০১:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

৯ বছর পর পরিকল্পনা কমিশনের বৈঠক, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের উন্নয়নে পরিবর্তন আসছে?

print news -

নিউজ ডেস্ক;   দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা ঢেলে সাজাতে ৯ বছর পর পরিকল্পনা কমিশনের বৈঠক বসছে বুধবার।

এদিন রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন কমিশনের চেয়ারপারসন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৈঠকে কমিশনের বিকল্প চেয়ারপারসন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, ভাইস চেয়ারপারসন পরিকল্পনামন্ত্রী আব্দুস সালাম, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যরা এবং গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার উপস্থিত থাকবেন।

আরো পড়ুন: শিক্ষা নিয়ে খু ব বেশি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে

এর আগে ২০১৫ সালের ২১ জানুয়ারি পরিকল্পনা কমিশনের সবশেষ তৃতীয় বৈঠক হয়েছিল।

পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চতুর্থ বৈঠকে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন পরিকল্পনায় বড় ধরনের পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত হতে পারে। সেই সঙ্গে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণসহ স্থিতিশীল অর্থনীতির জন্য কিছু সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরীবিক্ষণ ও মূল্যায়ণ বিভাগের (আইএমইডি) সচিব আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিকল্পনা বিভাগের উদ্যোগে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। দেশের উন্নয়ন দর্শনের কিছু সংস্কার নিয়ে এই বৈঠকে আলোচনা হতে পারে।”

৯ বছর পর পরিকল্পনা কমিশনের বৈঠক: শিক্ষা, স্বাস্থ্যের উন্নয়নে বদল আসছে?

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ কিছু বক্তব্য আমাদের কাছে নির্দেশনামূলক মনে হয়েছে। যেমন অহেতুক কোনও প্রকল্প নেওয়া যাবে না। এছাড়াও তিনি আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য দিয়েছেন।

“এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সঙ্গে তথ্য বিনিময়ের সময়ও কীভাবে উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালনা করা উচিত, তার কিছু নির্দেশনা রয়েছে। মোট কথা বৈঠক থেকে উন্নয়নের প্যাটার্ন নিয়ে উনার (প্রধানমন্ত্রীর) কিছু নির্দেশনা থাকবে।”

সার্বিকভাবে দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আরও সুশৃংখলভাবে পরিচালনায় নির্দেশনা আসতে পারে বলে মনে করছে এই সচিব।

আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে সমন্বয় করছে পরিকল্পনা কমিশনের কার্যক্রম বিভাগ।

এ বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনার মূল দলিল হচ্ছে পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা। কিন্তু বিগত ষষ্ঠ ও সপ্তম পাঁচশালা পরিকল্পনার বাস্তবায়ন কিছুটা হলেও পিছিয়ে রয়েছে। আর চলমান অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাও শতভাগ অনুসরণ করা হচ্ছে না বলে আমাদের মনে হয়েছে।

“যেমন সাম্প্রতিক সময়ে দেশের উন্নয়ন আলোচনায় সবচেয়ে বেশি কথা হচ্ছে শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দের অপ্রতুলতা নিয়ে। দেশি ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে পরামর্শ আসছে যে-দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য অবশ্যই শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে আরও অনেক বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত।”

৯ বছর পর পরিকল্পনা কমিশনের বৈঠক: শিক্ষা, স্বাস্থ্যের উন্নয়নে বদল আসছে?

অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় এ দুই খাতের জন্য যে বরাদ্দ প্রস্তাব করা আছে তা দেওয়া হলে ব্যাপক উন্নয়ন করা সম্ভব মন্তব্য করে তিনি বলেন, “অথচ অন্যখাতগুলোকে তুলনামুলক বেশি অগ্রাধিকার দেওয়ার কারণে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের প্রয়োজনীয় বরাদ্দ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

“বর্তমান কাঠামোতে সাধারণ মানুষের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় হিসেবে বেশি বিনিয়োগ করা হয়েছে পরিবহন খাতে। এছাড়া জ্বালানি, যোগাযোগ, গৃহায়ন, সমবায় ও পল্লী উন্নয়নে গুরুত্ব পেয়েছে।”

পরিকল্পনা কমিশনের কার্যক্রম বিভাগের এ কর্মকর্তা মনে করেন, প্রতিবছর যে কাঠামোতে এডিপি প্রণয়ন করা হয়, সেই কাঠামোতে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে প্রত্যাশিত বরাদ্দ সম্ভব নয়। সেই কারণে উন্নয়ন পরিকল্পনা ঢেলে সাজানোর সিদ্ধান্ত আসতে পারে বৈঠকে।

