০৯:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন‌‌ পরিদর্শন করলেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা

print news -

 ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন‌‌- ২০২৩ পরিদর্শন করলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মোহাম্মদ মনিরুল হক খান।  

ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন‌‌- ২০২৩ পরিদর্শন করলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মোহাম্মদ মনিরুল হক খান। সোমবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে বিয়ানীবাজার উপজেলার অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন।

উপজেলার ২৩ টি কমিউনিটি ক্লিনিক সহ ২৬৫ টি অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র থেকে সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত শিশুদের টিকা খাওয়ানো হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিয়ানীবাজার ‍উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর এমওডিসি ডা: শাহরিয়ার রহমান শুভ, এমটিইপিআই তপন জ্যোতি ভট্রাচার্জ, সেনিটারী ও ফুড সেইফটি ইন্সপেক্টর হারুন রশিদ প্রমুখ।

ডা: শাহরিয়াহ রহমান শুভ বলেন, ভিটামিন ‘এ’ দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে,রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি কমায়। তাই এই কার্যক্রমকে বেগবান করার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান তিনি।

আরো পড়ুন: গর্ভবতী মায়ের ৫টি বিপদ চিহৃ জনে নিন 

জানাগেছে,  ১৯ ফেব্রুয়ারি সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে দিনব্যাপী জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, বর্তমান সরকার ২০১০ সাল থেকে নিয়মিতভাবে বছরে দুবার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো অব্যাহত রেখেছে। ফলে বর্তমানে ভিটামিন ‘এ’-এর অভাবজনিত রাতকানা রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা (০.০৪%) প্রায় নাই বললেই চলে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সোমবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দিনব্যাপী দেশের সব শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। দেশের ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ২৫ লাখ, ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ১ কোটি ৯৫ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় ঔষধাগার থেকে জেলা, সিটি করপোরেশন ও মাঠপর্যায়ে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল পাঠানো হয়েছে। সরকারি-বেসরকারি টিভি ও রেডিও, জাতীয় দৈনিক পত্রিকা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রচার করা হচ্ছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে সব ইমামকে মসজিদে এবং হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের মাধ্যমে সব হিন্দু পুরোহিতকে মন্দিরে ৬-৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য জানাতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

বিটিআরসির সাহায্যে দেশব্যাপী সব মোবাইল অপারেটরের মধ্যমে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন‌‌ এর তথ্যসংবলিত খুদেবার্তা পাঠানো হয়েছে। দেশের সব শিশু বিশেষজ্ঞকে (সরকারি ও বেসরকারি) তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য এসএমএসের মাধ্যমে অবহিত করা হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এদিন ১ লাখ ২০ হাজার কেন্দ্রে ২ লাখ ৪০ হাজার স্বেচ্ছাসেবী কাজ করবেন। এতে ৪০ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী অংশ নেবেন। ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর মাধ্যমে শিশুর অন্ধত্ব প্রতিরোধ করা হয়, দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করা হয়। এছাড়াও সব ধরনের মৃত্যুর হার ২৪ শতাংশ হ্রাস করে ‘এ’ ক্যাপসুল। এছাড়াও হাম, ডায়রিয়া এবং নিউমোনিয়ার কারণে মৃত্যু উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস করে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের ৩৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন‌‌ পরিদর্শন করলেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা

প্রকাশিত হয়েছেঃ ০১:২৩:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
print news -

 ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন‌‌- ২০২৩ পরিদর্শন করলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মোহাম্মদ মনিরুল হক খান।  

ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন‌‌- ২০২৩ পরিদর্শন করলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মোহাম্মদ মনিরুল হক খান। সোমবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে বিয়ানীবাজার উপজেলার অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন।

উপজেলার ২৩ টি কমিউনিটি ক্লিনিক সহ ২৬৫ টি অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র থেকে সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত শিশুদের টিকা খাওয়ানো হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিয়ানীবাজার ‍উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর এমওডিসি ডা: শাহরিয়ার রহমান শুভ, এমটিইপিআই তপন জ্যোতি ভট্রাচার্জ, সেনিটারী ও ফুড সেইফটি ইন্সপেক্টর হারুন রশিদ প্রমুখ।

ডা: শাহরিয়াহ রহমান শুভ বলেন, ভিটামিন ‘এ’ দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে,রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি কমায়। তাই এই কার্যক্রমকে বেগবান করার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান তিনি।

আরো পড়ুন: গর্ভবতী মায়ের ৫টি বিপদ চিহৃ জনে নিন 

জানাগেছে,  ১৯ ফেব্রুয়ারি সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে দিনব্যাপী জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, বর্তমান সরকার ২০১০ সাল থেকে নিয়মিতভাবে বছরে দুবার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো অব্যাহত রেখেছে। ফলে বর্তমানে ভিটামিন ‘এ’-এর অভাবজনিত রাতকানা রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা (০.০৪%) প্রায় নাই বললেই চলে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সোমবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দিনব্যাপী দেশের সব শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। দেশের ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ২৫ লাখ, ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ১ কোটি ৯৫ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় ঔষধাগার থেকে জেলা, সিটি করপোরেশন ও মাঠপর্যায়ে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল পাঠানো হয়েছে। সরকারি-বেসরকারি টিভি ও রেডিও, জাতীয় দৈনিক পত্রিকা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রচার করা হচ্ছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে সব ইমামকে মসজিদে এবং হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের মাধ্যমে সব হিন্দু পুরোহিতকে মন্দিরে ৬-৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য জানাতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

বিটিআরসির সাহায্যে দেশব্যাপী সব মোবাইল অপারেটরের মধ্যমে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন‌‌ এর তথ্যসংবলিত খুদেবার্তা পাঠানো হয়েছে। দেশের সব শিশু বিশেষজ্ঞকে (সরকারি ও বেসরকারি) তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য এসএমএসের মাধ্যমে অবহিত করা হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এদিন ১ লাখ ২০ হাজার কেন্দ্রে ২ লাখ ৪০ হাজার স্বেচ্ছাসেবী কাজ করবেন। এতে ৪০ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী অংশ নেবেন। ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর মাধ্যমে শিশুর অন্ধত্ব প্রতিরোধ করা হয়, দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করা হয়। এছাড়াও সব ধরনের মৃত্যুর হার ২৪ শতাংশ হ্রাস করে ‘এ’ ক্যাপসুল। এছাড়াও হাম, ডায়রিয়া এবং নিউমোনিয়ার কারণে মৃত্যু উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস করে।