০৮:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ফাইনাল ম্যাচে নেপালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শিরোপা জয়ের উল্লাসে বাংলাদেশ

ফাইনাল ম্যাচে নেপালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শিরোপা জয়ের উল্লাসে বাংলাদেশ

print news -

কতগুলো বছর এমন একটা দিনের জন্য অপেক্ষা করেছে বাংলাদেশের ফুটবল ভক্তরা? সেই ২০০৩ সালের পর আর শিরোপা জয়ের উল্লাস করতে পারেনি ফুটবল অনুরাগীরা। তবে দীর্ঘ ১৯ বছর পর সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত এনে দিয়েছে এক ঝাঁক দামাল কিশোরী-তরুণী। যাদের বদৌলতে বাংলাদেশ এখন দক্ষিণ এশিয়ার সেরা দল।

শক্তিশালী ভারত, কিংবা স্বাগতিক নেপালকে হারিয়ে নিজেদের সম্মিলিত শক্তি আর দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করার মানসিকতা দেখিয়ে এবারের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ। দশোরথ স্টেডিয়ামে ফাইনাল ম্যাচে নেপালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শিরোপা জয়ের উল্লাসে মাতে সাবিনা খাতুনের দল।

বাংলাদেশের ফাইনালের জয়ের নায়ক কৃষ্ণা রাণী সরকার। তার জোড়া গোলে বাংলাদেশ নেপালকে বধ করে। বাকি একটি গোল আসে বদলী হিসেবে নামা শামসুন্নাহারের পা থেকে।

ফাইনাল ম্যাচ শুরুর ১৪ মিনিটে শামসুন্নাহার জুনিয়র দুর্দান্ত গোল করেন। মনিকা চাকমার ক্রস থেকে শামসুন্নাহার বাংলাদেশকে লিড এনে দেন। নেপালের জালে বাংলাদেশ দ্বিতীয় গোল জড়ায় ৪২ মিনিটে। মিডফিল্ড থেকে পাওয়া বল কাঙ্ক্ষিত স্থানে পৌঁছে দিয়ে উল্লাসে মাতেন কৃষ্ণা রাণী সরকার। ২-০ গোলের লিডে বিরতি যায় দু’দল।

বিরতি থেকে ফিরে নেপালি মেয়েরাসমতা আনার সর্বাত্মক চেষ্টা করে। বিশেষ করে ৩০-৪০ মিনিট তারা বেশ কয়েকটি সংঘবদ্ধ আক্রমণ করে। বাংলাদেশের গোলরক্ষক রুপনা চাকমা দু’টি দারুণ সেভ করেছেন। দ্বিতীয়ার্ধে স্বাগতিক নেপাল অত্যন্ত চাপে রাখে বাংলাদেশকে। সেই চাপের ধারাবাহিকতায় ৭০ মিনিটে আনিতা বেসন্ত নেপালকে গোল করে ম্যাচে ফেরান।

নেপাল আরও এক গোল দিয়ে সমতা আনার চেষ্টা করছিল। তবে ৭৭ মিনিটে কৃষ্ণা রাণীর দ্বিতীয় গোলে জয়ের সুবাস পায় বাংলাদেশ। কৃষ্ণার এই গোলের পর কোচ ছোটনের চিন্তার ভাঁজ কিছুটা কমে। শেষ বাঁশি বাজতেই সেই ভাঁজ উবে গিয়ে মুখের হাসি চওড়া হয়, হাত উঁচিয়ে আকাশ ছুঁতে চান। আর জানান দেন পেরেছি, আমি পেরেছি। তোমাদের চ্যাম্পিয়ন বানাতে পেরেছি।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের ৩৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

ফাইনাল ম্যাচে নেপালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শিরোপা জয়ের উল্লাসে বাংলাদেশ

প্রকাশিত হয়েছেঃ ০৪:২২:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২২
print news -

কতগুলো বছর এমন একটা দিনের জন্য অপেক্ষা করেছে বাংলাদেশের ফুটবল ভক্তরা? সেই ২০০৩ সালের পর আর শিরোপা জয়ের উল্লাস করতে পারেনি ফুটবল অনুরাগীরা। তবে দীর্ঘ ১৯ বছর পর সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত এনে দিয়েছে এক ঝাঁক দামাল কিশোরী-তরুণী। যাদের বদৌলতে বাংলাদেশ এখন দক্ষিণ এশিয়ার সেরা দল।

শক্তিশালী ভারত, কিংবা স্বাগতিক নেপালকে হারিয়ে নিজেদের সম্মিলিত শক্তি আর দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করার মানসিকতা দেখিয়ে এবারের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ। দশোরথ স্টেডিয়ামে ফাইনাল ম্যাচে নেপালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শিরোপা জয়ের উল্লাসে মাতে সাবিনা খাতুনের দল।

বাংলাদেশের ফাইনালের জয়ের নায়ক কৃষ্ণা রাণী সরকার। তার জোড়া গোলে বাংলাদেশ নেপালকে বধ করে। বাকি একটি গোল আসে বদলী হিসেবে নামা শামসুন্নাহারের পা থেকে।

ফাইনাল ম্যাচ শুরুর ১৪ মিনিটে শামসুন্নাহার জুনিয়র দুর্দান্ত গোল করেন। মনিকা চাকমার ক্রস থেকে শামসুন্নাহার বাংলাদেশকে লিড এনে দেন। নেপালের জালে বাংলাদেশ দ্বিতীয় গোল জড়ায় ৪২ মিনিটে। মিডফিল্ড থেকে পাওয়া বল কাঙ্ক্ষিত স্থানে পৌঁছে দিয়ে উল্লাসে মাতেন কৃষ্ণা রাণী সরকার। ২-০ গোলের লিডে বিরতি যায় দু’দল।

বিরতি থেকে ফিরে নেপালি মেয়েরাসমতা আনার সর্বাত্মক চেষ্টা করে। বিশেষ করে ৩০-৪০ মিনিট তারা বেশ কয়েকটি সংঘবদ্ধ আক্রমণ করে। বাংলাদেশের গোলরক্ষক রুপনা চাকমা দু’টি দারুণ সেভ করেছেন। দ্বিতীয়ার্ধে স্বাগতিক নেপাল অত্যন্ত চাপে রাখে বাংলাদেশকে। সেই চাপের ধারাবাহিকতায় ৭০ মিনিটে আনিতা বেসন্ত নেপালকে গোল করে ম্যাচে ফেরান।

নেপাল আরও এক গোল দিয়ে সমতা আনার চেষ্টা করছিল। তবে ৭৭ মিনিটে কৃষ্ণা রাণীর দ্বিতীয় গোলে জয়ের সুবাস পায় বাংলাদেশ। কৃষ্ণার এই গোলের পর কোচ ছোটনের চিন্তার ভাঁজ কিছুটা কমে। শেষ বাঁশি বাজতেই সেই ভাঁজ উবে গিয়ে মুখের হাসি চওড়া হয়, হাত উঁচিয়ে আকাশ ছুঁতে চান। আর জানান দেন পেরেছি, আমি পেরেছি। তোমাদের চ্যাম্পিয়ন বানাতে পেরেছি।