০৩:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

লাল মনিরহাটে সোনালী ব্যাংকের সাবেক এমডিসহ ৮ জনের মনোনয় ন বাতিল

print news -

নিউজ ডেস্ক:  সোনালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আতাউর রহমান প্রধানসহ ৮ জনের মনোনয়ন বাতিল করেছে লালমনিরহাট জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক। এর মধ্যে লালমনিরহাট-২ আসনে গণতন্ত্রী পার্টির প্রার্থী সুবৃত্তি রানীর মনোনয়ন স্থগিত করা হলেও পরে সেটি বৈধ ঘোষণা করা হয়।

সোমবার (৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় লালমনিরহাট জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ উল্যাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হয়। যাচাই-বাছাই শেষে জেলার ৩টি আসনে ২৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ৮ জনের মনোনয়ন বাতিল করে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ উল্যাহ।

জানা গেছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লালমনিরহাটের ৩টি আসনে ২৭ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তার মধ্যে ৮টি মনোনয়ন বাতিল করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা। মোট ১৯ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। স্বাক্ষর জালিয়াতির কারণেই বেশিরভাগ স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। এ ছাড়া একজনের সরকারি চাকরি থেকে অবসরের ৩ বছর পূর্তি না হওয়ায় মনোনয়ন বাতিল হয়।

লালমনিরহাট-১ (হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম) আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন- মোতাহার হোসেন (আওয়ামী লীগ), হাবিবুল হক বসুনিয়া (জাতীয় পার্টি), মানিকুর রহমান (জাকের পার্টি), হাবিব মো. ফারুক (জাসদ) ও আজম আজহার হোসেন (বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট)। এ আসনে সোনালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক আতাউর রহমান প্রধান, আব্দুল বাকী ও কেএম আমজাদ হোসেন তাজুর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

লালমনিরহাট-২ (আদিতমারী-কালীগঞ্জ) আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন- মমতাজ আলী শান্ত (স্বতন্ত্র), নুরুজ্জামান আহমেদ (আওয়ামী লীগ), দেলোয়ার হোসেন (জাতীয় পার্টি), বাদশা মিয়া (মুসলিম লীগ), সিরাজুল হক (স্বতন্ত্র), শরিফুল ইসলাম (এনপিপি), সুবৃত্তি রানী (গণতন্ত্রী পার্টি)। এ আসনে রবীন্দ্রনাথ বর্মন (স্বতন্ত্র), রজব আলী (জাকের পার্টি), দেলাব্বর রহমান (বাংলাদেশ কংগ্রেস) ও হালিমা খাতুনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

লালমনিরহাট-৩ আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন- জাহিদ হাসান (জাতীয় পার্টি), আশরাফুল আলম (বাংলাদেশ সাম্যবাদী দল), অ্যাডভোকেট মতিয়ার রহমান (আওয়ামী লীগ), শকিউজ্জামান মিয়া (জাকের পার্টি), আবু তৈয়ব মো. আজামুল হক (জাসদ) ও শামীম আহমেদ চৌধুরী (তৃণমূল বিএনপি) ও হরিশচন্দ্র রায় (ন্যাশনাল পিপলস পার্টি)। এ আসনে একমাত্র জাবেদ হোসেন বক্করের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সদ্য পদত্যাগকারী সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জাবেদ হোসেন বক্কর বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের কারণে আমার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। আমি আপিল করবো। আশা করছি আমার মনোনয়ন ফিরে পাবো।

লালমনিরহাট-১ আসনের হেভিওয়েট প্রার্থী আওয়ামী লীগের অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সদস্য ও সাবেক সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আতাউর রহমান প্রধান বলেছেন, যে অভিযোগে আমার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে এটি এ আসনের ভোটাররা কোনোভাবেই মেনে নিচ্ছেন না। তাই সবার সহযোগিতা নিয়ে আমি আপিল করবো। বৈধতা ফিরে পেলে এ আসনের মানুষ স্বস্তি ফিরে পাবেন।

 

