উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
বিয়ানীবাজার (সিলেট) প্রতিনিধি: ||
সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলায় মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে ঘটে যাওয়া তিনটি রহস্যঘেরা মৃত্যুর ঘটনায় জনমনে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এক যুবকের হাত বাঁধা ঝুলন্ত মরদেহ, এক স্কুলছাত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যু এবং সর্বশেষ এক অটোরিকশা চালকের পা বাঁধা ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় নানা প্রশ্ন ও গুঞ্জনের জন্ম দিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, এগুলো সাধারণ কোনো ঘটনা নয়, বরং পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।পর পর ঘটে যাওয়া এসব ঘটনার প্রকৃত রহস্য এখনো উন্মোচিত না হওয়ায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বিচারের দাবিতে বিয়ানীবাজার থানা ঘেরাও/অবরোধ করেন। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা দ্রুত দুষ্কৃতকারীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে, বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ওমর ফারুক পঞ্চবাণীকে বলেন-"আমরা প্রতিটি ঘটনাকেই অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছি। পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে এবং আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা—তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। যতক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ ফরেনসিক বিশ্লেষণ, ডিজিটাল প্রমাণ, সাক্ষ্য এবং তদন্তের ফলাফল জনসমক্ষে স্পষ্টভাবে উপস্থাপিত না হচ্ছে। ততক্ষণ পর্যন্ত মৃত্যুর রহস্য অমীমাংসিতই থেকে যাবে।অপরাধী যেই হোক না কেন, তাকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। আমরা এলাকাবাসীকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানাচ্ছি এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই রহস্যের জট খুলে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ তৎপর রয়েছে।বিয়ানীবাজারে একের পর এক রহস্যজনক মৃত্যু: আতঙ্ক, প্রশ্ন আর তদন্তের অপেক্ষাতিনটি রহস্যঘেরা মৃত্যুর ঘটনার রহস্য উদঘাটনে থানা পুলিশের পাশাপাশি, র্যাব-৯, জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), সিআইডি এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার সদস্যরা সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা আশাবাদী, অতি দ্রুত সময়ের মধ্যেই ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটন করে তা জনগণ ও গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরতে সক্ষম হব।