০৮:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বৈরাগীবাজারে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও বস্ত্র বিতরণ প্রদান করেছে পল্লী বাউল লোক সংগীতালয়

print news -

সিলেট অফিস::  জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে প্রতিবছরের ন্যায়,বিয়ানীবাজার উপজেলার বৈরাগীবাজারের সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাকে বিজয়ী বীর সম্মাননা ও বস্ত্রবিতরণ সম্পন্ন হয়েছে।বীর মুক্তিযোদ্ধা

১৯৭১ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে এদেশের মানুষ স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং সুদীর্ঘ নয় মাস বীরত্বের সঙ্গে যুদ্ধ করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে, ছিনিয়ে আনে এদেশের বিজয়। বাঙালি জাতি পায় একটি পতাকা ও স্বাধীন ভূখণ্ড।মুক্তির এ লড়াইয়ে আমাদের বিজয়ের পেছনে ছিল সম্মুখযুদ্ধে বহু মুক্তিযোদ্ধার সাহসিকতাপূর্ণ অংশগ্রহণ। তাই রাষ্ট্রও সেই সোনার সন্তানদের বরণ করে নিয়েছিল বীরত্বসূচক খেতাব দিয়ে। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগ ছাড়া এ দেশ কখনো স্বাধীন হতো না, তাদের অনেকেই এখনো রয়ে গেছেন লোকচক্ষুর অন্তরালে। তাদের অনেকেরই পরিচয় আমাদের অজ্ঞাত, বীরত্বগাথা অজানা।

পল্লী বাউল লোক সংগীতালয়ের উদ্দ্যোগে বৈরাগীবাজার এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানার্থে ১৫তম সংবর্ধনা ও বস্ত্র বিতরণী অনুষ্ঠানে ছাদিকুর রহমানের সঞ্চালনায় এবং পল্লী বাউল লোক সংগীতালয়ের প্রতিষ্ঠান ও সংগীত প্রশিক্ষক এস.এম মানিকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশিক নূর। শুভেচ্ছামূলক বক্তব্য প্রদান করেন, পল্লী বাউল লোক সংগীতালয়ের সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র দাস।

সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ৭নং তালিমপুর ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান এখলাছুর রহমান। সম্মানিত অতিথি ছিলেন, ৫নং কুড়ারবাজার ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান তুতিউর রহমান তুতা।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,শাহজালাল ঋনদান সমবায় সমিতি প্রা: লি: এর চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান মিন্টু,৬নং ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য নুর মোহাম্মদ, ৭নং ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য আব্দুল মালিক, ৮নং ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য মো: জালাল উদ্দিন,ওয়াল্টন এর স্বত্বাধীকারী আব্দুশ শহিদ। বৈরাগীবাজার ইউনিটি ইয়াং ক্লাব এর সাবেক সভাপতি ও জালালাবাদ এসোসিয়েশ অফ ব্রাজিলের সহ-সভাপতি জাবের আহমদ জুবের, বঙ্গবন্ধু যুব পরিষদ,ইতালী নেপলী শাখার সভাপতি ও জালালাবাদ এসোসিয়েশন অফ ইতালী নেপলী শাখার প্রচার সম্পাদক জুনেদ হাসান।আব্দুর রহিম, ছয়দুর রহমান, দৈনিক পঞ্চবানীর প্রধান সম্পাদক এম.এ ওমর,বৈরাগীবাজার নিউজ ডট কম এর বার্তা সম্পাদক হোসেন আহমদ কিররিয়া,কাতার প্রবাসী শাহিন আহমদ, সিরাজুল ইসলাম মানিক,লুৎফুর রহমান, জয়নুল ইসলাম, আলী হোসেন, ফয়েজ আহমদ, ওয়েছ আহমদ, সালেহ আহমদ, ছাব্বির আহমদ, ইকবাল হোসেন, তোফায়েল আহমদ প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আশিকুন নুর বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম না হলে আজ বাংলাদেশ নামের এই স্বাধীন দেশের জন্ম হতো না। আমাদের দেশ পরিচালনার জন্য যেসব দিক নির্দেশনা প্রয়োজন তার সবই তিনি দিয়ে গিয়েছেন। আমাদের মাঝে উপস্থিত আছেন জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধারা যারা দেশ স্বাধীন করার জন্য নিজের জীবন বাজি রেখে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন এবং ছিনিয়ে এনেছিলেন এদেশের স্বাধীনতা। আজকে এই বীর মুক্তিযোদ্ধাদের এখানে সমবেত হতে দেখে আমি আনন্দিত।তিনি বলেন, এই প্রতিষ্ঠান আজ ১৭ বছর ধরে সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড সহ বিভিন্ন সামাজিক কাজ করে যাচ্ছে কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি এখনও কোনা সরকারি অনুমোদন পায়নি। এই উপজেলায় থাকাবস্থায় আমি চেষ্ঠা করব যেন এই প্রতিষ্ঠানটি সরকারি ভাবে রেজিষ্ট্রেশনের জন্য সর্বাত্বক চেষ্ঠা করবো।

জনপ্রিয় সংবাদ

হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের ৩৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

