জাতীয় নির্বাচনের দ্বিতীয় রোডম্যাপ প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। এই রোডম্যাপে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, প্রশাসনিক সমন্বয় এবং ভোটের সময়সূচি ঘিরে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা তুলে ধরা হয়েছে।
কমিশন বলছে, অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতেই এ রোডম্যাপ প্রণয়ন করা হয়েছে।
নতুন রোডম্যাপ অনুযায়ী, ভোটের আগে নির্বাচনী আইন ও বিধিমালা বাস্তবায়নে জোর দেওয়া হবে। নির্বাচনী কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ, ভোটকেন্দ্র ব্যবস্থাপনা এবং ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শেষ করার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়েও স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনীর ভূমিকা আরও জোরদার করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে রোডম্যাপে। নির্বাচনের আগে ও নির্বাচনের দিন শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।
আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছে কমিশন।
রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে নিয়মিত সংলাপ ও মতবিনিময় চালিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে দ্বিতীয় রোডম্যাপে। নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে দলগুলোর উদ্বেগ ও প্রস্তাব বিবেচনায় নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এতে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পথ সুগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই রোডম্যাপ বাস্তবায়নের মাধ্যমেই জাতীয় নির্বাচনকে বিশ্বাসযোগ্য ও স্বচ্ছ করা সম্ভব হবে। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী কাজ এগোলে নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
জাতীয় নির্বাচনের দ্বিতীয় রোডম্যাপ প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। এই রোডম্যাপে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, প্রশাসনিক সমন্বয় এবং ভোটের সময়সূচি ঘিরে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা তুলে ধরা হয়েছে।
কমিশন বলছে, অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতেই এ রোডম্যাপ প্রণয়ন করা হয়েছে।
নতুন রোডম্যাপ অনুযায়ী, ভোটের আগে নির্বাচনী আইন ও বিধিমালা বাস্তবায়নে জোর দেওয়া হবে। নির্বাচনী কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ, ভোটকেন্দ্র ব্যবস্থাপনা এবং ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শেষ করার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়েও স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনীর ভূমিকা আরও জোরদার করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে রোডম্যাপে। নির্বাচনের আগে ও নির্বাচনের দিন শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।
আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছে কমিশন।
রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে নিয়মিত সংলাপ ও মতবিনিময় চালিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে দ্বিতীয় রোডম্যাপে। নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে দলগুলোর উদ্বেগ ও প্রস্তাব বিবেচনায় নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এতে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পথ সুগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই রোডম্যাপ বাস্তবায়নের মাধ্যমেই জাতীয় নির্বাচনকে বিশ্বাসযোগ্য ও স্বচ্ছ করা সম্ভব হবে। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী কাজ এগোলে নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন