০১:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

২২ জানুয়ারি রাম মন্দির উদ্বোধন : একনজরে দেখে নিন মন্দিরের বৈশিষ্ট্য

print news -

২২ জানুয়ারি রাম মন্দির উদ্বোধন। সেই উপলক্ষে সরকারি ছুটি ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে। অযোধ্যায় রাম মন্দিরের উদ্বোধন উপলক্ষে উত্তর প্রদেশ, গোয়া, ছত্রিশগড়-সহ বিজেপি শাসিত বেশ কিছু রাজ্যের তরফ থেকে সেদিন সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ধর্মীয় গ্রন্থ অনুসারে, এই দিনে ভগবান বিষ্ণু কচ্ছপের অবতার গ্রহণ করেছিলেন এবং সমুদ্র মন্থনে সাহায্য করেছিলেন। ভগবান শ্রী রাম হলেন ভগবান বিষ্ণুর অবতার, তাই এই দিনটিকে অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয় এবং এই দিনটিকে রাম মন্দির উদ্বোধনের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে। জ্যোতিষীদের মতে, ২২ জানুয়ারিতে অনেকগুলি শুভ যোগ তৈরি হচ্ছে।

উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ যেদিন ‘ড্রাই ডে’ও ঘোষণা করেছেন। বিজেপি শাসিত অনেক রাজ্যের তরফ থেকে কেন্দ্রের কাছে ওইদিন জাতীয় ছুটি ঘোষণা করার আবেদন জানানো হয়েছে। যদিও কেন্দ্রের তরফ থেকে এখনও পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি যে ২২ জানুয়ারি যেদিন রাম মন্দিরের উদ্বোধন সেদিন জাতীয় ছুটি দেওয়া হবে কিনা। তার মধ্যেই জল্পনা শুরু হয়েছে, তাহলে কি গোটা দেশে রাম মন্দিরের উদ্বোধন উপলক্ষে ছুটি দেবে কেন্দ্র সরকার?

তিনি আরোও বলেন, রাম মন্দিরের উদ্বোধন হল বিশ্বাস, খুশি আর আনন্দের দিন। রাজ্যের সমস্ত স্কুল আর সরকারি অফিস ওই দিন ছুটি থাকবে। এছাড়াও বন্ধ থাকবে সমস্ত মদের দোকান। ইতিমধ্যেই জানা গিয়েছে, রাম মন্দিরের উদ্বোধন উপলক্ষে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে লখনউ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্ত পরীক্ষা।

দেশ-বিদেশের কয়েক হাজার অতিথির উপস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিগ্রহের প্রাণ প্রতিষ্ঠা করবেন। অযোধ্যা থেকে সরাসরি সেই অনুষ্ঠান টিভি চ্যানেল-সহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। জনগণের উন্মাদনার কথা বিবেচনা করে এবার বড় ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং ২২ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় সরকারের সমস্ত অফিসে হাফ ডে ছুটির ঘোষণা করেছেন।

রাম মন্দির ট্রাস্ট সূত্রে বলা হয়েছে, রাম মন্দিরের উদ্বোধন ও বিগ্রহের প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান ১৬ জানুয়ারি থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে মূল অনুষ্ঠান হবে আগামী ২২ জানুয়ারি। সেদিন নির্দিষ্ট তিথি মেনে দুপুর সাড়ে ১২টায় বিগ্রহের প্রাণ প্রতিষ্ঠার পুজো-অর্চনা শুরু হবে এবং চলবে দুপুর আড়াইটে পর্যন্ত। তাই এই অনুষ্ঠান উদযাপন করতে সেদিন সমস্ত কেন্দ্রীয় সরকারি অফিস, কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং কেন্দ্রীয় শিল্প প্রতিষ্ঠানে হাফ ডে ছুটি থাকবে বলে সরকারি নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে।

একনজরে দেখেনিন অযোধ্যায় প্রভু শ্রীরাম মন্দিরের বৈশিষ্ট্য

১। মন্দিরটি ঐতিহ্যবাহী নাগর শৈলীতে গঠিত।

২। মন্দিরটির দৈর্ঘ্য (পূর্ব-পশ্চিম) ৩৮০ ফুট, প্রস্থ ২৫০ ফুট এবং উচ্চতা ১৬১ ফুট।

৩। মন্দিরটি তিনতলা বিশিষ্ট, প্রতিটি তলা ২০ ফুট লম্বা।  এতে মোট ৩৯২ টি স্তম্ভ ও ৪৪ টি দরজা রয়েছে।

