শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর পরীবাগে সংস্কৃতি বিকাশ
কেন্দ্রে ‘জাতীয়তাবাদ ও ধর্ম: শামসুর রাহমান ও আল মাহমুদ’ শীর্ষক একক বক্তৃতার আয়োজন করে সংস্কৃতিবাংলা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব
করেন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক অধ্যাপক খালিকুজ্জামান ইলিয়াস এবং একক বক্তব্য
রাখেন কবি, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক এবং বিশিষ্ট সাংবাদিক সাজ্জাদ শরিফ।
সাজ্জাদ শরিফ বলেন, শামুসর রাহমান এবং আল মাহমুদ, এই দুই কবিকে আমরা যে জাতীয়বাদ ও
ধর্ম দিয়ে দেখি এটা অনেক পরের নির্মাণ, এই দুজনেরই সাংস্কৃতিক ভাবাদর্শ এক।
বৃহত্তর অর্থে এই দুই কবিও তখন জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক পরিচয় নির্মাণ করছেন। আমরা
এটা পছন্দ বা অপছন্দ করতে পারি, পরিচয়বাদী রাজনীতির সমালোচনা করার মতো নানা
তাত্ত্বিক অস্ত্র এখন আমাদের কাছে আছে। কিন্তু এটাই ইতিহাসের বাস্তবতা। আমরা
ইতিহাস বদলাতে পারি না।
অনুষ্ঠানের সভাপতি বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক অধ্যাপক খালিকুজ্জামান ইলিয়াস বলেন,
একজন মানুষ মুসলিম হতে পারে, বাঙালি হতে পারে, একজন মানুষের এ ধরনের অনেকগুলো
পরিচয় থাকাটা কোনো দোষের ব্যাপার নয়। এই সবগুলো পরিচয়কে ধারণ ও সামঞ্জস্য রাখার
ওপর জোর দেন তিনি।
ভাষার চমক না দেখিয়েও সুন্দর কবিতা লিখেছেন আল মাহমুদ। কবি নজরুল ইসলামের পর বাংলা
কবিতায় ইসলামি শব্দ ব্যবহারে আল মাহমুদ সবচেয়ে সফল বলে মন্তব্য করেন খালিকুজ্জামান
ইলিয়াস।
আয়োজনের শুরুতে সূচনা বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতিবাংলার সচিব লেখক ও সাংবাদিক
ষড়ৈশ্বর্য মুহম্মদ। তিনি বলেন, বাংলাদেশের কবিতার প্রধান দুই কবিকে নিয়ে যে ধরনের
বিভাজন তৈরি করা হয়েছে তা ওই দুই কবিকে যেমন সংকীর্ণ রাজনৈতিক ধারণার মধ্যে বন্দি
করা হয়েছে, তেমনই আমরাও তাতে বন্দি হয়ে গেছি।
আয়োজনের শুরুতে অতিথিদের উত্তরীয় পরিয়ে দেন সংস্কৃতিবাংলার আহ্বায়ক অধ্যাপক মাসউদ
ইমরান মান্নু। আয়োজনের শেষে ছিল সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর পর্ব।

শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর পরীবাগে সংস্কৃতি বিকাশ
কেন্দ্রে ‘জাতীয়তাবাদ ও ধর্ম: শামসুর রাহমান ও আল মাহমুদ’ শীর্ষক একক বক্তৃতার আয়োজন করে সংস্কৃতিবাংলা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব
করেন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক অধ্যাপক খালিকুজ্জামান ইলিয়াস এবং একক বক্তব্য
রাখেন কবি, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক এবং বিশিষ্ট সাংবাদিক সাজ্জাদ শরিফ।
সাজ্জাদ শরিফ বলেন, শামুসর রাহমান এবং আল মাহমুদ, এই দুই কবিকে আমরা যে জাতীয়বাদ ও
ধর্ম দিয়ে দেখি এটা অনেক পরের নির্মাণ, এই দুজনেরই সাংস্কৃতিক ভাবাদর্শ এক।
বৃহত্তর অর্থে এই দুই কবিও তখন জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক পরিচয় নির্মাণ করছেন। আমরা
এটা পছন্দ বা অপছন্দ করতে পারি, পরিচয়বাদী রাজনীতির সমালোচনা করার মতো নানা
তাত্ত্বিক অস্ত্র এখন আমাদের কাছে আছে। কিন্তু এটাই ইতিহাসের বাস্তবতা। আমরা
ইতিহাস বদলাতে পারি না।
অনুষ্ঠানের সভাপতি বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক অধ্যাপক খালিকুজ্জামান ইলিয়াস বলেন,
একজন মানুষ মুসলিম হতে পারে, বাঙালি হতে পারে, একজন মানুষের এ ধরনের অনেকগুলো
পরিচয় থাকাটা কোনো দোষের ব্যাপার নয়। এই সবগুলো পরিচয়কে ধারণ ও সামঞ্জস্য রাখার
ওপর জোর দেন তিনি।
ভাষার চমক না দেখিয়েও সুন্দর কবিতা লিখেছেন আল মাহমুদ। কবি নজরুল ইসলামের পর বাংলা
কবিতায় ইসলামি শব্দ ব্যবহারে আল মাহমুদ সবচেয়ে সফল বলে মন্তব্য করেন খালিকুজ্জামান
ইলিয়াস।
আয়োজনের শুরুতে সূচনা বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতিবাংলার সচিব লেখক ও সাংবাদিক
ষড়ৈশ্বর্য মুহম্মদ। তিনি বলেন, বাংলাদেশের কবিতার প্রধান দুই কবিকে নিয়ে যে ধরনের
বিভাজন তৈরি করা হয়েছে তা ওই দুই কবিকে যেমন সংকীর্ণ রাজনৈতিক ধারণার মধ্যে বন্দি
করা হয়েছে, তেমনই আমরাও তাতে বন্দি হয়ে গেছি।
আয়োজনের শুরুতে অতিথিদের উত্তরীয় পরিয়ে দেন সংস্কৃতিবাংলার আহ্বায়ক অধ্যাপক মাসউদ
ইমরান মান্নু। আয়োজনের শেষে ছিল সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর পর্ব।

আপনার মতামত লিখুন