০৫:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুলাই ২০২৪, ৭ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক অধিকার সংগঠনের আহবায়ক কমিটি গঠন

বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক অধিকার সংগঠনের আহবায়ক কমিটি গঠন

print news -

বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক অধিকার সংগঠনের ৩২ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। সোমবার(১৫ জানুয়ারী) সংগঠনের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক অধিকার সংগঠনের উদ্দ্যোক্তা ডা. আরমান হোসাইন ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দের সর্বসম্মতি ক্রমে নিন্ম লিখিত আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

আহবায়ক- ডা. মো:আম্মার আব্দুল্লাহ, যুগ্ম আহবায়ক-ডা. আরমান হোসাইন, যুগ্ম আহবায়ক- ডা. শ্যামল কিশোর বর্মন, যুগ্ম আহবায়ক- ডা. আনছার আলী, যুগ্ম আহবায়ক- ডা. তাহমিনা আক্তার জয়া, যুগ্ম আহবায়ক- ডা. অপূর্ব রায়, যুগ্ম আহবায়ক- ডা. মো: জয়নাল হোসেন ভূইয়া(গালিব), যুগ্ম আহবায়ক- ডা. সুজন ভদ্র, যুগ্ম আহবায়ক- ডা. মো: কামাল হোসাইন, যুগ্ম আহবায়ক- ডা. ওবাইদুল ইসলাম, যুগ্ম আহবায়ক- ডা. মারুফা জান্নাত রুমি, সদস্য সচিব- ডা: শফিউর রহমান, সম্মানিত সদস্য:ডা. বি.এম. শামীম, ডা. কে.এম খলিলুর রহমান, ডা. মইদুল, ডা. মোহাম্মদ জামসেদুল আলম, ডা.প্রীতি পারভীন,ডা. হামিদুল ইসলাম, ডা.করুনা ইয়াছমিন,ডা. শারমিন আক্তার টুম্পা, ডা. সাহাব উদ্দিন, ডা. আব্দুল ওয়াদুদ, ডা. আকতারুল ইসলাম, ডা.এম.জি মোস্তফা, ডা.আব্দুল্লাহ আল মামুন, ডা.গোপাল চন্দ্র দাস, ডা.মতিউর রহমান পায়েল, ডা. মো: ইয়াদ মমিন, ডা.আমজাদ হোসাইন, ডা. মুন্নি আক্তার, ডা. মো: হামিদুল ইসলাম রুবেল, ডা. লক্ষন চন্দ্র দাস।

জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা আইন পাস

বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে এর জনপ্রিয়তা অনেক। ফলে দেশটির অনেক শিক্ষার্থীই এখন পেশা হিসেবে হোমিওপ্যাথিকে বেছে নিচ্ছেন।

বর্তমানে প্রায় সকল রোগের চিকিৎসাই দেওয়া সম্ভব হচ্ছে হোমিওপ্যাথিক পদ্ধতিতে এবং দেশটির প্রায় চল্লিশ ভাগ মানুষ এই চিকিৎসা গ্রহণ করছেন বলে যানা যাচ্ছে। কিন্তু হোমিওপ্যাথির এমন কি বিশেষত্ব আছে, যার কারণে এই চিকিৎসা পদ্ধতির দিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশের জনগণ?

বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক অধিকার সংগঠনের উদ্দ্যোক্তা ডা. আরমান হোসাইন বলেন,নতুন আবিষ্কৃত রোগগুলোর কথা বাদ দিলে, পুরনো অনেক রোগই প্রায় পুরোপুরি নির্মূল সম্ভব হোমিওপ্যাথির মাধ্যমে। এর বিশেষত্ব এখানেই ।

বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক অধিকার সংগঠন যে সকল বিষয় নিয়ে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন নিম্নে ধারাবাহিকভাবে উপস্থাপন করা হলো:

১) প্রথমে একটা পূর্নাঙ্গ কেন্দ্রিয় কমিটি গঠন করা যারা শুধুমাত্র এই সংগঠনের স্বার্থে কাজ করবে এলাকা ভিত্তিক সংগঠনে যুক্ত থাকতে পারবে। কিন্তু জাতীয় পর্যায় একধিক সংগঠনে যুক্ত থাকতে পারবেন না। এবং এই সংগঠনে যুক্ত হওয়ার পর প্রথম তিন বছর  এই সংগঠনে সক্রিয় ভাবে যুক্ত থাকতে হবে।

২) এই সংগঠনের একমাত্র লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য শক্তিশালী ন্যায় সঙ্গত গঠনতন্ত্র তৈরি করে হোমিওপ্যাথির দুর্দশা দুর করা এবং সেই লক্ষ্যে সকল চিকিৎসক কে একি ছাদের নীচে নিয়ে আসা। রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় মতাদর্শ যাই থাকুক শুধুমাত্র অর্গানন অব মেডিসিন এর উপর ভিত্তি করে এই সংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতারা হোমিওপ্যাথির উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করবে।

৩) বর্তমান ডিজিটাইলেশন এর যুগ এবং সকল হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসককে একই ছাদের নীচে নিয়ে আসার লক্ষ্যে কমিটি গঠনের পাশাপাশি একটি পূর্নাঙ্গ ওয়েব সাইট এবং মোবাইল অ্যাপস তৈরি করা হবে।

৪) ওয়েব সাইট এবং মোবাইল অ্যাপস এর ম্যাধ্যমে সকল হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসককে একটা নির্দিষ্ট প্লাটফর্মে আনা হবে যেন একটা শক্তিশালী নেটওয়ার্ক তৈরি হয়।

৫) এই প্লাটফর্মে অভিজ্ঞ এবং অর্গানন অব মেডিসিন অনুসরণ কারি চিকিৎসকদের মাধ্যমে সারা দেশে জটিল ও ক্রনিক এবং একিউট ডিজিজের রুগির কেইস টেকিং করে  ঔষধ সিলেকশন করে দ্রুত চিকিৎসা সেবা প্রদান করা যায়।

৬) যেহেতু এই সংগঠন একটি জ্ঞান ভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে সেহেতু এই সংগঠনের একটি অনলাইন লাইব্রেরী এবং অফলাইনে জেলাভিত্তিক তথ্য সমৃদ্ধ শক্তিশালী লাইব্রেরী থাকবে।

৮) হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ব্যবস্থাকে দৃঢ় অবস্থানে আনার লক্ষ্যে প্রথমে জেলা পর্যায়ে এবং পরবর্তীতে উপজেলা, ইউনিয়ন, থানা পর্যায়ে হোমিওপ্যাথিক হাসপাতাল খোলা হবে। ফলে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা  হবে এবং বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার আওতায় আনা যাবে।

৯) প্রত্যেক সাংগঠকের একমাত্র লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য হবে এই সংগঠনের মাধ্যমে হোমিওপ্যাথির বিভিন্ন সমস্যা খুঁজে বের করা এবং হোমিওপ্যাথিক কাউন্সিল এর সহযোগীতার মাধ্যমে সর্ষের মধ্যে ভুত দুর করা।

১০) এই সাংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটিতে তাদেরকে রাখা হবে যারা সক্রিয় ভাবে কাজ করে সংগঠনকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে। এবং শপথ বাক্য পাঠ করানো হবে (যেটি গঠনতন্ত্রের একটি প্রধান ধারা হবে)। শপথ বাক্য অনুযায়ী যারা কাজ করবে না তাদের পদ থেকে তৎক্ষণাৎ ইস্থফা দিয়ে সাধারণ সদস্য করা হবে এবং অধিক কার্যকরী সদস্যকে উক্ত পদে আসীন করা হবে। এই সংগঠনে তাকেই মুল্যায়ন করা যারা কাজে কর্মে সক্রিয় থাকবে।