৪। মূল গর্ভগৃহে, ভগবান শ্রী রাম (শ্রী রাম লালার মূর্তি) এর শৈশব রূপ রয়েছে এবং প্রথম তলায় একটি শ্রী রাম দরবার থাকবে।

৫। পাঁচটি মন্ডপ (হল)- নৃত্য মন্ডপ, রং মন্ডপ, সভা মন্ডপ, প্রার্থনা এবং কীর্তন মন্ডপ।

৬। দেবতা এবং দেবদেবীর মূর্তি স্তম্ভ ও দেয়ালে রয়েছে ।

৭। প্রবেশ পূর্ব দিক থেকে, সিংহ দ্বার দিয়ে 32টি সিঁড়ি বেয়ে আরোহণ করতে হবে।

৮। অক্ষম এবং বয়স্কদের সুবিধার জন্য লিফটের ব্যবস্থা।

৯। পারকোটা (আয়তাকার যৌগ প্রাচীর) যার দৈর্ঘ্য 732 মিটার এবং প্রস্থ 14 ফুট, মন্দিরটিকে ঘিরে রয়েছে।

১০। প্রাঙ্গণের চার কোণে, চারটি মন্দির রয়েছে – সূর্যদেব, দেবী ভগবতী, গণেশ ভগবান এবং ভগবান শিবের উদ্দেশ্যে উৎসর্গীকৃত।  উত্তর বাহুতে মা অন্নপূর্ণার মন্দির এবং দক্ষিণ বাহুতে হনুমানজির মন্দির।

১১। মন্দিরের কাছে একটি ঐতিহাসিক কূপ (সীতা কুপ) রয়েছে, যা প্রাচীন যুগের।

১২। শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দির কমপ্লেক্সে, মহর্ষি বাল্মীকি, মহর্ষি বশিষ্ঠ, মহর্ষি বিশ্বামিত্র, মহর্ষি অগস্ত্য, নিষাদ রাজ, মাতা শবরী এবং দেবী অহিল্যার শ্রদ্ধেয় সহধর্মিণীকে উৎসর্গ করা প্রস্তাবিত মন্দির রয়েছে।

১৩। কমপ্লেক্সের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে, কুবের টিলায়, জটায়ুর স্থাপন সহ ভগবান শিবের প্রাচীন মন্দিরটি পুনরুদ্ধার করা হয়েছে।

১৪। মন্দিরে কোথাও লোহা ব্যবহার করা হবেনা।

১৫। মন্দিরের ভিত্তিটি রোলার-কম্প্যাক্টেড কংক্রিটের (RCC) ১৪-মিটার পুরু স্তর দিয়ে তৈরি করা হয়েছে, এটিকে কৃত্রিম পাথরের চেহারা দিয়েছে।

১৬। মাটির আর্দ্রতা থেকে সুরক্ষার জন্য, গ্রানাইট ব্যবহার করে ২১-ফুট-উচ্চ প্লিন্থ তৈরি করা হয়েছে।

১৭। মন্দির কমপ্লেক্সে একটি স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট, ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট, অগ্নি নিরাপত্তার জন্য জল সরবরাহ এবং একটি স্বাধীন পাওয়ার স্টেশন রয়েছে।

১৮। ২৫,০০০ জন ধারণক্ষমতা সহ একটি পিলগ্রিমস ফ্যাসিলিটি সেন্টার (PFC) তৈরি করা হচ্ছে, এটি তীর্থযাত্রীদের চিকিৎসা সুবিধা এবং লকার সুবিধা প্রদান করবে।

১৯। কমপ্লেক্সে স্নানের জায়গা, ওয়াশরুম, ওয়াশবেসিন, খোলা ট্যাপ ইত্যাদি সহ একটি পৃথক ব্লকও থাকবে।

২০। মন্দিরটি সম্পূর্ণরূপে ভারতের ঐতিহ্যগত এবং দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হচ্ছে।  এটি পরিবেশগত-জল সংরক্ষণের উপর বিশেষ জোর দিয়ে ৭০-একর এলাকার ৭০% সবুজ রেখে তৈরি করা হচ্ছে।

