উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
পঞ্চবাণী ডেস্কঃ ||
দেশের দু’টি নদীর পানি ৩ জেলার ৩টি স্টেশনে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে জেলা ৩টিতে বন্যারে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ২২ জুলাই বুধবার বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিউসি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। একইসঙ্গে আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে । বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে কুশিয়ারা নদীর সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে ও হবিগঞ্জের মারকুলিতে এবং সোমেশ্বরী নদী নেত্রকোনার কলমাকান্দা স্টেশনে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি বেড়েছে। আগামী একদিন পানি আরও বাড়তে পারে এবং পরবর্তী দু’দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় এ অববাহিকার কয়েকটি স্থানে নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। এতে সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে অথবা চলমান বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা অবনতি হতে পারে। রাজশাহী বিভাগের আত্রাই নদীর পানিও গত ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে। আগামী একদিন পানি আরও বাড়ার পর পরবর্তী দু’দিনে কমতে পারে। এ সময়ে নওগাঁ জেলার কিছু এলাকায় আত্রাই নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে স্বল্পমেয়াদি বন্যার সৃষ্টি করতে পারে। চট্টগ্রাম বিভাগের মুহুরী, ফেনী, সেলোনিয়া, হালদা, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে। তবে আগামী দু’দিনে এসব নদীর পানি দ্রুত বাড়তে পারে। এতে ২৩ জুলাইয়ের মধ্যে বান্দরবান, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার সাঙ্গু ও মাতামুহুরীসহ কয়েকটি নদী সতর্ক সীমায় পৌঁছাতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে। এদিকে তিস্তা ও দুধকুমার নদীর পানি কমলেও ধরলা নদীর পানি স্থিতিশীল রয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম জেলার কিছু স্থানে এসব নদীর পানি সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে এবং নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সোমেশ্বরী নদীর পানি কমতে শুরু করেছে এবং আগামী ৩ দিন এই প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। এর ফলে আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নেত্রকোণা জেলার চলমান বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। অন্যদিকে ব্রহ্মপুত্রের পানি স্থিতিশীল থাকলেও যমুনা এবং গঙ্গা-পদ্মার পানি বেড়েছে। আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টায় কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইল জেলার কিছু স্থানে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদী সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে।