০৪:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বঙ্গবন্ধুর ডাকে মুক্তিযোদ্ধারা একটি ভূখন্ডের জন্য যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন: এম. কাজী এমদাদুল ইসলাম

print news -

সিলেটের জেলা প্রশাসক এম. কাজী এমদাদুল ইসলাম বলেছেন, জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের গর্ব, আমাদের অহংকার। ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণের পর সারাদেশে পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে বাংলার জনতা প্রতিরোধ গড়ে তুলে। কোন কিছু পাওয়ার আশায় নয়, দেশ মাতৃকার জন্য জীবন বাজি রেখে মুক্তিযোদ্ধারা সশস্ত্র সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বাধীনতা যুদ্ধের এই বীর সেনানীদের যথাযথ মূল্যায়নে নানাবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। তাঁরা আমাদের সম্মানের পাত্র, তাঁরা আমাদের অনুপ্রেরণা।
তিনি শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) নগরীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জেলা ও মহানগর শাখা আয়োজিত মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ৩ দিনের মুক্তিযুদ্ধ উৎসবের সমাপনী দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। অনুষ্ঠানে জকিগঞ্জের বীরঙ্গনা ইমু বেগমকে সম্মাননা দেওয়া হয়।
সিলেট জেলা ইউনিটের কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা সুব্রত চক্রবর্তী জুয়েল এর সভাপতিত্বে ও অংশুমান দত্ত অঞ্জুন এবং নন্দিতা দত্তের যৌথ পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ, ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আকরাম আলী,  বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ কাদির, বীর মুক্তিযোদ্ধা খলিল উদ্দিন, সাবেক এমপি মো. মকসুদ ইবনে আজিজ লামা, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালিক, সহকারী কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম, সুবেদার মেজর বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিক উদ্দিন আহমদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আকমল আলী, সিলেট মহানগর ইউনিট কমান্ডের ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মনাফ খান,  জেলা যুবলীগের সভাপতি শামীম আহমদ, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক ধীরেন সিং, সমাজ কার্যালয় সিলেটের উ-পরিচালক নিবাস রঞ্জন দাস।
উপস্থিত ছিলেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের আহŸায়ক মনোজ কপালী মিন্টু, মো. সাইফুল ইসলাম, মো. নাসিম খান, মো. শাহিদ, আব্দুল কাদির, ফয়সাল আহমদ, অমিতাব আচার্য্য, মো. ফারুক হোসেন, মো. রোমান, শারমিন সুলতানা, মো. মোমিন, মো. সুমন, ডিপজল পাত্র। অনুষ্ঠান শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিজ্ঞপ্তি

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

আনোয়ারুল আজীমকে খুন করতে ৫ কোটি টাকার চুক্তি

বঙ্গবন্ধুর ডাকে মুক্তিযোদ্ধারা একটি ভূখন্ডের জন্য যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন: এম. কাজী এমদাদুল ইসলাম

প্রকাশিত হয়েছেঃ ১১:২৪:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২১
print news -

সিলেটের জেলা প্রশাসক এম. কাজী এমদাদুল ইসলাম বলেছেন, জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের গর্ব, আমাদের অহংকার। ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণের পর সারাদেশে পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে বাংলার জনতা প্রতিরোধ গড়ে তুলে। কোন কিছু পাওয়ার আশায় নয়, দেশ মাতৃকার জন্য জীবন বাজি রেখে মুক্তিযোদ্ধারা সশস্ত্র সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বাধীনতা যুদ্ধের এই বীর সেনানীদের যথাযথ মূল্যায়নে নানাবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। তাঁরা আমাদের সম্মানের পাত্র, তাঁরা আমাদের অনুপ্রেরণা।
তিনি শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) নগরীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জেলা ও মহানগর শাখা আয়োজিত মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ৩ দিনের মুক্তিযুদ্ধ উৎসবের সমাপনী দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। অনুষ্ঠানে জকিগঞ্জের বীরঙ্গনা ইমু বেগমকে সম্মাননা দেওয়া হয়।
সিলেট জেলা ইউনিটের কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা সুব্রত চক্রবর্তী জুয়েল এর সভাপতিত্বে ও অংশুমান দত্ত অঞ্জুন এবং নন্দিতা দত্তের যৌথ পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ, ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আকরাম আলী,  বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ কাদির, বীর মুক্তিযোদ্ধা খলিল উদ্দিন, সাবেক এমপি মো. মকসুদ ইবনে আজিজ লামা, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালিক, সহকারী কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম, সুবেদার মেজর বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিক উদ্দিন আহমদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আকমল আলী, সিলেট মহানগর ইউনিট কমান্ডের ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মনাফ খান,  জেলা যুবলীগের সভাপতি শামীম আহমদ, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক ধীরেন সিং, সমাজ কার্যালয় সিলেটের উ-পরিচালক নিবাস রঞ্জন দাস।
উপস্থিত ছিলেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের আহŸায়ক মনোজ কপালী মিন্টু, মো. সাইফুল ইসলাম, মো. নাসিম খান, মো. শাহিদ, আব্দুল কাদির, ফয়সাল আহমদ, অমিতাব আচার্য্য, মো. ফারুক হোসেন, মো. রোমান, শারমিন সুলতানা, মো. মোমিন, মো. সুমন, ডিপজল পাত্র। অনুষ্ঠান শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিজ্ঞপ্তি