০৫:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ৫ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
নৈশপ্রহরীকে হত্যা করে দুটি স্বর্ণের দোকানে ডাকাতি

নৈশপ্রহরীকে হত্যা করে দুটি স্বর্ণের দোকানে ডাকাতি: ৭ ডাকাত গ্রেফ*তা*র

print news -

নিউজ ডেস্ক:  নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার চাপরাশিরহাট বাজারে নৈশপ্রহরীকে হত্যা করে দুটি স্বর্ণের দোকানে ডাকাতির ঘটনায় ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৬০ ভরি স্বর্ণ, ১৬০ ভরি রুপা ও স্বর্ণালংকার বিক্রির ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছে। আসামিদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও দুই রাউন্ড কার্তুজ।

সোমবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন, জেলা পুলিশ সুপার মো. শহিদুল ইসলাম। এর আগে, রবিবার বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন ডাকাতির মূল হোতা নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার জগজীবনপুর গ্রামের মৃত আব্দুর রহিমের ছেলে মো. শাহাদাত হোসেন, বজরা গ্রামের মো. সোলায়মানের ছেলে মো. সাদ্দাম হোসেন জিতু, চৌমুহনী পৌরসভার করিমপুর গ্রামের মৃত অলি উল্যাহর ছেলে সালা উদ্দিন, কবিরহাট উপজেলার জৈনদপুর গ্রামের মৃত মো. শহীদের ছেলে মো. মিজানুর রহমান রনি, লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর উপজেলার চরপাগলা গ্রামের মৃত শহীদুল্লাহর ছেলে মো. নোমান, পশ্চিম চরমার্টিন গ্রামের মো. মোরশেদের ছেলে মো. সুজন হোসেন ও কৃষ্ণপুর গ্রামের সুভাষ চন্দ্র সরকারের ছেলে কৃষ্ণ কমল সরকার।

পুলিশ সুপার জানান, দীর্ঘদিন পরিকল্পনার পর গত ৭ ডিসেম্বর ডাকাতরা রেকি করে এবং ৮ ডিসেম্বর ভোরে ডাকাতি সংগঠিত করে। পুলিশ খুব অল্প সময়ের মধ্যে ডাকাতির মূল হোতাসহ ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে। বেশ কিছু মালামালও জব্দ করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতি, খুন, গরু চুরিসহ নানা অপরাধের মামলা রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে যুক্ত অপর ডাকাতদেরও গ্রেফতারে অভিযান চলমান রয়েছে বলে জানান পুলিশ সুপার।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

বন্যা পরিস্থিতির অবনতি সিলেট, সুনামগঞ্জ ও কুড়িগ্রাম

নৈশপ্রহরীকে হত্যা করে দুটি স্বর্ণের দোকানে ডাকাতি

নৈশপ্রহরীকে হত্যা করে দুটি স্বর্ণের দোকানে ডাকাতি: ৭ ডাকাত গ্রেফ*তা*র

প্রকাশিত হয়েছেঃ ০৩:০৭:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৩
print news -

নিউজ ডেস্ক:  নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার চাপরাশিরহাট বাজারে নৈশপ্রহরীকে হত্যা করে দুটি স্বর্ণের দোকানে ডাকাতির ঘটনায় ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৬০ ভরি স্বর্ণ, ১৬০ ভরি রুপা ও স্বর্ণালংকার বিক্রির ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছে। আসামিদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও দুই রাউন্ড কার্তুজ।

সোমবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন, জেলা পুলিশ সুপার মো. শহিদুল ইসলাম। এর আগে, রবিবার বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন ডাকাতির মূল হোতা নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার জগজীবনপুর গ্রামের মৃত আব্দুর রহিমের ছেলে মো. শাহাদাত হোসেন, বজরা গ্রামের মো. সোলায়মানের ছেলে মো. সাদ্দাম হোসেন জিতু, চৌমুহনী পৌরসভার করিমপুর গ্রামের মৃত অলি উল্যাহর ছেলে সালা উদ্দিন, কবিরহাট উপজেলার জৈনদপুর গ্রামের মৃত মো. শহীদের ছেলে মো. মিজানুর রহমান রনি, লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর উপজেলার চরপাগলা গ্রামের মৃত শহীদুল্লাহর ছেলে মো. নোমান, পশ্চিম চরমার্টিন গ্রামের মো. মোরশেদের ছেলে মো. সুজন হোসেন ও কৃষ্ণপুর গ্রামের সুভাষ চন্দ্র সরকারের ছেলে কৃষ্ণ কমল সরকার।

পুলিশ সুপার জানান, দীর্ঘদিন পরিকল্পনার পর গত ৭ ডিসেম্বর ডাকাতরা রেকি করে এবং ৮ ডিসেম্বর ভোরে ডাকাতি সংগঠিত করে। পুলিশ খুব অল্প সময়ের মধ্যে ডাকাতির মূল হোতাসহ ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে। বেশ কিছু মালামালও জব্দ করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতি, খুন, গরু চুরিসহ নানা অপরাধের মামলা রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে যুক্ত অপর ডাকাতদেরও গ্রেফতারে অভিযান চলমান রয়েছে বলে জানান পুলিশ সুপার।