০৯:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাচনে তুরুপের তাস হতে পারে জামাত-বিএনপির ভোট

print news -

বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাচনের দিন যতো ঘনিয়ে আসছে প্রার্থীদের স্নায়ু চাপ ততো বেশী বাড়ছে। বিশেষ করে বিতর্কিত প্রার্থীরা আছেন তীব্র চাপের মুখে।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চাপা ক্ষোভ আগুনের ফুলিঙ্গি হয়ে ঝলছে এখনো । বিশেষ করে আওয়ামী লীগ ও তাদের সমমনা দল গুলোর প্রবীণ ভোটাররা ছাড় দিতে নারাজ। এতে প্রভাব পড়বে বর্তমান চেয়ারম্যান আবুল কাশেম পল্লব ও আব্দুল বারী’র ভোট ব্যাংকে।

২৯ তারিখ বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাচনে শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দের প্রায় সবই প্রার্থী হওয়ায় আওয়ামী লীগের কর্মী সমর্থকদের একটা অংশ সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন। নির্দলীয় ও প্রান্তিক ভোটারদের দেওয়া হচ্ছে উন্নয়ন ও আমানত রক্ষার প্রতিশ্রুতি। চেয়ারম্যান প্রার্থীদের ব্যক্তি জীবন ও রাজনৈতিক জীবন নিয়ে স্পষ্ট কোনো ধারনা না থকায়, সাধারণ ভোটাররা আছেন দোটানায়। তবে প্রবীণ রাজনীতিবিদদের ধারণা শেষ পর্যন্ত তুরুপের তাস হবে জামাত-বিএনপির ভোট।

প্রার্থী ৯ জন হলেও আলোচনায় আছেন ৬ জন বিশেষ করে মুক্তিযোদ্ধা ও সহজ সরল জীবন যাপনে অভ্যস্ত আতাউর রহমান খান,জনদরদী নেতা হিসাবে পরিচিত জামাল হোসেন,কথার যাদুতে মোহাবিষ্ট করতে পারদর্শী আবুল কাশেম পল্লব, আদর্শবান ও স্পষ্টবাদী রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত আব্দুল বারী, প্রশাসনিক কাজে দক্ষ দেওয়ান মাকসুদুল ইসলাম আউয়াল ও তৃণমূল থেকে উঠে আসা গৌস উদ্দিন।

নিজেদের কঠোর অনুসারী ও দক্ষিণের ভোট ব্যাংক নিয়ে বিগত দিনে নির্বাচিত আবুল কাশেম পল্লব ও আতাউর রহমান খানের একচ্ছত্র অধিপত্যে চিড় ধরেছে । লাউতা ইউনিয়নে শালিক আর মাথিউরা ইউনিয়নে দোয়াত কলম হেভিওয়েট এই দুই প্রার্থীর কপালে চিন্তার বাজ ফেলেছে। তবে মাঠের দখল ঘুরপাক খাচ্ছে আব্দুল বারী, জামাল হোসেন ও আউয়াল বলয়ের মধ্যে।
এদিকে বিয়ানীবাজার উপজেলা ছাত্রলীগের নির্বাচনি দৌড় ঝাপ নিয়ে চলছে কানাঘুষা।
উপজেলা নির্বাচনে ছাত্রলীগের ভূমিকা সম্পর্কে জানতে চাইলে ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল আহমদ শিপু বলে ছাত্রলীগ বঙ্গবন্ধুর আর্দশের রাজনীতি করে। ছাত্রলীগের অভিভাবক হচ্ছেন দেশ রত্ন শেখ হাছিনা। বিয়ানীবাজার উপজেলা ছাত্রলীগ কোন নেতা বা বড় ভাইয়ের অনুগত সংগঠন নয়। কর্মীদের স্বাধীনতা আছে তাদের পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার। এতে সংগঠনের দিক থেকে কোন বিধিনিষেধ নেই।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

