০৪:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ৫ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নেপাল কে হারিয়ে শু রু বাংলাদেশে র

print news -

খেলা ডেস্ক:  অনুর্ধ্ব-১৯ সাফে আগের ম্যাচে ভুটানকে নিয়ে ছেলেখেলা করেছে ভারত, জিতেছে ১০-০ গোলে। তবে প্রতিপক্ষ বিবেচনায় সন্ধ্যার ম্যাচে নেপালকে ৩-১ গোলে হারানোও কম বড় জয় নয় বাংলাদেশের মেয়েদের জন্য।

গতবার অনুর্ধ্ব-২০ সাফে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথে একইরকম শুরু ছিল বাংলাদেশের। ৩-১ গোলেই জয় ছিল নেপালের বিপক্ষে, ভারতও ১২-০ তে জেতে ভুটানের বিপক্ষে।

শেষ পর্যন্ত সেই নেপালকেই ফাইনালে পায় বাংলাদেশ এবং জেতে ৩-০ তে। এবার প্রথম ম্যাচে সেই প্রত্যয়ই থাকলো সাগরিকাদের পায়ে। বাংলাদেশ দলের এই ফরোয়ার্ড এদিন জোড়া গোল করেছেন। বাংলাদেশ ২-০ তে এগিয়ে যাওয়ার পর নেপাল ব্যবধান কমিয়েছিল।
কিন্তু সাগরিকাই পরে ৩-১ করে ম্যাচ জিতিয়েছেন।কমলাপুর স্টেডিয়ামে এদিন চার চারটা সুযোগ তৈরীর পর গোলের অপেক্ষা ফুরায় বাংলাদেশের ৪০ মিনিটে। নেপালী গোলরক্ষকের দূর্বল শট তাদের অর্ধ থেকেই হেডে বক্সে পাঠিয়েছিলেন স্বপ্না রানী, সেই বলই ভলিতে জালে জড়ান সাগরিকা। দুই মিনিট পর দ্বিতীয় গোলটাও পায় বাংলাদেশ।

এবার ইতি খাতুনের ক্রস বক্সের ভেতর, নেপালী গোলরক্ষক জায়গামতো না থাকায় সুযোগটা কাজে লাগান মুনকি আক্তার। প্রথমার্ধেরই যোগ করা সময়ে সেটি ৩-০ হয়ে যেতে পারতো, আফিদা পেনাল্টি মিস না করলে। সাগরিকাকে বক্সে ঢোকার মুখে ফেলে দিয়েছিলেন নেপালী ডিফেন্ডার। কিন্তু পেনাল্টি কিক পোস্টে লাগিয়েছেন আফিদা। 

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে নেপালই উল্টো ব্যবধান কমায়।

মাঝমাঠ থেকে লং বল পেয়ে বাংলাদেশের গোলরক্ষকের হাতের সামনে থেকে ভলিতে বল জালে জড়ান সুকরিয়া মিয়া। তবে নেপালীদের ম্যাচে ফেরার সম্ভাবনায় জল ঢেলে এর মিনিট তিনেক পরই সাগরিকা আবার ব্যবধান বাড়িয়ে নেন ৩-১ এ।
সুত্র: কালের কন্ঠ 
 

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

বন্যা পরিস্থিতির অবনতি সিলেট, সুনামগঞ্জ ও কুড়িগ্রাম

নেপাল কে হারিয়ে শু রু বাংলাদেশে র

প্রকাশিত হয়েছেঃ ০৪:৪৭:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
print news -

খেলা ডেস্ক:  অনুর্ধ্ব-১৯ সাফে আগের ম্যাচে ভুটানকে নিয়ে ছেলেখেলা করেছে ভারত, জিতেছে ১০-০ গোলে। তবে প্রতিপক্ষ বিবেচনায় সন্ধ্যার ম্যাচে নেপালকে ৩-১ গোলে হারানোও কম বড় জয় নয় বাংলাদেশের মেয়েদের জন্য।

গতবার অনুর্ধ্ব-২০ সাফে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথে একইরকম শুরু ছিল বাংলাদেশের। ৩-১ গোলেই জয় ছিল নেপালের বিপক্ষে, ভারতও ১২-০ তে জেতে ভুটানের বিপক্ষে।

শেষ পর্যন্ত সেই নেপালকেই ফাইনালে পায় বাংলাদেশ এবং জেতে ৩-০ তে। এবার প্রথম ম্যাচে সেই প্রত্যয়ই থাকলো সাগরিকাদের পায়ে। বাংলাদেশ দলের এই ফরোয়ার্ড এদিন জোড়া গোল করেছেন। বাংলাদেশ ২-০ তে এগিয়ে যাওয়ার পর নেপাল ব্যবধান কমিয়েছিল।
কিন্তু সাগরিকাই পরে ৩-১ করে ম্যাচ জিতিয়েছেন।কমলাপুর স্টেডিয়ামে এদিন চার চারটা সুযোগ তৈরীর পর গোলের অপেক্ষা ফুরায় বাংলাদেশের ৪০ মিনিটে। নেপালী গোলরক্ষকের দূর্বল শট তাদের অর্ধ থেকেই হেডে বক্সে পাঠিয়েছিলেন স্বপ্না রানী, সেই বলই ভলিতে জালে জড়ান সাগরিকা। দুই মিনিট পর দ্বিতীয় গোলটাও পায় বাংলাদেশ।

এবার ইতি খাতুনের ক্রস বক্সের ভেতর, নেপালী গোলরক্ষক জায়গামতো না থাকায় সুযোগটা কাজে লাগান মুনকি আক্তার। প্রথমার্ধেরই যোগ করা সময়ে সেটি ৩-০ হয়ে যেতে পারতো, আফিদা পেনাল্টি মিস না করলে। সাগরিকাকে বক্সে ঢোকার মুখে ফেলে দিয়েছিলেন নেপালী ডিফেন্ডার। কিন্তু পেনাল্টি কিক পোস্টে লাগিয়েছেন আফিদা। 

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে নেপালই উল্টো ব্যবধান কমায়।

মাঝমাঠ থেকে লং বল পেয়ে বাংলাদেশের গোলরক্ষকের হাতের সামনে থেকে ভলিতে বল জালে জড়ান সুকরিয়া মিয়া। তবে নেপালীদের ম্যাচে ফেরার সম্ভাবনায় জল ঢেলে এর মিনিট তিনেক পরই সাগরিকা আবার ব্যবধান বাড়িয়ে নেন ৩-১ এ।
সুত্র: কালের কন্ঠ