০৯:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিয়ানীবাজারে বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য ২৪টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত

print news -

বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ দেশ। অধিক জনসংখ্যার ঘনত্ব, ভৌগোলিক অবস্থান, গ্রীস্মমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড় বেসিনে অবস্থান এবং সক্রিয় বর্ষাকালে অতি বৃষ্টি দুর্যোগপ্রবণতার মূল কারণ। বাংলাদেশে নিয়মিতভাবে গ্রীস্মমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, ভূমিকম্প ও বড় মাত্রার ঘূর্ণিঝড় নিয়মিতভাবে দেখা দেয়। প্রতি বছর বাংলাদেশের প্রায় ২৬ হাজার বর্গ কিলোমিটার অর্থাৎ ১৮ শতাংশ ভূখণ্ড বন্যা কবলিত হয়। ব্যাপকভাবে বন্যা হলে দেশের ৫৫ শতাংশের অধিক ভূখণ্ড বন্যার প্রকোপে পড়ে। প্রতি বছর গড়ে বাংলাদেশে তিনটি প্রধান নদীপথে মে থেকে অক্টোবর পর্যন্ত আদ্র মৌসুমে ৮৪৪ মিলিয়ন কিউবিক মিটার পানি প্রবাহিত হয়। বৃষ্টির কারণে দেশের অভ্যন্তরে ১৮৭ মিলিয়ন কিউবিক মিটার নদী প্রবাহ সৃষ্টি হয়। বর্ষাকালে নদী, খাল, বিল, হাওর ও নিচু এলাকা ছাড়িয়ে সমস্ত জনপদ পানিতে ভেসে যায় এবং ফসল, ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, সহায়-সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করে।
সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনা শাখা কর্তৃক উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ১০টি ইউনিয়নের ২৪টি প্রতিষ্ঠানে বন্য আশ্রয় কেন্দ্র স্থাপনের নির্দেশনা দিয়েছেন বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশিক নুর।সম্প্রতি অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলের কারনে সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। জরুরী সেবার আওতায় নিন্ম উল্লেখিত অস্থায়ী বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রগুলো প্রস্তুর রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।সে সকল প্রতিষ্ঠানগুলো হলো: আলী নগর ইউনিয়নের উত্তরভাগ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, সুরমা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, রামধা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। চারখাই ইউনিয়নের পইলগ্রাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাজী আব্দুল ওয়াজিদ চৌ:সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, পাতন ১ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। দুবাগ ইউনিয়নের সিলেটি পাড়া ২ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, খাড়াভড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। শেওলা ইউনিয়নের দিঘলবাক সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, কোনাশালেশ্বর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। কুড়ারবাজার ইউনিয়নের খশির সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, গড়রবন্দ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। মাথিউরা ইউনিয়নের দুধবকশী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম মাথিউরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। তিলপাড়া ইউনিয়নের তিলপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, দাসউরা বালিকা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়।মোল্লাপুর ইউনিয়নের মাটিকাটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, মোল্লাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়।মুড়িয়া ইউনিয়নের ঘুঙ্গাদিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বড়উধা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। লাউতা ইউনিয়নের কালাইউরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, টিকরপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। পৌরসভার নয়াগ্রাম-২ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, শ্রীধরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

বন্যা পরিস্থিতির অবনতি সিলেট, সুনামগঞ্জ ও কুড়িগ্রাম

বিয়ানীবাজারে বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য ২৪টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত

প্রকাশিত হয়েছেঃ ০৯:৩৩:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মে ২০২২
print news -

বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ দেশ। অধিক জনসংখ্যার ঘনত্ব, ভৌগোলিক অবস্থান, গ্রীস্মমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড় বেসিনে অবস্থান এবং সক্রিয় বর্ষাকালে অতি বৃষ্টি দুর্যোগপ্রবণতার মূল কারণ। বাংলাদেশে নিয়মিতভাবে গ্রীস্মমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, ভূমিকম্প ও বড় মাত্রার ঘূর্ণিঝড় নিয়মিতভাবে দেখা দেয়। প্রতি বছর বাংলাদেশের প্রায় ২৬ হাজার বর্গ কিলোমিটার অর্থাৎ ১৮ শতাংশ ভূখণ্ড বন্যা কবলিত হয়। ব্যাপকভাবে বন্যা হলে দেশের ৫৫ শতাংশের অধিক ভূখণ্ড বন্যার প্রকোপে পড়ে। প্রতি বছর গড়ে বাংলাদেশে তিনটি প্রধান নদীপথে মে থেকে অক্টোবর পর্যন্ত আদ্র মৌসুমে ৮৪৪ মিলিয়ন কিউবিক মিটার পানি প্রবাহিত হয়। বৃষ্টির কারণে দেশের অভ্যন্তরে ১৮৭ মিলিয়ন কিউবিক মিটার নদী প্রবাহ সৃষ্টি হয়। বর্ষাকালে নদী, খাল, বিল, হাওর ও নিচু এলাকা ছাড়িয়ে সমস্ত জনপদ পানিতে ভেসে যায় এবং ফসল, ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, সহায়-সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করে।
সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনা শাখা কর্তৃক উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ১০টি ইউনিয়নের ২৪টি প্রতিষ্ঠানে বন্য আশ্রয় কেন্দ্র স্থাপনের নির্দেশনা দিয়েছেন বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশিক নুর।সম্প্রতি অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলের কারনে সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। জরুরী সেবার আওতায় নিন্ম উল্লেখিত অস্থায়ী বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রগুলো প্রস্তুর রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।সে সকল প্রতিষ্ঠানগুলো হলো: আলী নগর ইউনিয়নের উত্তরভাগ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, সুরমা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, রামধা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। চারখাই ইউনিয়নের পইলগ্রাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাজী আব্দুল ওয়াজিদ চৌ:সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, পাতন ১ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। দুবাগ ইউনিয়নের সিলেটি পাড়া ২ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, খাড়াভড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। শেওলা ইউনিয়নের দিঘলবাক সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, কোনাশালেশ্বর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। কুড়ারবাজার ইউনিয়নের খশির সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, গড়রবন্দ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। মাথিউরা ইউনিয়নের দুধবকশী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম মাথিউরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। তিলপাড়া ইউনিয়নের তিলপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, দাসউরা বালিকা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়।মোল্লাপুর ইউনিয়নের মাটিকাটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, মোল্লাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়।মুড়িয়া ইউনিয়নের ঘুঙ্গাদিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বড়উধা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। লাউতা ইউনিয়নের কালাইউরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, টিকরপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। পৌরসভার নয়াগ্রাম-২ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, শ্রীধরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়।