০৫:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

৩ শিশুকন্যাকে বি ষ খাইয়ে মা-ও খেলেন, এক মেয়ের মৃ ত্যু

print news -

নিউজ ডেস্ক:  কাশিয়ানীতে শাশুড়ির মানসিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে নিজের তিন কন্যাশিশুকে বিষ খাইয়ে নিজেও খেয়েছেন এক মা। গতকাল মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে তাদের গোপালগঞ্জ শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে আজ বুধবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দেড় বছর বয়সী ছোট মেয়ে মিমের মৃত্যু হয়।

জানা গেছে, বছর দশেক আগে কাশিয়ানীর লংকারচর গ্রামের টিটু মোল্যার সঙ্গে বিয়ে হয় একই উপজেলার খাগড়াবাড়ি গ্রামের পলি বেগমের। এরপর থেকে বিভিন্ন সময় শাশুড়ি সেকেলা বেগম পলির বাবার একাধিক বিয়ে করা নিয়ে তার ওপর মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। গতকাল সকালে পলি তার শ্বশুর বাড়ির উঠানের গাছের পাতা শুকাতে দেন। এ নিয়ে শাশুড়ি তাকে গালমন্দসহ বাবার বিয়ের বিষয় নিয়ে নানা বাজে মন্তব্য করতে শুরু করেন।

সহ্য করতে না পেরে এদিন দুপুরে জমিতে ব্যবহারের জন্য বাড়িতে থাকা কীটনাশক পান করেন পলি। পরে চামচে করে একে একে ৮ বছরের মেয়ে আফসানা, আড়াই বছরের আমেন ও দেড় বছরের মিমকে তা পান করান।

বিষয়টি টের পেয়ে তাদের কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে গোপালগঞ্জ শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে আফসানা ও আমেনাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় পাঠানো হয়েছে।

 

সুত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

ট্যাগঃ

৩ শিশুকন্যাকে বি ষ খাইয়ে মা-ও খেলেন, এক মেয়ের মৃ ত্যু

প্রকাশিত হয়েছেঃ ০৪:৪৯:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
print news -

নিউজ ডেস্ক:  কাশিয়ানীতে শাশুড়ির মানসিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে নিজের তিন কন্যাশিশুকে বিষ খাইয়ে নিজেও খেয়েছেন এক মা। গতকাল মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে তাদের গোপালগঞ্জ শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে আজ বুধবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দেড় বছর বয়সী ছোট মেয়ে মিমের মৃত্যু হয়।

জানা গেছে, বছর দশেক আগে কাশিয়ানীর লংকারচর গ্রামের টিটু মোল্যার সঙ্গে বিয়ে হয় একই উপজেলার খাগড়াবাড়ি গ্রামের পলি বেগমের। এরপর থেকে বিভিন্ন সময় শাশুড়ি সেকেলা বেগম পলির বাবার একাধিক বিয়ে করা নিয়ে তার ওপর মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। গতকাল সকালে পলি তার শ্বশুর বাড়ির উঠানের গাছের পাতা শুকাতে দেন। এ নিয়ে শাশুড়ি তাকে গালমন্দসহ বাবার বিয়ের বিষয় নিয়ে নানা বাজে মন্তব্য করতে শুরু করেন।

সহ্য করতে না পেরে এদিন দুপুরে জমিতে ব্যবহারের জন্য বাড়িতে থাকা কীটনাশক পান করেন পলি। পরে চামচে করে একে একে ৮ বছরের মেয়ে আফসানা, আড়াই বছরের আমেন ও দেড় বছরের মিমকে তা পান করান।

বিষয়টি টের পেয়ে তাদের কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে গোপালগঞ্জ শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে আফসানা ও আমেনাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় পাঠানো হয়েছে।

 

সুত্র: দৈনিক ইত্তেফাক