০১:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

মেয়ের বিবাহ বার্ষিকীতে স্ত্রীর সঙ্গে ঝগ ড়া, অভিমানে বাবার আত্ম হ ত্যা

print news -

নিউজ ডেস্ক:  মেয়ের বিবাহবার্ষিকীর কেক কাটাকে কেন্দ্র করে স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া করে রায়হান উদ্দিন (৪৫) নামের এক ব্যক্তি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে জেহালা ইউনিয়নের গড়গড়ি ঘোষপাড়া নামক এলাকায়।

শুক্রবার বিকেলে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ। নিহত রায়হান উদ্দিন গড়গড়ি ঘোষপাড়ার ইসলামের ছেলে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, বৃহস্পতিবার রাতে বড় মেয়ের বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটার আয়োজন করে পরিবারের সদস্যরা। রাতে কেক কাটাকে কেন্দ্র করে রায়হান ও তার স্ত্রী সুলেখার মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও মারধরের ঘটনা ঘটে। পরে ওই রাতেই স্ত্রী সুলেখা তার বাপের বাড়ি চলে যান। পরে স্বামীর আত্মহত্যার খবর জানতে পেয়ে আবার ফিরে আসেন।

স্থানীয়রা জানান, রায়হান বিভিন্ন এনজিও এবং মানুষের কাছে টাকা নিয়ে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন। এ নিয়ে প্রায় সময় তার স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া হতো। একই কারণে আগেও তিনি কয়েকবার আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হন।

আলমডাঙ্গা থানার ওসি শেখ গণি মিয়া জানান, তিনি ঋণগ্রস্ত ছিলেন। এতে পারিবারিক কলহের জেরে তার স্ত্রী বাপের বাড়ি চলে যায়। এরই জের ধরে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন আসলে বিস্তারিত জানা যাবে এটা হত্যা নাকি আত্মহত্যা।

সুত্র: সমকাল

ট্যাগঃ

মেয়ের বিবাহ বার্ষিকীতে স্ত্রীর সঙ্গে ঝগ ড়া, অভিমানে বাবার আত্ম হ ত্যা

প্রকাশিত হয়েছেঃ ০৫:১৪:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
print news -

নিউজ ডেস্ক:  মেয়ের বিবাহবার্ষিকীর কেক কাটাকে কেন্দ্র করে স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া করে রায়হান উদ্দিন (৪৫) নামের এক ব্যক্তি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে জেহালা ইউনিয়নের গড়গড়ি ঘোষপাড়া নামক এলাকায়।

শুক্রবার বিকেলে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ। নিহত রায়হান উদ্দিন গড়গড়ি ঘোষপাড়ার ইসলামের ছেলে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, বৃহস্পতিবার রাতে বড় মেয়ের বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটার আয়োজন করে পরিবারের সদস্যরা। রাতে কেক কাটাকে কেন্দ্র করে রায়হান ও তার স্ত্রী সুলেখার মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও মারধরের ঘটনা ঘটে। পরে ওই রাতেই স্ত্রী সুলেখা তার বাপের বাড়ি চলে যান। পরে স্বামীর আত্মহত্যার খবর জানতে পেয়ে আবার ফিরে আসেন।

স্থানীয়রা জানান, রায়হান বিভিন্ন এনজিও এবং মানুষের কাছে টাকা নিয়ে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন। এ নিয়ে প্রায় সময় তার স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া হতো। একই কারণে আগেও তিনি কয়েকবার আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হন।

আলমডাঙ্গা থানার ওসি শেখ গণি মিয়া জানান, তিনি ঋণগ্রস্ত ছিলেন। এতে পারিবারিক কলহের জেরে তার স্ত্রী বাপের বাড়ি চলে যায়। এরই জের ধরে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন আসলে বিস্তারিত জানা যাবে এটা হত্যা নাকি আত্মহত্যা।

সুত্র: সমকাল