পরিকল্পনা বিভাগের আরেকজন কর্মকর্তা বলেন, এর আগে যে প্রক্রিয়ায় প্রকল্প অনুমোদন হচ্ছিল, তাতে কড়াকড়ির বিষয়ে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হতে পারে। বিশেষ করে প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে সম্ভাব্যতা যাচাই বাধ্যতামূলক করা হবে।

দক্ষ জনবল তৈরির জন্যও সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে মনে করছেন ওই কর্মকর্তা।

এই কর্মকর্তা বলেন, “চলমান বেশির ভাগ প্রকল্পই যথাসময়ে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে না। এতে প্রকল্পের ব্যয় বাড়ছে, আবার যথাসময়ে বাস্তবায়ন শেষ করতে না পারায় প্রকল্প উপযোগিতা হারাচ্ছে।

“এমন পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে দক্ষ এবং যথাযথ লোককে প্রকল্প পরিচালক হিসেবে নেওয়ার নির্দেশনা আসতে পারে।”

আগামী এডিপি বা আরএডিপিতে প্রকল্প অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে একটি উচ্চ পর্যায়ের বাছাই কমিটির সুপারিশ পরিকল্পনা বিভাগ করতে পারে বলে জানান তিনি।

এ কর্মকর্তা বলেন, বিদেশি মুদ্রার ছাড় যাতে বাড়ে, সেজন্য সংশ্লিষ্ট প্রকল্প যথাসময়ে বাস্তবায়ন করা দরকার। সেজন্য ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে অগ্রগতি পর্যালোচনার জন্য প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠনের পরামর্শ থাকতে পারে পরিকল্পনা বিভাগের।

তিনি বলেন, কোনো প্রকল্প একাধিকবার সংশোধনের ওপর নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত হতে পারে বৈঠকে। এর আগেও কোনো প্রকল্প দুই বারের বেশি সংশোধন না করার বিষয়ে সরকারপ্রধানের নির্দেশনা ছিল। এটি কীভাবে কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা যায় তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হতে পারে।

এই কর্মকর্তা বলেন, এডিপির আওতায় প্রতিবছর সরকার যে বিপুল বিনিয়োগ করছে তা মূল্যস্ফীতি কমাতে কীভাবে কাজে লাগানো যায় তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হতে পারে।

বিদেশি বিনিয়োগের খরা কাটানোর উপায় বের করতে বৈঠকে আলোচনা হতে পারে। বিশেষ করে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ আরও বেশি কীভাবে আনা যায় তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

সুত্র; বিডি নিউজ ২৪

ট্যাগঃ

৯ বছর পর পরিকল্পনা কমিশনের বৈঠক, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের উন্নয়নে পরিবর্তন আসছে?

প্রকাশিত হয়েছেঃ ০৩:৩৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৪
print news -

নিউজ ডেস্ক;   দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা ঢেলে সাজাতে ৯ বছর পর পরিকল্পনা কমিশনের বৈঠক বসছে বুধবার।

এদিন রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন কমিশনের চেয়ারপারসন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৈঠকে কমিশনের বিকল্প চেয়ারপারসন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, ভাইস চেয়ারপারসন পরিকল্পনামন্ত্রী আব্দুস সালাম, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যরা এবং গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার উপস্থিত থাকবেন।

আরো পড়ুন: শিক্ষা নিয়ে খু ব বেশি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে

এর আগে ২০১৫ সালের ২১ জানুয়ারি পরিকল্পনা কমিশনের সবশেষ তৃতীয় বৈঠক হয়েছিল।

পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চতুর্থ বৈঠকে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন পরিকল্পনায় বড় ধরনের পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত হতে পারে। সেই সঙ্গে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণসহ স্থিতিশীল অর্থনীতির জন্য কিছু সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরীবিক্ষণ ও মূল্যায়ণ বিভাগের (আইএমইডি) সচিব আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিকল্পনা বিভাগের উদ্যোগে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। দেশের উন্নয়ন দর্শনের কিছু সংস্কার নিয়ে এই বৈঠকে আলোচনা হতে পারে।”

৯ বছর পর পরিকল্পনা কমিশনের বৈঠক: শিক্ষা, স্বাস্থ্যের উন্নয়নে বদল আসছে?

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ কিছু বক্তব্য আমাদের কাছে নির্দেশনামূলক মনে হয়েছে। যেমন অহেতুক কোনও প্রকল্প নেওয়া যাবে না। এছাড়াও তিনি আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য দিয়েছেন।

“এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সঙ্গে তথ্য বিনিময়ের সময়ও কীভাবে উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালনা করা উচিত, তার কিছু নির্দেশনা রয়েছে। মোট কথা বৈঠক থেকে উন্নয়নের প্যাটার্ন নিয়ে উনার (প্রধানমন্ত্রীর) কিছু নির্দেশনা থাকবে।”

সার্বিকভাবে দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আরও সুশৃংখলভাবে পরিচালনায় নির্দেশনা আসতে পারে বলে মনে করছে এই সচিব।

আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে সমন্বয় করছে পরিকল্পনা কমিশনের কার্যক্রম বিভাগ।

এ বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনার মূল দলিল হচ্ছে পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা। কিন্তু বিগত ষষ্ঠ ও সপ্তম পাঁচশালা পরিকল্পনার বাস্তবায়ন কিছুটা হলেও পিছিয়ে রয়েছে। আর চলমান অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাও শতভাগ অনুসরণ করা হচ্ছে না বলে আমাদের মনে হয়েছে।

“যেমন সাম্প্রতিক সময়ে দেশের উন্নয়ন আলোচনায় সবচেয়ে বেশি কথা হচ্ছে শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দের অপ্রতুলতা নিয়ে। দেশি ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে পরামর্শ আসছে যে-দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য অবশ্যই শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে আরও অনেক বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত।”

৯ বছর পর পরিকল্পনা কমিশনের বৈঠক: শিক্ষা, স্বাস্থ্যের উন্নয়নে বদল আসছে?

অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় এ দুই খাতের জন্য যে বরাদ্দ প্রস্তাব করা আছে তা দেওয়া হলে ব্যাপক উন্নয়ন করা সম্ভব মন্তব্য করে তিনি বলেন, “অথচ অন্যখাতগুলোকে তুলনামুলক বেশি অগ্রাধিকার দেওয়ার কারণে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের প্রয়োজনীয় বরাদ্দ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

“বর্তমান কাঠামোতে সাধারণ মানুষের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় হিসেবে বেশি বিনিয়োগ করা হয়েছে পরিবহন খাতে। এছাড়া জ্বালানি, যোগাযোগ, গৃহায়ন, সমবায় ও পল্লী উন্নয়নে গুরুত্ব পেয়েছে।”

পরিকল্পনা কমিশনের কার্যক্রম বিভাগের এ কর্মকর্তা মনে করেন, প্রতিবছর যে কাঠামোতে এডিপি প্রণয়ন করা হয়, সেই কাঠামোতে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে প্রত্যাশিত বরাদ্দ সম্ভব নয়। সেই কারণে উন্নয়ন পরিকল্পনা ঢেলে সাজানোর সিদ্ধান্ত আসতে পারে বৈঠকে।

পরিকল্পনা বিভাগের আরেকজন কর্মকর্তা বলেন, এর আগে যে প্রক্রিয়ায় প্রকল্প অনুমোদন হচ্ছিল, তাতে কড়াকড়ির বিষয়ে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হতে পারে। বিশেষ করে প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে সম্ভাব্যতা যাচাই বাধ্যতামূলক করা হবে।

দক্ষ জনবল তৈরির জন্যও সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে মনে করছেন ওই কর্মকর্তা।

এই কর্মকর্তা বলেন, “চলমান বেশির ভাগ প্রকল্পই যথাসময়ে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে না। এতে প্রকল্পের ব্যয় বাড়ছে, আবার যথাসময়ে বাস্তবায়ন শেষ করতে না পারায় প্রকল্প উপযোগিতা হারাচ্ছে।

“এমন পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে দক্ষ এবং যথাযথ লোককে প্রকল্প পরিচালক হিসেবে নেওয়ার নির্দেশনা আসতে পারে।”

আগামী এডিপি বা আরএডিপিতে প্রকল্প অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে একটি উচ্চ পর্যায়ের বাছাই কমিটির সুপারিশ পরিকল্পনা বিভাগ করতে পারে বলে জানান তিনি।

এ কর্মকর্তা বলেন, বিদেশি মুদ্রার ছাড় যাতে বাড়ে, সেজন্য সংশ্লিষ্ট প্রকল্প যথাসময়ে বাস্তবায়ন করা দরকার। সেজন্য ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে অগ্রগতি পর্যালোচনার জন্য প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠনের পরামর্শ থাকতে পারে পরিকল্পনা বিভাগের।

তিনি বলেন, কোনো প্রকল্প একাধিকবার সংশোধনের ওপর নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত হতে পারে বৈঠকে। এর আগেও কোনো প্রকল্প দুই বারের বেশি সংশোধন না করার বিষয়ে সরকারপ্রধানের নির্দেশনা ছিল। এটি কীভাবে কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা যায় তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হতে পারে।

এই কর্মকর্তা বলেন, এডিপির আওতায় প্রতিবছর সরকার যে বিপুল বিনিয়োগ করছে তা মূল্যস্ফীতি কমাতে কীভাবে কাজে লাগানো যায় তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হতে পারে।

বিদেশি বিনিয়োগের খরা কাটানোর উপায় বের করতে বৈঠকে আলোচনা হতে পারে। বিশেষ করে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ আরও বেশি কীভাবে আনা যায় তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

সুত্র; বিডি নিউজ ২৪