০৮:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সৎ মায়ের কুপরামর্শে শিশু আসিফকে হাত-পা বেঁধে ফেলে গেল বাবা

print news -

মাত্র ৬ মাস আগে ক্যানসারে মারা গেছেন সাত বছরের শিশু আসিফের মা। এরপর আরেকটি বিয়ে করেন তার বাবা। সৎ মা এসে আসিফকে মেনে নিতে পারেনি। তারই কুপরামর্শে রাতের আধারে ছেলেকে ঢাকা থেকে ফরিদপুরের সালথায় এনে অচেনা গ্রামে হাত-পা বেঁধে ফেলে গেছে বাবা।

আসিফ জানায়, তার বাবা মো. রেজাউল ও মা আসমা বেগম। তারা ঢাকার মিরপুর ১২ নম্বর বালু মাঠ মন্দিরের পাশে থাকতো। তার নানাবাড়ি রংপুর । ৬ মাস আগে ফুসফুস ক্যানসারে মায়ের মৃত্যুর পর বাবা আবার বিয়ে করে। সৎ মা আসার পরে তার কষ্টের জীবন শুরু হয়।

শিশুটি আরো জানায়, সৎ মা তাকে নানাভাবে কষ্ট দিতো। সৎ মায়ের কথা মতোই বাবা তাকে বাসে করে এনে হাত-পা বেঁধে ফেলে গেছে। সালথা উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়নের গোপিনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ থেকে শিশু আসিফকে উদ্ধার করেন রামকান্তপুর ইউনিয়নের তেলিসালথা গ্রামের সুমন মাতব্বর।

তিনি বলেন, বুধবার বিকেলে শিশুটিকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসি। তাকে স্থানীয় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা দেই, এখন সে কিছুটা সুস্থ।  শুক্রবার সকালে শিশুটিকে সালথা থানায় হস্তান্তর করেছি। সে নিজের ও পরিবারের সম্পর্কে বেশি কিছু জানাতে পারেনি।

সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ আশিকুজ্জামান বলেন, শিশুটির জীবনের গল্প শুনে আমি নিজেই ওর দায়িত্ব নিয়েছি। থানায় ওর থাকা-খাওয়া ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। শিশুটির একটি ব্যবস্থা করার পাশাপাশি তার অভিভাবককেও খুঁজে বের করবো।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের ৩৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

সৎ মায়ের কুপরামর্শে শিশু আসিফকে হাত-পা বেঁধে ফেলে গেল বাবা

প্রকাশিত হয়েছেঃ ১১:২৮:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২১
print news -

মাত্র ৬ মাস আগে ক্যানসারে মারা গেছেন সাত বছরের শিশু আসিফের মা। এরপর আরেকটি বিয়ে করেন তার বাবা। সৎ মা এসে আসিফকে মেনে নিতে পারেনি। তারই কুপরামর্শে রাতের আধারে ছেলেকে ঢাকা থেকে ফরিদপুরের সালথায় এনে অচেনা গ্রামে হাত-পা বেঁধে ফেলে গেছে বাবা।

আসিফ জানায়, তার বাবা মো. রেজাউল ও মা আসমা বেগম। তারা ঢাকার মিরপুর ১২ নম্বর বালু মাঠ মন্দিরের পাশে থাকতো। তার নানাবাড়ি রংপুর । ৬ মাস আগে ফুসফুস ক্যানসারে মায়ের মৃত্যুর পর বাবা আবার বিয়ে করে। সৎ মা আসার পরে তার কষ্টের জীবন শুরু হয়।

শিশুটি আরো জানায়, সৎ মা তাকে নানাভাবে কষ্ট দিতো। সৎ মায়ের কথা মতোই বাবা তাকে বাসে করে এনে হাত-পা বেঁধে ফেলে গেছে। সালথা উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়নের গোপিনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ থেকে শিশু আসিফকে উদ্ধার করেন রামকান্তপুর ইউনিয়নের তেলিসালথা গ্রামের সুমন মাতব্বর।

তিনি বলেন, বুধবার বিকেলে শিশুটিকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসি। তাকে স্থানীয় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা দেই, এখন সে কিছুটা সুস্থ।  শুক্রবার সকালে শিশুটিকে সালথা থানায় হস্তান্তর করেছি। সে নিজের ও পরিবারের সম্পর্কে বেশি কিছু জানাতে পারেনি।

সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ আশিকুজ্জামান বলেন, শিশুটির জীবনের গল্প শুনে আমি নিজেই ওর দায়িত্ব নিয়েছি। থানায় ওর থাকা-খাওয়া ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। শিশুটির একটি ব্যবস্থা করার পাশাপাশি তার অভিভাবককেও খুঁজে বের করবো।