১১:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিশ্বনাথ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যুক্ত হল আল্ট্রাসনোগ্রাম-ইসিজি

print news -

বিশ্বনাথ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যুক্ত হলো অত্যাধুনিক আল্ট্রাসনোগ্রাম ও ইসিজি মেশিন। এতে আধুনিক সেবার সাথে যুক্ত হল উপজেলাবাসী।
গত ২২ মে(বুধবার) প্রতিবেদককে এমন তথ্য জানান উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সুত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর হাসপাতালটি ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও জনবল সংকট ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের অভাবে তা কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ ছিল।

উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ ও সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে ২০২৩ সালের ১৭ই জুন অত্যাধুনিক অপারেশন থিয়েটার (ওটি) চালু করা হয়। সেই সাথে শুরু হয় সিজারিয়ান অপারেশন। এরই ধারাবাহিকতায় এবার যুক্ত হলো আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিন এবং ইসিজি মেশিন। এতে সাধারণ নিম্ন আয়ের মানুষ সুলভ মূল্যে সেবা পাবে। এমনকি সাধারণ মানুষ সেবা নিতে হলে ডিজিটাল প্লাটফর্ম অর্থাৎ অনলাইনের মাধ্যমে টিকেট সংগ্রহ করতে পারছেন। সেই সাথে অতি শীঘ্রই শুরু হতে যাচ্ছে জেনারেল সার্জারি সেবা।

জানা যায়, বিশ্বনাথ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রতিষ্ঠার পরে এই প্রথম বারের মত চালু হলো ডিজিটাল আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিন। গরীব ও অসহায় রোগিরাও সরকারি এ সেবা নিতে পারবেন। এতে করে তাদের আর্থিক সাশ্রয় হবে বলে স্থানীয়রা মনে করছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বলেন,হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে রোগীদের আল্ট্রাসনোগ্রাম করার ব্যাবস্থা ছিল না। প্রথম বারের মত ডিজিটাল আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিনের কার্যক্রম শুরু হল। এই হাসপাতালের স্বাস্থ্য সেবা আরেকধাপ এগিয়ে গেল। হাসপাতালের স্টোর রুমটিও ছিল জরাজ্বীর্ণ। সেটাও উন্নত ও আধুনিক সাজে দিয়ে সাজানো হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, রোগ নির্ণয়ের জন্য আল্ট্রাসাউন্ড বা আল্ট্রাসনোগ্রাফি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মূলত এ আল্ট্রাসাউন্ড ব্যবহার করে শরীরের ভেতরের বিভিন্ন অঙ্গের ছবি তোলা যায়। এ শব্দতরঙ্গ ব্যবহার করে শরীরের কাঠামোর চিত্র তৈরি করা হয়। এতে প্রয়োজন হয় একটি আল্ট্রাসাউন্ড মেশিন স্ক্যানার।

মেশিনে তোলা চিত্রগুলো থেকে বিভিন্ন রোগ, রোগের অবস্থা নির্ণয় করা হয়। চিকিৎসা নির্দেশক মূল্যবান তথ্য দেয়ার রোগ নির্ণয়ের গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি সাধারণত স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের সব পর্যায়ে থাকার কথা। তবে দেশের সব উপজেলা ও জেলা হাসপাতালে রোগ নির্ণয়ের এ সুবিধা পাচ্ছে না রোগীরা। ৮৮ শতাংশ উপজেলা হাসপাতালে আল্ট্রাসনোগ্রাফির সুবিধা নেই। ফলে জনসাধারণ এ রোগ নিরীক্ষার জন্য যাচ্ছে বেসরকারি হাসপাতালে।
এখন থেকে বিশ্বনাথ উপজেলাবাসি নিরবিচ্ছিন্ন সেবা পাবে বলে আশা করছি।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

বন্যা পরিস্থিতির অবনতি সিলেট, সুনামগঞ্জ ও কুড়িগ্রাম

বিশ্বনাথ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যুক্ত হল আল্ট্রাসনোগ্রাম-ইসিজি

প্রকাশিত হয়েছেঃ ০৪:৩৪:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪
print news -

বিশ্বনাথ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যুক্ত হলো অত্যাধুনিক আল্ট্রাসনোগ্রাম ও ইসিজি মেশিন। এতে আধুনিক সেবার সাথে যুক্ত হল উপজেলাবাসী।
গত ২২ মে(বুধবার) প্রতিবেদককে এমন তথ্য জানান উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সুত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর হাসপাতালটি ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও জনবল সংকট ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের অভাবে তা কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ ছিল।

উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ ও সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে ২০২৩ সালের ১৭ই জুন অত্যাধুনিক অপারেশন থিয়েটার (ওটি) চালু করা হয়। সেই সাথে শুরু হয় সিজারিয়ান অপারেশন। এরই ধারাবাহিকতায় এবার যুক্ত হলো আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিন এবং ইসিজি মেশিন। এতে সাধারণ নিম্ন আয়ের মানুষ সুলভ মূল্যে সেবা পাবে। এমনকি সাধারণ মানুষ সেবা নিতে হলে ডিজিটাল প্লাটফর্ম অর্থাৎ অনলাইনের মাধ্যমে টিকেট সংগ্রহ করতে পারছেন। সেই সাথে অতি শীঘ্রই শুরু হতে যাচ্ছে জেনারেল সার্জারি সেবা।

জানা যায়, বিশ্বনাথ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রতিষ্ঠার পরে এই প্রথম বারের মত চালু হলো ডিজিটাল আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিন। গরীব ও অসহায় রোগিরাও সরকারি এ সেবা নিতে পারবেন। এতে করে তাদের আর্থিক সাশ্রয় হবে বলে স্থানীয়রা মনে করছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বলেন,হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে রোগীদের আল্ট্রাসনোগ্রাম করার ব্যাবস্থা ছিল না। প্রথম বারের মত ডিজিটাল আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিনের কার্যক্রম শুরু হল। এই হাসপাতালের স্বাস্থ্য সেবা আরেকধাপ এগিয়ে গেল। হাসপাতালের স্টোর রুমটিও ছিল জরাজ্বীর্ণ। সেটাও উন্নত ও আধুনিক সাজে দিয়ে সাজানো হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, রোগ নির্ণয়ের জন্য আল্ট্রাসাউন্ড বা আল্ট্রাসনোগ্রাফি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মূলত এ আল্ট্রাসাউন্ড ব্যবহার করে শরীরের ভেতরের বিভিন্ন অঙ্গের ছবি তোলা যায়। এ শব্দতরঙ্গ ব্যবহার করে শরীরের কাঠামোর চিত্র তৈরি করা হয়। এতে প্রয়োজন হয় একটি আল্ট্রাসাউন্ড মেশিন স্ক্যানার।

মেশিনে তোলা চিত্রগুলো থেকে বিভিন্ন রোগ, রোগের অবস্থা নির্ণয় করা হয়। চিকিৎসা নির্দেশক মূল্যবান তথ্য দেয়ার রোগ নির্ণয়ের গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি সাধারণত স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের সব পর্যায়ে থাকার কথা। তবে দেশের সব উপজেলা ও জেলা হাসপাতালে রোগ নির্ণয়ের এ সুবিধা পাচ্ছে না রোগীরা। ৮৮ শতাংশ উপজেলা হাসপাতালে আল্ট্রাসনোগ্রাফির সুবিধা নেই। ফলে জনসাধারণ এ রোগ নিরীক্ষার জন্য যাচ্ছে বেসরকারি হাসপাতালে।
এখন থেকে বিশ্বনাথ উপজেলাবাসি নিরবিচ্ছিন্ন সেবা পাবে বলে আশা করছি।