০৮:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিশ্বনাথে এ প্লাস ক্যম্পেইন ও অপারেশন থিয়েটার এর উদ্ভোধন

print news -

বিশেষ প্রতিনিধি:

বিশ্বনাথে এই প্রথম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ” অপারেশন থিয়েটার ” এর উদ্ভোধন করা হয়েছে।শুভ উদ্ভোধন করেন সিলেট বিভাগীয় পরিচালক স্বাস্থ্য ডা: শরীফুল হাসান। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহকারী পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডা: মোহাম্মদ নুরে আলম শামীম, সিভিল সার্জন ডা: এস এম শাহরিয়ার, বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম নুনু মিয়া, সহকারী কমিশনার ভুমি আসমা জাহান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ দেলোয়ার হোসেন সুমন, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শান্তিময় ভট্টাচার্য, জুনিয়র কনসালট্যান্ট গাইনি ডা: অর্পিতা ভট্টাচার্য, জুনিয়র কনসালট্যান্ট এনেস্থিসিয়া ডা: তপজিত ভট্টাচার্য, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ রাজিব বৈষনব, খাজাঞ্চি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আরশ আলী গনি সহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সকল মেডিকেল অফিসার বৃন্দ, সিনিয়র স্টাফ নার্স বৃন্দ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিভিন্ন দপ্তরের  কর্মকর্তা কর্মচারী বৃন্দ।02 1 -

বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা: শরীফুল হাসান প্রথমে ভিটামিন-এ প্লাস ক্যম্পেইন এর শুভ উদ্ভোধন করেন। বিশ্বনাথ উপজেলায় ১৯৪ টি কেন্দ্রে ( ৬-১১ মাস) বয়সী নীল ক্যাপ্সুল গ্রহন করে মোট ২৬৯৫ টি শিশু এবং (১২-৫৯ মাস) বয়সী লাল ক্যাপ্সুল গ্রহন করে ২২৫৮৪ টি শিশু। অত্যন্ত উতসব মুখর পরিবেশে বিশ্বনাথ উপজেলায় জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন পালিত হয়। কোথাও কোন সমস্যা দেখা দেয়নি।

বিভাগীয় পরিচালক স্বাস্থ্য ডা: শরীফুল হাসান অপারেশন থিয়েটার উদ্ভোধন এর পর বিশ্বনাথ উপজেলার খাজাঞ্চি ইউনিয়নের ফয়সাল আহমেদ এর স্ত্রী সিজারিয়ান সেকশন অপারেশন এর মাধ্যমে একটি মেয়ে শিশুর জন্ম দেন। মা ও বাচ্চা সম্পুর্ণ সুস্থ আছেন। এর মাধ্যমে উপজেলাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবী পুরণ হলো। এখন থেকে উপজেলা বাসীর সিজারিয়ান সেকশন অপারেশন এর জন্য জেলা মুখি হওয়ার অবসান ঘটল।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, ছাত্র-শিক্ষক, সাংবাদিকসহ সবার সার্বিক সহযোগিতায় দেশব্যাপী ১ লাখ ২০ হাজার স্থায়ী কেন্দ্রসহ অতিরিক্ত আরও ২০ হাজার ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রের মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। 03 -

ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রগুলো বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ড, লঞ্চঘাট, ফেরিঘাট, ব্রিজের টোল প্লাজা, বিমানবন্দর, রেলস্টেশন, খেয়াঘাট ইত্যাদি স্থানে অবস্থান করবে। প্রতিটি কেন্দ্রে কমপক্ষে ২ জন প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবী দায়িত্ব পালন করছেন।

এছাড়া দুর্গম এলাকা হিসেবে চিহ্নিত ১২টি জেলার ৪৬টি উপজেলার ২৪০টি ইউনিয়নে ক্যাম্পেইন পরবর্তী ৪ দিন (১০-১৩ ফেব্রুয়ারি) বাড়ি বাড়ি গিয়ে শিশুদের সার্চিং কার্যক্রম পরিচালনা করে বাদ পড়া শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

এ কার্যক্রম সফল করতে ইতিমধ্যে বিভাগ, সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, জেলা-উপজেলায় অবহিতকরণ সভা এবং সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ২ লাখ ৮০ হাজার স্বেচ্ছাসেবীকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।

গত ১৯ জানুয়ারি সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত সারা দেশে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কথা ছিল। কিন্তু ওষুধের মান নিয়ে সন্দেহ থাকায় সেই কর্মসূচি বাতিল করা হয়। গত ডিসেম্বরে এই ক্যাপসুল খাওয়ানোর কথা থাকলেও বার্ষিক পরীক্ষা, জাতীয় নির্বাচনসহ নানা কারণে তা পিছিয়ে যায়।বিশ্বনাথে

প্রসঙ্গত, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে যখন এই কার্যক্রম গ্রহণ করেন তখন ৬-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের মাঝে রাতকানা রোগের হার ছিল ৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ।

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো অব্যাহত রাখায় বর্তমানে ভিটামিন ‘এ’ এর অভাবজনিত রাতকানা রোগের হার শতকরা ১ ভাগের নিচে রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের ৩৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