বৈরাগীবাজারে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও বস্ত্র বিতরণ প্রদান করেছে পল্লী বাউল লোক সংগীতালয়

প্রকাশিত হয়েছেঃ ১১:৩৪:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২১
print news -

সিলেট অফিস::  জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে প্রতিবছরের ন্যায়,বিয়ানীবাজার উপজেলার বৈরাগীবাজারের সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাকে বিজয়ী বীর সম্মাননা ও বস্ত্রবিতরণ সম্পন্ন হয়েছে।বীর মুক্তিযোদ্ধা

১৯৭১ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে এদেশের মানুষ স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং সুদীর্ঘ নয় মাস বীরত্বের সঙ্গে যুদ্ধ করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে, ছিনিয়ে আনে এদেশের বিজয়। বাঙালি জাতি পায় একটি পতাকা ও স্বাধীন ভূখণ্ড।মুক্তির এ লড়াইয়ে আমাদের বিজয়ের পেছনে ছিল সম্মুখযুদ্ধে বহু মুক্তিযোদ্ধার সাহসিকতাপূর্ণ অংশগ্রহণ। তাই রাষ্ট্রও সেই সোনার সন্তানদের বরণ করে নিয়েছিল বীরত্বসূচক খেতাব দিয়ে। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগ ছাড়া এ দেশ কখনো স্বাধীন হতো না, তাদের অনেকেই এখনো রয়ে গেছেন লোকচক্ষুর অন্তরালে। তাদের অনেকেরই পরিচয় আমাদের অজ্ঞাত, বীরত্বগাথা অজানা।

পল্লী বাউল লোক সংগীতালয়ের উদ্দ্যোগে বৈরাগীবাজার এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানার্থে ১৫তম সংবর্ধনা ও বস্ত্র বিতরণী অনুষ্ঠানে ছাদিকুর রহমানের সঞ্চালনায় এবং পল্লী বাউল লোক সংগীতালয়ের প্রতিষ্ঠান ও সংগীত প্রশিক্ষক এস.এম মানিকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশিক নূর। শুভেচ্ছামূলক বক্তব্য প্রদান করেন, পল্লী বাউল লোক সংগীতালয়ের সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র দাস।

সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ৭নং তালিমপুর ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান এখলাছুর রহমান। সম্মানিত অতিথি ছিলেন, ৫নং কুড়ারবাজার ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান তুতিউর রহমান তুতা।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,শাহজালাল ঋনদান সমবায় সমিতি প্রা: লি: এর চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান মিন্টু,৬নং ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য নুর মোহাম্মদ, ৭নং ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য আব্দুল মালিক, ৮নং ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য মো: জালাল উদ্দিন,ওয়াল্টন এর স্বত্বাধীকারী আব্দুশ শহিদ। বৈরাগীবাজার ইউনিটি ইয়াং ক্লাব এর সাবেক সভাপতি ও জালালাবাদ এসোসিয়েশ অফ ব্রাজিলের সহ-সভাপতি জাবের আহমদ জুবের, বঙ্গবন্ধু যুব পরিষদ,ইতালী নেপলী শাখার সভাপতি ও জালালাবাদ এসোসিয়েশন অফ ইতালী নেপলী শাখার প্রচার সম্পাদক জুনেদ হাসান।আব্দুর রহিম, ছয়দুর রহমান, দৈনিক পঞ্চবানীর প্রধান সম্পাদক এম.এ ওমর,বৈরাগীবাজার নিউজ ডট কম এর বার্তা সম্পাদক হোসেন আহমদ কিররিয়া,কাতার প্রবাসী শাহিন আহমদ, সিরাজুল ইসলাম মানিক,লুৎফুর রহমান, জয়নুল ইসলাম, আলী হোসেন, ফয়েজ আহমদ, ওয়েছ আহমদ, সালেহ আহমদ, ছাব্বির আহমদ, ইকবাল হোসেন, তোফায়েল আহমদ প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আশিকুন নুর বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম না হলে আজ বাংলাদেশ নামের এই স্বাধীন দেশের জন্ম হতো না। আমাদের দেশ পরিচালনার জন্য যেসব দিক নির্দেশনা প্রয়োজন তার সবই তিনি দিয়ে গিয়েছেন। আমাদের মাঝে উপস্থিত আছেন জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধারা যারা দেশ স্বাধীন করার জন্য নিজের জীবন বাজি রেখে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন এবং ছিনিয়ে এনেছিলেন এদেশের স্বাধীনতা। আজকে এই বীর মুক্তিযোদ্ধাদের এখানে সমবেত হতে দেখে আমি আনন্দিত।তিনি বলেন, এই প্রতিষ্ঠান আজ ১৭ বছর ধরে সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড সহ বিভিন্ন সামাজিক কাজ করে যাচ্ছে কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি এখনও কোনা সরকারি অনুমোদন পায়নি। এই উপজেলায় থাকাবস্থায় আমি চেষ্ঠা করব যেন এই প্রতিষ্ঠানটি সরকারি ভাবে রেজিষ্ট্রেশনের জন্য সর্বাত্বক চেষ্ঠা করবো।