০৯:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রচারণা শেষে বাড়ী ফেরার পথে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক নারী সদস্য প্রার্থী

গণধর্ষণের শিকার

print news -

রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রচারণা চালানোর সময় গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক নারী সদস্য প্রার্থী। এ ঘটনায় থানায় মামলা করেছেন ওই নারী প্রার্থী। মামলার পর পাঁচ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত পাঁচ আসামি হলো, বাগমারার মাহাবুর রহমান (২৮), আকবর হোসেন (৩৫), সোহেল রানা (২৪)।

দুলাল হোসেন (২৫) ও ফজলুর রহমান (৪৮)। তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। হাসপাতাল থেকে ফিরে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন ওই প্রার্থী। এদিকে মামলার এজাহারে ওই নারী প্রার্থী অভিযোগ করেন, আসন্ন জেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রচারণা চালাতে গিয়ে প্রার্থী বাগমারা উপজেলায় যান তিনি। প্রচারণা শেষ হতে রাত হয়ে যায়। বাড়ি ফেরার পথে পাঁচ ব্যক্তি তাঁর গতি রোধ করেন। এ সময় তাঁরা তাঁকে তুলে নিয়ে অস্ত্রের মুখে দলবদ্ধ ধর্ষণ করেন। এতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।

এরপর তিনি চিকিৎসা নেন। চিকিৎসা শেষে গত বৃহস্পতিবার থানায় তিনজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও দুজনকে আসামি করে মামলা করেন। এরপর পুলিশ তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় আসামিদের গ্রেপ্তারে তৎপরতা শুরু করে। পরদিন রাতে পাঁচ আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

বন্যা পরিস্থিতির অবনতি সিলেট, সুনামগঞ্জ ও কুড়িগ্রাম

জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রচারণা শেষে বাড়ী ফেরার পথে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক নারী সদস্য প্রার্থী

প্রকাশিত হয়েছেঃ ০৪:১৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২২
print news -

রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রচারণা চালানোর সময় গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক নারী সদস্য প্রার্থী। এ ঘটনায় থানায় মামলা করেছেন ওই নারী প্রার্থী। মামলার পর পাঁচ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত পাঁচ আসামি হলো, বাগমারার মাহাবুর রহমান (২৮), আকবর হোসেন (৩৫), সোহেল রানা (২৪)।

দুলাল হোসেন (২৫) ও ফজলুর রহমান (৪৮)। তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। হাসপাতাল থেকে ফিরে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন ওই প্রার্থী। এদিকে মামলার এজাহারে ওই নারী প্রার্থী অভিযোগ করেন, আসন্ন জেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রচারণা চালাতে গিয়ে প্রার্থী বাগমারা উপজেলায় যান তিনি। প্রচারণা শেষ হতে রাত হয়ে যায়। বাড়ি ফেরার পথে পাঁচ ব্যক্তি তাঁর গতি রোধ করেন। এ সময় তাঁরা তাঁকে তুলে নিয়ে অস্ত্রের মুখে দলবদ্ধ ধর্ষণ করেন। এতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।

এরপর তিনি চিকিৎসা নেন। চিকিৎসা শেষে গত বৃহস্পতিবার থানায় তিনজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও দুজনকে আসামি করে মামলা করেন। এরপর পুলিশ তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় আসামিদের গ্রেপ্তারে তৎপরতা শুরু করে। পরদিন রাতে পাঁচ আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।