০৩:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিয়ানীবাজারে কখন, কোথায় লোডশেডিং জেনে নিন

print news -

সারা দেশের মতো বিয়ানীবাজারেও এলাকা ভিত্তিক লোডশেডিং আজ মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে। সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর আওতাধীন বিয়ানীবাজার জোনাল অফিসের নিয়ন্ত্রণে থাকা চারটি সাবস্টেশনের ১৮টি ফিডারের মাধ্যমে সরকার নির্দেশিত লোডশেডিং কার্যকর করা হবে। এ বিষয়ে পল্লীবিদ্যুৎ জোনাল অফিসের দায়িত্বশীলরা নির্ধারীত চক দেখে তা বাস্তবায়ন করবেন।

নতুন নিদের্শনা অনুয়ায়ী প্রতিটি ফিডার এলাকায় দিনে ১ ঘন্টা এবং রাতে ১ ঘন্টা লোডশেডিং করা হবে। সকাল ১০ টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত এক ঘন্টা কিংবা প্রয়োজনে তারও বেশি লোডশেডিং করার নির্দেশনা থাকলেও বিয়ানীবাজারে সকাল ১০টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত লোডশেডিং এর আওতায় রাখা হয়েছে। পল্লীবিদ্যুৎ বিয়ানীবাজার জোনাল অফিসের দায়িত্বশীলরা লোডশেডিং করার সেরকম একটি চক তৈরী করেছেন, সাবস্টেশনের দায়িত্বশীলরা সে চক দেখেই কাজ করছেন।

বিয়ানীবাজার উপজেলায় শেওলা, সুপাতলা, আলী নগর এবং থানাবাজর এই চারটি সাবস্টেশন থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। এ চার সাবস্টেশনের দায়িত্বে পল্লীবিদ্যুৎ বিয়ানীবাজার জোনাল অফিস এবং উপজেলার তিলপাড়া, মাথিউরা ও কুড়ারবাজার ইউনিয়নের আংশিক এলাকায় সুনামপু সাবস্টেশনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়, সে স্টেশনের দায়িত্বে গোলাপগঞ্জ জোনাল অফিস।

উপজেলা প্রায় ৬৫ হাজার গ্রাহকের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয় শেওলা সাবস্টেশনের ৫টি, সুপাতলার ৭টি, আলী নগর এবং থানাবাজারে ৩টি করে মোট ১৮টি ফিডারে মাধ্যমে। এসব ফিডারের আওতাধীন এলাকায় প্রত্যেক এক থেকে দুইঘন্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

পল্লী বিদ্যুৎ অফিস সূত্রে জানা যায়, আলীনগর সাবস্টেশনের মাধ্যমে গোলাপগঞ্জের আংশিক এলাকা, আলীনগর ইউনিয়ন ও চারখাই ইউনিয়নে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। এসব এলাকায় নির্দিষ্ট ফিডারের বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করে থাকে পল্লীবিদ্যু। শেওলা সাবস্টেশনের ৫টি ফিডারের আওতায় রয়েছে চারখাইয়ের আংশিক, জকিগঞ্জ উপজেলার কিছু অংশ, দুবাগ, শেওলা ও কুড়ারবাজারের কিছু এলাকা। সুপাতলা সাবস্টেশনের আওতায় পৌরসভা ও পৌরশহর এবং মুড়িয়া, মোল্লাপুর, মাথিউরা ও কুড়ারবাজার ইউনিয়নের আংশিক এলাকায়। থানাবাজার সাবস্টেশনের মাধ্যমে পুরো লাউতা, মোল্লাপুর ও তিলপাড়া ইউনিয়নের আংশিক এলাকা।

আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত নতুন ঘোষণাকৃত চক অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে। এতে বিদ্যুৎ ঘাটতি কেটে না গেলে নতুন কোন সিদ্ধান্ত সরকারের পক্ষ থেকে আসতে পারে।

বিয়ানীবাজার পল্লীবিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএম ভজন কুমার বর্মণ বলেন, বিয়ানীবাজার উপজেলায় ২৩৪টি গ্রাম রয়েছে। এসব গ্রামের তালিকা করা সময় সাপেক্ষ। আপাতত আমরা সাবস্টেশনের ফিডার ভিত্তিক এলাকায় প্রতিদিন এক ঘন্টা করে দুই ঘন্টা লোডশেডিং করবো। তিনি বলেন, বিয়ানীবাজার অফিসের আওতায় চারটি সাবস্টেশন রয়েছে। আলীনগর ও শেওলা সাবস্টেশন থেকে গোলাপগঞ্জ ও জকিগঞ্জে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। এদুই সাবস্টেশনের আওয়তায় অন্য উপজেলার এলাকা থাকলেও তারা আমাদের চক মনে বিদ্যুৎ পাবে। তেমনি গোলাপগঞ্জের আওতাদিন সাবস্টেশন থেকে আমাদের যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয় সে অফিসে চক মেনে সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। তিনি সরকার নির্দেশিত নতুন নিয়ম মেনে চলতে ও অপ্রয়োজনে বিদ্যুৎ ব্যবহার না করতে উপজেলারবাসীর প্রতি অনুরোধ করেছেন।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

