রোগে। দিনের পর দিন কাটছে হাসপাতালের বেডে। বাসায় ফিরে সপ্তাহ ব্যবধানে নিউমোনিয়ায় আবারও ভর্তি হতে হয়েছে হাসপাতালে।

শিশুটির মা বলেন, ঠান্ডার সমস্যা থাকায় হাসপাতালে নিয়ে এসেছি। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অবস্থা অনেক খারাপ। তার নিউমোনিয়া হয়েছে।

আবহাওয়া পরিবর্তনের এই সময় ঠান্ডা ও অ্যালার্জিজনিত রোগে প্রাপ্তবয়স্কদের চেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকায় তাপমাত্রার পরিবর্তনের সঙ্গে মানাতে কষ্ট হচ্ছে শিশুদের। এরই মধ্যে দেখা দিয়েছে জ্বর, ঠান্ডা ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা।
 
রাজধানীর মুগদা হাসপাতালের শিশু ও নিউমোনিয়া ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, কোনো বেড ফাঁকা নেই। প্রতিদিন গড়ে কয়েকশ’ রোগী হাসপাতালের বহির্বিভাগে আসছে, যা গত দুই সপ্তাহ আগেও ছিল অর্ধেক। শিশুদের পাশপাশি আত্রান্ত হচ্ছেন বড়রাও। তবে বাড়তি সতর্কতা ও সচেতনতায় এসব মৌসুমজনিত রোগ-বালাই প্রতিরোধ সম্ভব বলে মনে করেন চিকিৎসকরা।
শীতকালে সর্দি-কাশি, নিউমোনিয়া, ব্রংকিওলাইটিস, হাঁপানি, ডায়রিয়া, সাইনোসাইটিসহ দেখা দেয় বিভিন্ন ধরনের রোগব্যাধি। সহজেই আক্রান্ত হয় শিশু ও বয়স্করা। তাই শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে খেতে হবে জিংক ও ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ রসালো ফলমূল, বলছেন চিকিৎসকরা।
বিশ্বে প্রতি ১৩ সেকেন্ডে একজন নিউমোনিয়ায় মারা যায় এবং প্রতি ৪৩ সেকেন্ডে ১টি শিশু। তাই শ্বাসনালির সংক্রমণ, রোগজীবাণু ও ধূলাবালি এড়াতে অযথা বাড়ির বাইরে যাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে পাশাপাশি প্রতিদিন অন্তত আধাঘণ্টা কায়িক শ্রম দিতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া খাওয়া যাবে না অ্যান্টিবায়োটিক।