০৫:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুলাই ২০২৪, ৭ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

যেসব দেশে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘বেরিল’

print news -

১৭৯ কিলোমিটার বেগে যে সকল দেশে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় বেরিলিন।। ক্যারিবীয় অঞ্চলের দিকে ধেয়ে আসছে পূর্ব আটলান্টিক মহাসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় বেরিল। এটি বড় হারিকেনে রূপ নিতে পারে এবং এর গতিবেগ ঘণ্টায় ১৭৯ কিলোমিটার হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সোমবার (১ জুলাই) ইউএস ন্যাশনাল হারিকেন সেন্টারের (এনএইচসি) বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে আল-জাজিরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্যারিবীয় অঞ্চলসহ ঘূর্ণিঝড় বেরিল বার্বাডোস, সেন্ট লুসিয়া, সেন্ট ভিনসেন্ট এবং গ্রেনাডাইনস এবং গ্রেনাডা, মার্টিনিক, টোবাগো এবং ডোমিনিকাতে আঘাত হানতে পারে। এরই মধ্যে এসব অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়ের সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

এনএইচসির বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় বেরিল বার্বাডোস থেকে প্রায় ৬৭৫ কিলোমিটার পূর্বে আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থান করছে। সোমবার ঘূর্ণিঝড়টি উইন্ডওয়ার্ড দ্বীপপুঞ্জে আঘাত হানার সময় এটি বিপজ্জনক ঝড়ে পরিণত হতে পারে।

ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে হারিকেন মৌসুম সাধারণত ১ জুন শুরু হয়ে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত চলে। আটলান্টিক মহাসাগর অঞ্চলে হারিকেন মৌসুমের শুরুতে এটি দ্বিতীয় শক্তিশালী ঝড় হতে যাচ্ছে। এর আগে প্রথম গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় আলবার্টোর আঘাতে চারজনের মৃত্যু হয়।

এদিকে ভয়াবহ ঝড় আঘাত হানার আশঙ্কায় বার্বাডোজের রাজধানী ব্রিজটাউনের গ্যাস স্টেশনগুলোয় সারিবদ্ধভাবে গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। এ ছাড়া সুপার মার্কেট এবং মুদিদোকানে খাবার, পানি ও অন্যান্য সামগ্রী কেনার জন্য মানুষের ভিড় দেখা গেছে।

ট্যাগঃ

কোটা সংস্কার এর দাবিতে আন্দলনরত শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত প্রধানমন্ত্রী: পলক

যেসব দেশে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘বেরিল’

প্রকাশিত হয়েছেঃ ০৩:৫৪:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুলাই ২০২৪
print news -

১৭৯ কিলোমিটার বেগে যে সকল দেশে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় বেরিলিন।। ক্যারিবীয় অঞ্চলের দিকে ধেয়ে আসছে পূর্ব আটলান্টিক মহাসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় বেরিল। এটি বড় হারিকেনে রূপ নিতে পারে এবং এর গতিবেগ ঘণ্টায় ১৭৯ কিলোমিটার হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সোমবার (১ জুলাই) ইউএস ন্যাশনাল হারিকেন সেন্টারের (এনএইচসি) বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে আল-জাজিরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্যারিবীয় অঞ্চলসহ ঘূর্ণিঝড় বেরিল বার্বাডোস, সেন্ট লুসিয়া, সেন্ট ভিনসেন্ট এবং গ্রেনাডাইনস এবং গ্রেনাডা, মার্টিনিক, টোবাগো এবং ডোমিনিকাতে আঘাত হানতে পারে। এরই মধ্যে এসব অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়ের সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

এনএইচসির বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় বেরিল বার্বাডোস থেকে প্রায় ৬৭৫ কিলোমিটার পূর্বে আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থান করছে। সোমবার ঘূর্ণিঝড়টি উইন্ডওয়ার্ড দ্বীপপুঞ্জে আঘাত হানার সময় এটি বিপজ্জনক ঝড়ে পরিণত হতে পারে।

ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে হারিকেন মৌসুম সাধারণত ১ জুন শুরু হয়ে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত চলে। আটলান্টিক মহাসাগর অঞ্চলে হারিকেন মৌসুমের শুরুতে এটি দ্বিতীয় শক্তিশালী ঝড় হতে যাচ্ছে। এর আগে প্রথম গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় আলবার্টোর আঘাতে চারজনের মৃত্যু হয়।

এদিকে ভয়াবহ ঝড় আঘাত হানার আশঙ্কায় বার্বাডোজের রাজধানী ব্রিজটাউনের গ্যাস স্টেশনগুলোয় সারিবদ্ধভাবে গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। এ ছাড়া সুপার মার্কেট এবং মুদিদোকানে খাবার, পানি ও অন্যান্য সামগ্রী কেনার জন্য মানুষের ভিড় দেখা গেছে।