সুত্র: ঢাকা পোষ্ট

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

আনোয়ারুল আজীমকে খুন করতে ৫ কোটি টাকার চুক্তি

লাল মনিরহাটে সোনালী ব্যাংকের সাবেক এমডিসহ ৮ জনের মনোনয় ন বাতিল

প্রকাশিত হয়েছেঃ ০৫:০১:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৩
print news -

নিউজ ডেস্ক:  সোনালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আতাউর রহমান প্রধানসহ ৮ জনের মনোনয়ন বাতিল করেছে লালমনিরহাট জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক। এর মধ্যে লালমনিরহাট-২ আসনে গণতন্ত্রী পার্টির প্রার্থী সুবৃত্তি রানীর মনোনয়ন স্থগিত করা হলেও পরে সেটি বৈধ ঘোষণা করা হয়।

সোমবার (৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় লালমনিরহাট জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ উল্যাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হয়। যাচাই-বাছাই শেষে জেলার ৩টি আসনে ২৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ৮ জনের মনোনয়ন বাতিল করে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ উল্যাহ।

জানা গেছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লালমনিরহাটের ৩টি আসনে ২৭ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তার মধ্যে ৮টি মনোনয়ন বাতিল করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা। মোট ১৯ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। স্বাক্ষর জালিয়াতির কারণেই বেশিরভাগ স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। এ ছাড়া একজনের সরকারি চাকরি থেকে অবসরের ৩ বছর পূর্তি না হওয়ায় মনোনয়ন বাতিল হয়।

লালমনিরহাট-১ (হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম) আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন- মোতাহার হোসেন (আওয়ামী লীগ), হাবিবুল হক বসুনিয়া (জাতীয় পার্টি), মানিকুর রহমান (জাকের পার্টি), হাবিব মো. ফারুক (জাসদ) ও আজম আজহার হোসেন (বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট)। এ আসনে সোনালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক আতাউর রহমান প্রধান, আব্দুল বাকী ও কেএম আমজাদ হোসেন তাজুর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

লালমনিরহাট-২ (আদিতমারী-কালীগঞ্জ) আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন- মমতাজ আলী শান্ত (স্বতন্ত্র), নুরুজ্জামান আহমেদ (আওয়ামী লীগ), দেলোয়ার হোসেন (জাতীয় পার্টি), বাদশা মিয়া (মুসলিম লীগ), সিরাজুল হক (স্বতন্ত্র), শরিফুল ইসলাম (এনপিপি), সুবৃত্তি রানী (গণতন্ত্রী পার্টি)। এ আসনে রবীন্দ্রনাথ বর্মন (স্বতন্ত্র), রজব আলী (জাকের পার্টি), দেলাব্বর রহমান (বাংলাদেশ কংগ্রেস) ও হালিমা খাতুনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

লালমনিরহাট-৩ আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন- জাহিদ হাসান (জাতীয় পার্টি), আশরাফুল আলম (বাংলাদেশ সাম্যবাদী দল), অ্যাডভোকেট মতিয়ার রহমান (আওয়ামী লীগ), শকিউজ্জামান মিয়া (জাকের পার্টি), আবু তৈয়ব মো. আজামুল হক (জাসদ) ও শামীম আহমেদ চৌধুরী (তৃণমূল বিএনপি) ও হরিশচন্দ্র রায় (ন্যাশনাল পিপলস পার্টি)। এ আসনে একমাত্র জাবেদ হোসেন বক্করের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সদ্য পদত্যাগকারী সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জাবেদ হোসেন বক্কর বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের কারণে আমার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। আমি আপিল করবো। আশা করছি আমার মনোনয়ন ফিরে পাবো।

লালমনিরহাট-১ আসনের হেভিওয়েট প্রার্থী আওয়ামী লীগের অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সদস্য ও সাবেক সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আতাউর রহমান প্রধান বলেছেন, যে অভিযোগে আমার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে এটি এ আসনের ভোটাররা কোনোভাবেই মেনে নিচ্ছেন না। তাই সবার সহযোগিতা নিয়ে আমি আপিল করবো। বৈধতা ফিরে পেলে এ আসনের মানুষ স্বস্তি ফিরে পাবেন।

 

সুত্র: ঢাকা পোষ্ট