বন্যা পরিস্থিতির অবনতি সিলেট, সুনামগঞ্জ ও কুড়িগ্রাম

বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাচনে তুরুপের তাস হতে পারে জামাত-বিএনপির ভোট

প্রকাশিত হয়েছেঃ ০২:২৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪
print news -

বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাচনের দিন যতো ঘনিয়ে আসছে প্রার্থীদের স্নায়ু চাপ ততো বেশী বাড়ছে। বিশেষ করে বিতর্কিত প্রার্থীরা আছেন তীব্র চাপের মুখে।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চাপা ক্ষোভ আগুনের ফুলিঙ্গি হয়ে ঝলছে এখনো । বিশেষ করে আওয়ামী লীগ ও তাদের সমমনা দল গুলোর প্রবীণ ভোটাররা ছাড় দিতে নারাজ। এতে প্রভাব পড়বে বর্তমান চেয়ারম্যান আবুল কাশেম পল্লব ও আব্দুল বারী’র ভোট ব্যাংকে।

২৯ তারিখ বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাচনে শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দের প্রায় সবই প্রার্থী হওয়ায় আওয়ামী লীগের কর্মী সমর্থকদের একটা অংশ সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন। নির্দলীয় ও প্রান্তিক ভোটারদের দেওয়া হচ্ছে উন্নয়ন ও আমানত রক্ষার প্রতিশ্রুতি। চেয়ারম্যান প্রার্থীদের ব্যক্তি জীবন ও রাজনৈতিক জীবন নিয়ে স্পষ্ট কোনো ধারনা না থকায়, সাধারণ ভোটাররা আছেন দোটানায়। তবে প্রবীণ রাজনীতিবিদদের ধারণা শেষ পর্যন্ত তুরুপের তাস হবে জামাত-বিএনপির ভোট।

প্রার্থী ৯ জন হলেও আলোচনায় আছেন ৬ জন বিশেষ করে মুক্তিযোদ্ধা ও সহজ সরল জীবন যাপনে অভ্যস্ত আতাউর রহমান খান,জনদরদী নেতা হিসাবে পরিচিত জামাল হোসেন,কথার যাদুতে মোহাবিষ্ট করতে পারদর্শী আবুল কাশেম পল্লব, আদর্শবান ও স্পষ্টবাদী রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত আব্দুল বারী, প্রশাসনিক কাজে দক্ষ দেওয়ান মাকসুদুল ইসলাম আউয়াল ও তৃণমূল থেকে উঠে আসা গৌস উদ্দিন।

নিজেদের কঠোর অনুসারী ও দক্ষিণের ভোট ব্যাংক নিয়ে বিগত দিনে নির্বাচিত আবুল কাশেম পল্লব ও আতাউর রহমান খানের একচ্ছত্র অধিপত্যে চিড় ধরেছে । লাউতা ইউনিয়নে শালিক আর মাথিউরা ইউনিয়নে দোয়াত কলম হেভিওয়েট এই দুই প্রার্থীর কপালে চিন্তার বাজ ফেলেছে। তবে মাঠের দখল ঘুরপাক খাচ্ছে আব্দুল বারী, জামাল হোসেন ও আউয়াল বলয়ের মধ্যে।
এদিকে বিয়ানীবাজার উপজেলা ছাত্রলীগের নির্বাচনি দৌড় ঝাপ নিয়ে চলছে কানাঘুষা।
উপজেলা নির্বাচনে ছাত্রলীগের ভূমিকা সম্পর্কে জানতে চাইলে ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল আহমদ শিপু বলে ছাত্রলীগ বঙ্গবন্ধুর আর্দশের রাজনীতি করে। ছাত্রলীগের অভিভাবক হচ্ছেন দেশ রত্ন শেখ হাছিনা। বিয়ানীবাজার উপজেলা ছাত্রলীগ কোন নেতা বা বড় ভাইয়ের অনুগত সংগঠন নয়। কর্মীদের স্বাধীনতা আছে তাদের পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার। এতে সংগঠনের দিক থেকে কোন বিধিনিষেধ নেই।