২২ জানুয়ারি রাম মন্দির উদ্বোধন : একনজরে দেখে নিন মন্দিরের বৈশিষ্ট্য

প্রকাশিত হয়েছেঃ ১২:৩৫:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৪
print news -

২২ জানুয়ারি রাম মন্দির উদ্বোধন। সেই উপলক্ষে সরকারি ছুটি ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে। অযোধ্যায় রাম মন্দিরের উদ্বোধন উপলক্ষে উত্তর প্রদেশ, গোয়া, ছত্রিশগড়-সহ বিজেপি শাসিত বেশ কিছু রাজ্যের তরফ থেকে সেদিন সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ধর্মীয় গ্রন্থ অনুসারে, এই দিনে ভগবান বিষ্ণু কচ্ছপের অবতার গ্রহণ করেছিলেন এবং সমুদ্র মন্থনে সাহায্য করেছিলেন। ভগবান শ্রী রাম হলেন ভগবান বিষ্ণুর অবতার, তাই এই দিনটিকে অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয় এবং এই দিনটিকে রাম মন্দির উদ্বোধনের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে। জ্যোতিষীদের মতে, ২২ জানুয়ারিতে অনেকগুলি শুভ যোগ তৈরি হচ্ছে।

উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ যেদিন ‘ড্রাই ডে’ও ঘোষণা করেছেন। বিজেপি শাসিত অনেক রাজ্যের তরফ থেকে কেন্দ্রের কাছে ওইদিন জাতীয় ছুটি ঘোষণা করার আবেদন জানানো হয়েছে। যদিও কেন্দ্রের তরফ থেকে এখনও পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি যে ২২ জানুয়ারি যেদিন রাম মন্দিরের উদ্বোধন সেদিন জাতীয় ছুটি দেওয়া হবে কিনা। তার মধ্যেই জল্পনা শুরু হয়েছে, তাহলে কি গোটা দেশে রাম মন্দিরের উদ্বোধন উপলক্ষে ছুটি দেবে কেন্দ্র সরকার?

তিনি আরোও বলেন, রাম মন্দিরের উদ্বোধন হল বিশ্বাস, খুশি আর আনন্দের দিন। রাজ্যের সমস্ত স্কুল আর সরকারি অফিস ওই দিন ছুটি থাকবে। এছাড়াও বন্ধ থাকবে সমস্ত মদের দোকান। ইতিমধ্যেই জানা গিয়েছে, রাম মন্দিরের উদ্বোধন উপলক্ষে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে লখনউ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্ত পরীক্ষা।

দেশ-বিদেশের কয়েক হাজার অতিথির উপস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিগ্রহের প্রাণ প্রতিষ্ঠা করবেন। অযোধ্যা থেকে সরাসরি সেই অনুষ্ঠান টিভি চ্যানেল-সহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। জনগণের উন্মাদনার কথা বিবেচনা করে এবার বড় ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং ২২ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় সরকারের সমস্ত অফিসে হাফ ডে ছুটির ঘোষণা করেছেন।

রাম মন্দির ট্রাস্ট সূত্রে বলা হয়েছে, রাম মন্দিরের উদ্বোধন ও বিগ্রহের প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান ১৬ জানুয়ারি থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে মূল অনুষ্ঠান হবে আগামী ২২ জানুয়ারি। সেদিন নির্দিষ্ট তিথি মেনে দুপুর সাড়ে ১২টায় বিগ্রহের প্রাণ প্রতিষ্ঠার পুজো-অর্চনা শুরু হবে এবং চলবে দুপুর আড়াইটে পর্যন্ত। তাই এই অনুষ্ঠান উদযাপন করতে সেদিন সমস্ত কেন্দ্রীয় সরকারি অফিস, কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং কেন্দ্রীয় শিল্প প্রতিষ্ঠানে হাফ ডে ছুটি থাকবে বলে সরকারি নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে।

একনজরে দেখেনিন অযোধ্যায় প্রভু শ্রীরাম মন্দিরের বৈশিষ্ট্য

১। মন্দিরটি ঐতিহ্যবাহী নাগর শৈলীতে গঠিত।

২। মন্দিরটির দৈর্ঘ্য (পূর্ব-পশ্চিম) ৩৮০ ফুট, প্রস্থ ২৫০ ফুট এবং উচ্চতা ১৬১ ফুট।

৩। মন্দিরটি তিনতলা বিশিষ্ট, প্রতিটি তলা ২০ ফুট লম্বা।  এতে মোট ৩৯২ টি স্তম্ভ ও ৪৪ টি দরজা রয়েছে।

