উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
বিয়ানীবাজার প্রতিনিধি : ||
সিলেট রেঞ্জে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা, ওয়ারেন্ট তামিল, মামলা নিষ্পত্তি এবং সামগ্রিক পুলিশি কার্যক্রমে অসামান্য দক্ষতা ও সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ ওমর ফারুক প্রথম স্থান অর্জন করেছেন। বুধবার (১০ জুন) সিলেট রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় সিলেট রেঞ্জের চার জেলার মধ্যে বিভিন্ন সূচকে অসাধারণ কর্মদক্ষতা প্রদর্শনের জন্য তাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। সভায় তার হাতে সম্মাননা স্মারক ও প্রশংসাপত্র তুলে দেন সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি ড. মো. জিললুর রহমান। জানা যায়, বিয়ানীবাজার থানার নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ৮ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার, গুরুত্বপূর্ণ মামলা নিষ্পত্তি, ওয়ারেন্ট তামিল, মাদক ও চোরাচালানবিরোধী কার্যক্রম জোরদার, প্রসিকিউশন দাখিল এবং স্থানীয় বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখার কারণে তিনি এ স্বীকৃতি লাভ করেন। সভায় ডিআইজি ড. মো. জিললুর রহমানের সভাপতিত্বে সিলেট রেঞ্জ কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, চার জেলার পুলিশ সুপারগণ এবং মৌলভীবাজার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) নোবেল চাকমাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সম্মাননা প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় ওসি মোঃ ওমর ফারুক বলেন, “এই সম্মাননা শুধুমাত্র আমার ব্যক্তিগত অর্জন নয়; এটি বিয়ানীবাজার থানার প্রতিটি কর্মকর্তা ও সদস্যের নিষ্ঠা, আন্তরিকতা, সততা এবং পেশাদারিত্বের সম্মিলিত স্বীকৃতি। থানার সকল সদস্য দিন-রাত নিরলস পরিশ্রম করে জনগণের জানমাল রক্ষা, অপরাধ দমন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের অক্লান্ত প্রচেষ্টার ফলেই আজ আমরা এই সম্মান অর্জন করতে পেরেছি।” তিনি আরও বলেন, “পুরস্কার ও স্বীকৃতি একজন পুলিশ সদস্যের দায়িত্ববোধ এবং কর্মস্পৃহাকে আরও বাড়িয়ে দেয়। জনগণের আস্থা অর্জনই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। আমরা সবসময় চেষ্টা করছি জনবান্ধব, সেবামুখী ও আধুনিক পুলিশিং ব্যবস্থা গড়ে তুলতে। মাদক, চোরাচালান, সন্ত্রাস, কিশোর গ্যাংসহ সব ধরনের অপরাধ দমনে বিয়ানীবাজার থানা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে কাজ করছে এবং ভবিষ্যতেও করবে।” ওসি ওমর ফারুক বলেন, বিয়ানীবাজারের শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের স্বার্থে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, সুশীল সমাজ ও সাধারণ জনগণের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাদের সহযোগিতা ও তথ্য সহায়তা ছাড়া অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সফলতা অর্জন সম্ভব নয়। ভবিষ্যতেও জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ প্রতিরোধ এবং একটি নিরাপদ সমাজ গঠনে আমরা সর্বোচ্চ নিষ্ঠা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে যাব।” তিনি এই সম্মাননার জন্য সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি, ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বিয়ানীবাজারবাসীর দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।