বন্যা পরিস্থিতির অবনতি সিলেট, সুনামগঞ্জ ও কুড়িগ্রাম

বিয়ানীবাজারে কখন, কোথায় লোডশেডিং জেনে নিন

প্রকাশিত হয়েছেঃ ০২:৩২:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ জুলাই ২০২২
print news -

সারা দেশের মতো বিয়ানীবাজারেও এলাকা ভিত্তিক লোডশেডিং আজ মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে। সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর আওতাধীন বিয়ানীবাজার জোনাল অফিসের নিয়ন্ত্রণে থাকা চারটি সাবস্টেশনের ১৮টি ফিডারের মাধ্যমে সরকার নির্দেশিত লোডশেডিং কার্যকর করা হবে। এ বিষয়ে পল্লীবিদ্যুৎ জোনাল অফিসের দায়িত্বশীলরা নির্ধারীত চক দেখে তা বাস্তবায়ন করবেন।

নতুন নিদের্শনা অনুয়ায়ী প্রতিটি ফিডার এলাকায় দিনে ১ ঘন্টা এবং রাতে ১ ঘন্টা লোডশেডিং করা হবে। সকাল ১০ টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত এক ঘন্টা কিংবা প্রয়োজনে তারও বেশি লোডশেডিং করার নির্দেশনা থাকলেও বিয়ানীবাজারে সকাল ১০টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত লোডশেডিং এর আওতায় রাখা হয়েছে। পল্লীবিদ্যুৎ বিয়ানীবাজার জোনাল অফিসের দায়িত্বশীলরা লোডশেডিং করার সেরকম একটি চক তৈরী করেছেন, সাবস্টেশনের দায়িত্বশীলরা সে চক দেখেই কাজ করছেন।

বিয়ানীবাজার উপজেলায় শেওলা, সুপাতলা, আলী নগর এবং থানাবাজর এই চারটি সাবস্টেশন থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। এ চার সাবস্টেশনের দায়িত্বে পল্লীবিদ্যুৎ বিয়ানীবাজার জোনাল অফিস এবং উপজেলার তিলপাড়া, মাথিউরা ও কুড়ারবাজার ইউনিয়নের আংশিক এলাকায় সুনামপু সাবস্টেশনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়, সে স্টেশনের দায়িত্বে গোলাপগঞ্জ জোনাল অফিস।

উপজেলা প্রায় ৬৫ হাজার গ্রাহকের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয় শেওলা সাবস্টেশনের ৫টি, সুপাতলার ৭টি, আলী নগর এবং থানাবাজারে ৩টি করে মোট ১৮টি ফিডারে মাধ্যমে। এসব ফিডারের আওতাধীন এলাকায় প্রত্যেক এক থেকে দুইঘন্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

পল্লী বিদ্যুৎ অফিস সূত্রে জানা যায়, আলীনগর সাবস্টেশনের মাধ্যমে গোলাপগঞ্জের আংশিক এলাকা, আলীনগর ইউনিয়ন ও চারখাই ইউনিয়নে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। এসব এলাকায় নির্দিষ্ট ফিডারের বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করে থাকে পল্লীবিদ্যু। শেওলা সাবস্টেশনের ৫টি ফিডারের আওতায় রয়েছে চারখাইয়ের আংশিক, জকিগঞ্জ উপজেলার কিছু অংশ, দুবাগ, শেওলা ও কুড়ারবাজারের কিছু এলাকা। সুপাতলা সাবস্টেশনের আওতায় পৌরসভা ও পৌরশহর এবং মুড়িয়া, মোল্লাপুর, মাথিউরা ও কুড়ারবাজার ইউনিয়নের আংশিক এলাকায়। থানাবাজার সাবস্টেশনের মাধ্যমে পুরো লাউতা, মোল্লাপুর ও তিলপাড়া ইউনিয়নের আংশিক এলাকা।

আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত নতুন ঘোষণাকৃত চক অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে। এতে বিদ্যুৎ ঘাটতি কেটে না গেলে নতুন কোন সিদ্ধান্ত সরকারের পক্ষ থেকে আসতে পারে।

বিয়ানীবাজার পল্লীবিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএম ভজন কুমার বর্মণ বলেন, বিয়ানীবাজার উপজেলায় ২৩৪টি গ্রাম রয়েছে। এসব গ্রামের তালিকা করা সময় সাপেক্ষ। আপাতত আমরা সাবস্টেশনের ফিডার ভিত্তিক এলাকায় প্রতিদিন এক ঘন্টা করে দুই ঘন্টা লোডশেডিং করবো। তিনি বলেন, বিয়ানীবাজার অফিসের আওতায় চারটি সাবস্টেশন রয়েছে। আলীনগর ও শেওলা সাবস্টেশন থেকে গোলাপগঞ্জ ও জকিগঞ্জে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। এদুই সাবস্টেশনের আওয়তায় অন্য উপজেলার এলাকা থাকলেও তারা আমাদের চক মনে বিদ্যুৎ পাবে। তেমনি গোলাপগঞ্জের আওতাদিন সাবস্টেশন থেকে আমাদের যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয় সে অফিসে চক মেনে সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। তিনি সরকার নির্দেশিত নতুন নিয়ম মেনে চলতে ও অপ্রয়োজনে বিদ্যুৎ ব্যবহার না করতে উপজেলারবাসীর প্রতি অনুরোধ করেছেন।