কোটা সংস্কার এর দাবিতে আন্দলনরত শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত প্রধানমন্ত্রী: পলক

বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক অধিকার সংগঠনের আহবায়ক কমিটি গঠন

প্রকাশিত হয়েছেঃ ০৬:১৯:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৪
print news -

বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক অধিকার সংগঠনের ৩২ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। সোমবার(১৫ জানুয়ারী) সংগঠনের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক অধিকার সংগঠনের উদ্দ্যোক্তা ডা. আরমান হোসাইন ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দের সর্বসম্মতি ক্রমে নিন্ম লিখিত আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

আহবায়ক- ডা. মো:আম্মার আব্দুল্লাহ, যুগ্ম আহবায়ক-ডা. আরমান হোসাইন, যুগ্ম আহবায়ক- ডা. শ্যামল কিশোর বর্মন, যুগ্ম আহবায়ক- ডা. আনছার আলী, যুগ্ম আহবায়ক- ডা. তাহমিনা আক্তার জয়া, যুগ্ম আহবায়ক- ডা. অপূর্ব রায়, যুগ্ম আহবায়ক- ডা. মো: জয়নাল হোসেন ভূইয়া(গালিব), যুগ্ম আহবায়ক- ডা. সুজন ভদ্র, যুগ্ম আহবায়ক- ডা. মো: কামাল হোসাইন, যুগ্ম আহবায়ক- ডা. ওবাইদুল ইসলাম, যুগ্ম আহবায়ক- ডা. মারুফা জান্নাত রুমি, সদস্য সচিব- ডা: শফিউর রহমান, সম্মানিত সদস্য:ডা. বি.এম. শামীম, ডা. কে.এম খলিলুর রহমান, ডা. মইদুল, ডা. মোহাম্মদ জামসেদুল আলম, ডা.প্রীতি পারভীন,ডা. হামিদুল ইসলাম, ডা.করুনা ইয়াছমিন,ডা. শারমিন আক্তার টুম্পা, ডা. সাহাব উদ্দিন, ডা. আব্দুল ওয়াদুদ, ডা. আকতারুল ইসলাম, ডা.এম.জি মোস্তফা, ডা.আব্দুল্লাহ আল মামুন, ডা.গোপাল চন্দ্র দাস, ডা.মতিউর রহমান পায়েল, ডা. মো: ইয়াদ মমিন, ডা.আমজাদ হোসাইন, ডা. মুন্নি আক্তার, ডা. মো: হামিদুল ইসলাম রুবেল, ডা. লক্ষন চন্দ্র দাস।

জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা আইন পাস

বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে এর জনপ্রিয়তা অনেক। ফলে দেশটির অনেক শিক্ষার্থীই এখন পেশা হিসেবে হোমিওপ্যাথিকে বেছে নিচ্ছেন।

বর্তমানে প্রায় সকল রোগের চিকিৎসাই দেওয়া সম্ভব হচ্ছে হোমিওপ্যাথিক পদ্ধতিতে এবং দেশটির প্রায় চল্লিশ ভাগ মানুষ এই চিকিৎসা গ্রহণ করছেন বলে যানা যাচ্ছে। কিন্তু হোমিওপ্যাথির এমন কি বিশেষত্ব আছে, যার কারণে এই চিকিৎসা পদ্ধতির দিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশের জনগণ?

বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক অধিকার সংগঠনের উদ্দ্যোক্তা ডা. আরমান হোসাইন বলেন,নতুন আবিষ্কৃত রোগগুলোর কথা বাদ দিলে, পুরনো অনেক রোগই প্রায় পুরোপুরি নির্মূল সম্ভব হোমিওপ্যাথির মাধ্যমে। এর বিশেষত্ব এখানেই ।

বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক অধিকার সংগঠন যে সকল বিষয় নিয়ে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন নিম্নে ধারাবাহিকভাবে উপস্থাপন করা হলো:

১) প্রথমে একটা পূর্নাঙ্গ কেন্দ্রিয় কমিটি গঠন করা যারা শুধুমাত্র এই সংগঠনের স্বার্থে কাজ করবে এলাকা ভিত্তিক সংগঠনে যুক্ত থাকতে পারবে। কিন্তু জাতীয় পর্যায় একধিক সংগঠনে যুক্ত থাকতে পারবেন না। এবং এই সংগঠনে যুক্ত হওয়ার পর প্রথম তিন বছর  এই সংগঠনে সক্রিয় ভাবে যুক্ত থাকতে হবে।

২) এই সংগঠনের একমাত্র লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য শক্তিশালী ন্যায় সঙ্গত গঠনতন্ত্র তৈরি করে হোমিওপ্যাথির দুর্দশা দুর করা এবং সেই লক্ষ্যে সকল চিকিৎসক কে একি ছাদের নীচে নিয়ে আসা। রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় মতাদর্শ যাই থাকুক শুধুমাত্র অর্গানন অব মেডিসিন এর উপর ভিত্তি করে এই সংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতারা হোমিওপ্যাথির উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করবে।

৩) বর্তমান ডিজিটাইলেশন এর যুগ এবং সকল হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসককে একই ছাদের নীচে নিয়ে আসার লক্ষ্যে কমিটি গঠনের পাশাপাশি একটি পূর্নাঙ্গ ওয়েব সাইট এবং মোবাইল অ্যাপস তৈরি করা হবে।

৪) ওয়েব সাইট এবং মোবাইল অ্যাপস এর ম্যাধ্যমে সকল হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসককে একটা নির্দিষ্ট প্লাটফর্মে আনা হবে যেন একটা শক্তিশালী নেটওয়ার্ক তৈরি হয়।

৫) এই প্লাটফর্মে অভিজ্ঞ এবং অর্গানন অব মেডিসিন অনুসরণ কারি চিকিৎসকদের মাধ্যমে সারা দেশে জটিল ও ক্রনিক এবং একিউট ডিজিজের রুগির কেইস টেকিং করে  ঔষধ সিলেকশন করে দ্রুত চিকিৎসা সেবা প্রদান করা যায়।

৬) যেহেতু এই সংগঠন একটি জ্ঞান ভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে সেহেতু এই সংগঠনের একটি অনলাইন লাইব্রেরী এবং অফলাইনে জেলাভিত্তিক তথ্য সমৃদ্ধ শক্তিশালী লাইব্রেরী থাকবে।

৮) হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ব্যবস্থাকে দৃঢ় অবস্থানে আনার লক্ষ্যে প্রথমে জেলা পর্যায়ে এবং পরবর্তীতে উপজেলা, ইউনিয়ন, থানা পর্যায়ে হোমিওপ্যাথিক হাসপাতাল খোলা হবে। ফলে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা  হবে এবং বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার আওতায় আনা যাবে।

৯) প্রত্যেক সাংগঠকের একমাত্র লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য হবে এই সংগঠনের মাধ্যমে হোমিওপ্যাথির বিভিন্ন সমস্যা খুঁজে বের করা এবং হোমিওপ্যাথিক কাউন্সিল এর সহযোগীতার মাধ্যমে সর্ষের মধ্যে ভুত দুর করা।

১০) এই সাংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটিতে তাদেরকে রাখা হবে যারা সক্রিয় ভাবে কাজ করে সংগঠনকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে। এবং শপথ বাক্য পাঠ করানো হবে (যেটি গঠনতন্ত্রের একটি প্রধান ধারা হবে)। শপথ বাক্য অনুযায়ী যারা কাজ করবে না তাদের পদ থেকে তৎক্ষণাৎ ইস্থফা দিয়ে সাধারণ সদস্য করা হবে এবং অধিক কার্যকরী সদস্যকে উক্ত পদে আসীন করা হবে। এই সংগঠনে তাকেই মুল্যায়ন করা যারা কাজে কর্মে সক্রিয় থাকবে।