০৯:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সরকারি চাকরিজীবী যুবককে অপহরণ করে মেয়ের সঙ্গে বিয়ে

print news -

সরকারি চাকরিজীবী যুবককে অপহরণ করে মেয়ের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক বাবার বিরুদ্ধে। ভারতের ২৩ বছর বয়সী বিহারের বেপুরা জেলায় ঘটেছে এ ঘটনা। খবর এনডিটিভির। 

এই ঘটনায় রীতিমত শোরগোল পড়েছে ওই এলাকায় সরকারি চাকরিজীবী দের পরিবারে। ঘটনার বিস্তারিত সম্পর্কে জানা যায়, রেপুরা জেলার এক স্কুলে গত বুধবার ক্লাস নিচ্ছিলেন গৌতম কুমার নামে এক শিক্ষক। সেই সময়ে আকস্মিক ক্লাসরুমে ঢুকে পড়েন একদল ব্যক্তি। বন্দুক ঠেকিয়ে গৌতমকে স্কুল থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর সরাসরি নিয়ে যাওয়া হয় রাজেশ রাই নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে। রাজেশ রাই হচ্ছেন মেয়ের বাবা।

সেখানে গৌতমের দিকে বন্দুক তাক করে বলা হয়, বিয়ে তাকে করতেই হবে। নয়তো এর পরিণতি ভাল হবে না। প্রাণের ভয়ে রাজেশের মেয়ে চাঁদনিকে বিয়ে করতে বাধ্য হন গৌতম।

অন্যদিকে স্কুল থেকে গৌতমকে অপহরণের পরই থানায় খবর দেন স্কুলটির প্রধান শিক্ষক। দীর্ঘক্ষণ ছেলের খবর না পেয়ে খোঁজখবর শুরু করেন গৌতমের পরিবারের সদস্যরাও। শেষ পর্যন্ত গৌতমের ফোন ট্র্যাক করে তার খোঁজ মেলে। পুলিশ গৌতমকে উদ্ধার করেন। তবে ততক্ষণে বিয়ের সমস্ত নিয়ম সম্পন্ন হয়েছে।

এ ঘটনায় রাস্তায় অবরোধ করেন গৌতমের পরিবারের সদস্যরা। পুলিশ ইতিমধ্যে পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে। পুরো এ ঘটনার তদন্ত চলছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের ৩৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

সরকারি চাকরিজীবী যুবককে অপহরণ করে মেয়ের সঙ্গে বিয়ে

প্রকাশিত হয়েছেঃ ১২:৩১:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৩
print news -

সরকারি চাকরিজীবী যুবককে অপহরণ করে মেয়ের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক বাবার বিরুদ্ধে। ভারতের ২৩ বছর বয়সী বিহারের বেপুরা জেলায় ঘটেছে এ ঘটনা। খবর এনডিটিভির। 

এই ঘটনায় রীতিমত শোরগোল পড়েছে ওই এলাকায় সরকারি চাকরিজীবী দের পরিবারে। ঘটনার বিস্তারিত সম্পর্কে জানা যায়, রেপুরা জেলার এক স্কুলে গত বুধবার ক্লাস নিচ্ছিলেন গৌতম কুমার নামে এক শিক্ষক। সেই সময়ে আকস্মিক ক্লাসরুমে ঢুকে পড়েন একদল ব্যক্তি। বন্দুক ঠেকিয়ে গৌতমকে স্কুল থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর সরাসরি নিয়ে যাওয়া হয় রাজেশ রাই নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে। রাজেশ রাই হচ্ছেন মেয়ের বাবা।

সেখানে গৌতমের দিকে বন্দুক তাক করে বলা হয়, বিয়ে তাকে করতেই হবে। নয়তো এর পরিণতি ভাল হবে না। প্রাণের ভয়ে রাজেশের মেয়ে চাঁদনিকে বিয়ে করতে বাধ্য হন গৌতম।

অন্যদিকে স্কুল থেকে গৌতমকে অপহরণের পরই থানায় খবর দেন স্কুলটির প্রধান শিক্ষক। দীর্ঘক্ষণ ছেলের খবর না পেয়ে খোঁজখবর শুরু করেন গৌতমের পরিবারের সদস্যরাও। শেষ পর্যন্ত গৌতমের ফোন ট্র্যাক করে তার খোঁজ মেলে। পুলিশ গৌতমকে উদ্ধার করেন। তবে ততক্ষণে বিয়ের সমস্ত নিয়ম সম্পন্ন হয়েছে।

এ ঘটনায় রাস্তায় অবরোধ করেন গৌতমের পরিবারের সদস্যরা। পুলিশ ইতিমধ্যে পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে। পুরো এ ঘটনার তদন্ত চলছে।