০৫:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুলাই ২০২৪, ৭ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাজী শামীম

print news -

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে বিয়ানীবাজার উপজেলাসহ দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকলকে ঈদ মোবারক ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাজী শামীম।

শুভেচ্ছা বার্তায় বলেন, প্রতি বছরের ন্যায় মুসলমান দের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ও খুশির দিন ঈদুল আযহা আমাদের মাঝে ত্যাগ ও আনন্দের বার্তা নিয়ে এসেছে।ঈদ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে গড়ে তোলে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ঐক্যের বন্ধন।

এটি বাংলাদেশ এবং মুসলিম জাহানের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। পবিত্র ঈদুল আযহার মহিমান্বিত আহ্বানে শান্তি সুধায় ভরে উঠুক বিশ্ব সমাজ। আর মানবতাবাধের বহ্নিশিখা জেগে উঠুক প্রতিটি মানব হৃদয়।  আসুন, সমাজের ধনী-গরিব, ধর্ম-বর্ণ-গোত্র, জাতি-গোষ্ঠী সম্প্রদায় নির্বিশেষে সবাই পারস্পরিক সহযোগিতা ও সহমর্মিতার মধ্য দিয়ে ঈদুল ফিতরের খুশি ভাগাভাগি করে নিই।

তিনি আরও বলেন, লোভ-লালসা, হিংসা-বিদ্বেষসহ মনের পশুকে পরাজিত করার বাণী নিয়ে আসে ঈদুল আযহা। কুরবানী আমাদের মাঝে আত্মদান ও আত্মত্যাগের মানসিকতায় আমাদের হৃদয়কে প্রসারিত করে। সুখী-সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক ও উন্নত স্মার্ট বংলাদেশ বিনির্মাণে জননেত্রীর হাতকে শক্তিশালী করি। মনের গহীনে আলো জ্বালিয়ে অমানিশার আঁধার দূর করি। সহমর্মিতার সহজাত বাঙালি চেতনায় জাগিয়ে তুলি নিজেকে, সমাজকে, দেশকে। অপেক্ষা করি পরবর্তী সকালের বর্ণময় আরেকটি ঈদের।

চার হাজার বছর আগে আল্লাহর হুকুমে হযরত ইব্রাহীম (আঃ) তাঁর সবচেয়ে প্রিয় একমাত্র ছেলে হযরত ইসমাইল (আঃ) কে কুরবানি করার উদ্দ্যোগ নেন। তবে আল্লাহর কুদরতে হযরত ইসমাইল (আঃ) এর পরিবর্তে একটি দুম্বা কোরবানি হয়।

হযরত ইব্রাহীম (আঃ) এর এই ত্যাগের দৃষ্টান্ত স্মরণ করে বিশ্ব মুসলমানরা প্রতিবছর কুরবানি করে থাকে। তবে আল্লাহর পথে ত্যাগই ঈদুল আজহার প্রধান শিক্ষা। পশু জবেহ করে তা বিলিয়ে দেওয়া দান নয়,এইটা আমাদের ধর্মীয় কর্তব্য।

পবিত্র ঈদ-উল আযহাকে কেন্দ্র করে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ও যেকোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বিয়ানীবাজার উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশ সবসময় মাঠে রয়েছে। আপনারা সবাই সকল ধরনের অপরাধ মূলক কর্মকান্ড দমনে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে তথ্য দিয়ে সহযোগীতা করবেন বলে প্রত্যাশা রাখি।

এছাড়াও বন্যা কবলিত এলাকার মানুষকে সতর্কতা অবলম্বন সহ সবাইকে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় কুরবানির পশুর রক্ত ও বর্জ্য যথাযথভাবে পরিষ্কার করে নির্ধারিত স্থানে মাটি চাপা দেওয়ার আহবান জানান তিনি।

কোটা সংস্কার এর দাবিতে আন্দলনরত শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত প্রধানমন্ত্রী: পলক

পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাজী শামীম

প্রকাশিত হয়েছেঃ ০৮:৩৫:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪
print news -

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে বিয়ানীবাজার উপজেলাসহ দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকলকে ঈদ মোবারক ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাজী শামীম।

শুভেচ্ছা বার্তায় বলেন, প্রতি বছরের ন্যায় মুসলমান দের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ও খুশির দিন ঈদুল আযহা আমাদের মাঝে ত্যাগ ও আনন্দের বার্তা নিয়ে এসেছে।ঈদ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে গড়ে তোলে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ঐক্যের বন্ধন।

এটি বাংলাদেশ এবং মুসলিম জাহানের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। পবিত্র ঈদুল আযহার মহিমান্বিত আহ্বানে শান্তি সুধায় ভরে উঠুক বিশ্ব সমাজ। আর মানবতাবাধের বহ্নিশিখা জেগে উঠুক প্রতিটি মানব হৃদয়।  আসুন, সমাজের ধনী-গরিব, ধর্ম-বর্ণ-গোত্র, জাতি-গোষ্ঠী সম্প্রদায় নির্বিশেষে সবাই পারস্পরিক সহযোগিতা ও সহমর্মিতার মধ্য দিয়ে ঈদুল ফিতরের খুশি ভাগাভাগি করে নিই।

তিনি আরও বলেন, লোভ-লালসা, হিংসা-বিদ্বেষসহ মনের পশুকে পরাজিত করার বাণী নিয়ে আসে ঈদুল আযহা। কুরবানী আমাদের মাঝে আত্মদান ও আত্মত্যাগের মানসিকতায় আমাদের হৃদয়কে প্রসারিত করে। সুখী-সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক ও উন্নত স্মার্ট বংলাদেশ বিনির্মাণে জননেত্রীর হাতকে শক্তিশালী করি। মনের গহীনে আলো জ্বালিয়ে অমানিশার আঁধার দূর করি। সহমর্মিতার সহজাত বাঙালি চেতনায় জাগিয়ে তুলি নিজেকে, সমাজকে, দেশকে। অপেক্ষা করি পরবর্তী সকালের বর্ণময় আরেকটি ঈদের।

চার হাজার বছর আগে আল্লাহর হুকুমে হযরত ইব্রাহীম (আঃ) তাঁর সবচেয়ে প্রিয় একমাত্র ছেলে হযরত ইসমাইল (আঃ) কে কুরবানি করার উদ্দ্যোগ নেন। তবে আল্লাহর কুদরতে হযরত ইসমাইল (আঃ) এর পরিবর্তে একটি দুম্বা কোরবানি হয়।

হযরত ইব্রাহীম (আঃ) এর এই ত্যাগের দৃষ্টান্ত স্মরণ করে বিশ্ব মুসলমানরা প্রতিবছর কুরবানি করে থাকে। তবে আল্লাহর পথে ত্যাগই ঈদুল আজহার প্রধান শিক্ষা। পশু জবেহ করে তা বিলিয়ে দেওয়া দান নয়,এইটা আমাদের ধর্মীয় কর্তব্য।

পবিত্র ঈদ-উল আযহাকে কেন্দ্র করে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ও যেকোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বিয়ানীবাজার উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশ সবসময় মাঠে রয়েছে। আপনারা সবাই সকল ধরনের অপরাধ মূলক কর্মকান্ড দমনে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে তথ্য দিয়ে সহযোগীতা করবেন বলে প্রত্যাশা রাখি।

এছাড়াও বন্যা কবলিত এলাকার মানুষকে সতর্কতা অবলম্বন সহ সবাইকে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় কুরবানির পশুর রক্ত ও বর্জ্য যথাযথভাবে পরিষ্কার করে নির্ধারিত স্থানে মাটি চাপা দেওয়ার আহবান জানান তিনি।