৪। মূল গর্ভগৃহে, ভগবান শ্রী রাম (শ্রী রাম লালার মূর্তি) এর শৈশব রূপ রয়েছে এবং প্রথম তলায় একটি শ্রী রাম দরবার থাকবে।

৫। পাঁচটি মন্ডপ (হল)- নৃত্য মন্ডপ, রং মন্ডপ, সভা মন্ডপ, প্রার্থনা এবং কীর্তন মন্ডপ।

৬। দেবতা এবং দেবদেবীর মূর্তি স্তম্ভ ও দেয়ালে রয়েছে ।

৭। প্রবেশ পূর্ব দিক থেকে, সিংহ দ্বার দিয়ে 32টি সিঁড়ি বেয়ে আরোহণ করতে হবে।

৮। অক্ষম এবং বয়স্কদের সুবিধার জন্য লিফটের ব্যবস্থা।

৯। পারকোটা (আয়তাকার যৌগ প্রাচীর) যার দৈর্ঘ্য 732 মিটার এবং প্রস্থ 14 ফুট, মন্দিরটিকে ঘিরে রয়েছে।

১০। প্রাঙ্গণের চার কোণে, চারটি মন্দির রয়েছে – সূর্যদেব, দেবী ভগবতী, গণেশ ভগবান এবং ভগবান শিবের উদ্দেশ্যে উৎসর্গীকৃত।  উত্তর বাহুতে মা অন্নপূর্ণার মন্দির এবং দক্ষিণ বাহুতে হনুমানজির মন্দির।

১১। মন্দিরের কাছে একটি ঐতিহাসিক কূপ (সীতা কুপ) রয়েছে, যা প্রাচীন যুগের।

১২। শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দির কমপ্লেক্সে, মহর্ষি বাল্মীকি, মহর্ষি বশিষ্ঠ, মহর্ষি বিশ্বামিত্র, মহর্ষি অগস্ত্য, নিষাদ রাজ, মাতা শবরী এবং দেবী অহিল্যার শ্রদ্ধেয় সহধর্মিণীকে উৎসর্গ করা প্রস্তাবিত মন্দির রয়েছে।

১৩। কমপ্লেক্সের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে, কুবের টিলায়, জটায়ুর স্থাপন সহ ভগবান শিবের প্রাচীন মন্দিরটি পুনরুদ্ধার করা হয়েছে।

১৪। মন্দিরে কোথাও লোহা ব্যবহার করা হবেনা।

১৫। মন্দিরের ভিত্তিটি রোলার-কম্প্যাক্টেড কংক্রিটের (RCC) ১৪-মিটার পুরু স্তর দিয়ে তৈরি করা হয়েছে, এটিকে কৃত্রিম পাথরের চেহারা দিয়েছে।

১৬। মাটির আর্দ্রতা থেকে সুরক্ষার জন্য, গ্রানাইট ব্যবহার করে ২১-ফুট-উচ্চ প্লিন্থ তৈরি করা হয়েছে।

১৭। মন্দির কমপ্লেক্সে একটি স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট, ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট, অগ্নি নিরাপত্তার জন্য জল সরবরাহ এবং একটি স্বাধীন পাওয়ার স্টেশন রয়েছে।

১৮। ২৫,০০০ জন ধারণক্ষমতা সহ একটি পিলগ্রিমস ফ্যাসিলিটি সেন্টার (PFC) তৈরি করা হচ্ছে, এটি তীর্থযাত্রীদের চিকিৎসা সুবিধা এবং লকার সুবিধা প্রদান করবে।

১৯। কমপ্লেক্সে স্নানের জায়গা, ওয়াশরুম, ওয়াশবেসিন, খোলা ট্যাপ ইত্যাদি সহ একটি পৃথক ব্লকও থাকবে।

২০। মন্দিরটি সম্পূর্ণরূপে ভারতের ঐতিহ্যগত এবং দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হচ্ছে।  এটি পরিবেশগত-জল সংরক্ষণের উপর বিশেষ জোর দিয়ে ৭০-একর এলাকার ৭০% সবুজ রেখে তৈরি করা হচ্ছে।