বিশ্বনাথে এ প্লাস ক্যম্পেইন ও অপারেশন থিয়েটার এর উদ্ভোধন

প্রকাশিত হয়েছেঃ ০২:১৯:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জুন ২০২৩
print news -

বিশেষ প্রতিনিধি:

বিশ্বনাথে এই প্রথম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ” অপারেশন থিয়েটার ” এর উদ্ভোধন করা হয়েছে।শুভ উদ্ভোধন করেন সিলেট বিভাগীয় পরিচালক স্বাস্থ্য ডা: শরীফুল হাসান। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহকারী পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডা: মোহাম্মদ নুরে আলম শামীম, সিভিল সার্জন ডা: এস এম শাহরিয়ার, বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম নুনু মিয়া, সহকারী কমিশনার ভুমি আসমা জাহান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ দেলোয়ার হোসেন সুমন, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শান্তিময় ভট্টাচার্য, জুনিয়র কনসালট্যান্ট গাইনি ডা: অর্পিতা ভট্টাচার্য, জুনিয়র কনসালট্যান্ট এনেস্থিসিয়া ডা: তপজিত ভট্টাচার্য, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ রাজিব বৈষনব, খাজাঞ্চি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আরশ আলী গনি সহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সকল মেডিকেল অফিসার বৃন্দ, সিনিয়র স্টাফ নার্স বৃন্দ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিভিন্ন দপ্তরের  কর্মকর্তা কর্মচারী বৃন্দ।02 1 -

বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা: শরীফুল হাসান প্রথমে ভিটামিন-এ প্লাস ক্যম্পেইন এর শুভ উদ্ভোধন করেন। বিশ্বনাথ উপজেলায় ১৯৪ টি কেন্দ্রে ( ৬-১১ মাস) বয়সী নীল ক্যাপ্সুল গ্রহন করে মোট ২৬৯৫ টি শিশু এবং (১২-৫৯ মাস) বয়সী লাল ক্যাপ্সুল গ্রহন করে ২২৫৮৪ টি শিশু। অত্যন্ত উতসব মুখর পরিবেশে বিশ্বনাথ উপজেলায় জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন পালিত হয়। কোথাও কোন সমস্যা দেখা দেয়নি।

বিভাগীয় পরিচালক স্বাস্থ্য ডা: শরীফুল হাসান অপারেশন থিয়েটার উদ্ভোধন এর পর বিশ্বনাথ উপজেলার খাজাঞ্চি ইউনিয়নের ফয়সাল আহমেদ এর স্ত্রী সিজারিয়ান সেকশন অপারেশন এর মাধ্যমে একটি মেয়ে শিশুর জন্ম দেন। মা ও বাচ্চা সম্পুর্ণ সুস্থ আছেন। এর মাধ্যমে উপজেলাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবী পুরণ হলো। এখন থেকে উপজেলা বাসীর সিজারিয়ান সেকশন অপারেশন এর জন্য জেলা মুখি হওয়ার অবসান ঘটল।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, ছাত্র-শিক্ষক, সাংবাদিকসহ সবার সার্বিক সহযোগিতায় দেশব্যাপী ১ লাখ ২০ হাজার স্থায়ী কেন্দ্রসহ অতিরিক্ত আরও ২০ হাজার ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রের মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। 03 -

ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রগুলো বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ড, লঞ্চঘাট, ফেরিঘাট, ব্রিজের টোল প্লাজা, বিমানবন্দর, রেলস্টেশন, খেয়াঘাট ইত্যাদি স্থানে অবস্থান করবে। প্রতিটি কেন্দ্রে কমপক্ষে ২ জন প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবী দায়িত্ব পালন করছেন।

এছাড়া দুর্গম এলাকা হিসেবে চিহ্নিত ১২টি জেলার ৪৬টি উপজেলার ২৪০টি ইউনিয়নে ক্যাম্পেইন পরবর্তী ৪ দিন (১০-১৩ ফেব্রুয়ারি) বাড়ি বাড়ি গিয়ে শিশুদের সার্চিং কার্যক্রম পরিচালনা করে বাদ পড়া শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

এ কার্যক্রম সফল করতে ইতিমধ্যে বিভাগ, সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, জেলা-উপজেলায় অবহিতকরণ সভা এবং সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ২ লাখ ৮০ হাজার স্বেচ্ছাসেবীকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।

গত ১৯ জানুয়ারি সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত সারা দেশে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কথা ছিল। কিন্তু ওষুধের মান নিয়ে সন্দেহ থাকায় সেই কর্মসূচি বাতিল করা হয়। গত ডিসেম্বরে এই ক্যাপসুল খাওয়ানোর কথা থাকলেও বার্ষিক পরীক্ষা, জাতীয় নির্বাচনসহ নানা কারণে তা পিছিয়ে যায়।বিশ্বনাথে

প্রসঙ্গত, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে যখন এই কার্যক্রম গ্রহণ করেন তখন ৬-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের মাঝে রাতকানা রোগের হার ছিল ৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ।

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো অব্যাহত রাখায় বর্তমানে ভিটামিন ‘এ’ এর অভাবজনিত রাতকানা রোগের হার শতকরা ১ ভাগের নিচে রয়েছে।