০৩:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জনপ্রতিনিধিকে নিয়ে বিশেষ বর্ধিত সভা

print news -

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে মাঠ পর্যায়ের প্রায় তিন হাজার নেতা এবং জনপ্রতিনিধিকে নিয়ে বিশেষ বর্ধিত সভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে এগিয়ে নিতে আওয়ামী লীগকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেছেন, জনগণই ভোটের মালিক, আওয়ামী লীগকে ভোট দিলেই উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা নিয়ে চলতে পারবে এদেশের মানুষ।

রোববার (৮ আগষ্ট) প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনের আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভার এ কথা বলেন দলের সভাপতি শেখ হাসিনা।  দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে মাঠ পর্যায়ের প্রায় তিন হাজার নেতা এবং জনপ্রতিনিধিকে নিয়ে এই বিশেষ বর্ধিত সভায় বসেছেন তিনি।

আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটি, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, জেলা, মহানগর, উপজেলা, থানা ও পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকরা সভায় যোগ দিয়েছেন।

এছাড়া জাতীয় সংসদের দলীয় সংসদ সদস্য, জেলা পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের দলীয় চেয়ারম্যান, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার দলীয় মেয়র এবং সহযোগী সংগঠনগুলোর কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরাও উপস্থিত রয়েছেন।

এই সভায় যোগ দিতে সকাল ৯টা থেকেই তৃণমূলের নেতাকর্মীদের গণভবনে প্রবেশ করতে দেখা যায়। সকাল সাড়ে ১০টার পর সভামঞ্চে আসেন শেখ হাসিনা।  জেলা উপজেলা থেকে আসা নেতাকর্মীরা উদ্দেশে তিনি বলেন, “আপনাদের পদচারণায় গণভবন প্রাঙ্গণ আজ ধন্য। অনেকদিন পর আপনাদের সঙ্গে কথা বলার একটা সুযোগ হল।

বিএনপির ‘দুর্নীতি ও দুঃশাসনের ফলে’ এদেশে সামরিক শাসন জারি হয়েছিল মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, “জনগণের ভোটের অধিকার সুরক্ষিত করতে আওয়ামী লীগই সংগ্রাম করেছে।”

তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগের কোনো প্রভু নেই। আমাদের কোনো প্রভু নেই। জনগণই আমাদের প্রভু। জনগণের কাছেই আমরা দায়বদ্ধ।  বাংলাদেশের জনগণ কী চায় বাংলাদেশ এগিয়ে যাক? বাংলাদেশের জনগণই ভোটের মালিক। তারা যদি চায় বাংলাদেশ এগিয়ে যাক, তাহলে আওয়ামী লীগকে নৌকা মার্কায় ভোট দিতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে ২০২৬ সালে যাত্রা শুরু করবে বাংলাদেশ। জনগণ চাইলে দেশ এগিয়ে যাবে। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে দেশকে এগিয়ে নিতে আওয়ামী লীগকে ভোট দিতে হবে। স্বাধীনতার পরে একটি ‘চক্রান্ত’ শুরু হয়েছিল মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, “সেই চক্রান্তে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ও জনপ্রতিনিধিদের হত্যা করা হয়। ২১ বছর আমাদের শুধু আহতদের চিকিৎসা ও লাশ টানতে হয়েছে।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, “সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে। মানসিক শক্তিই আওয়ামী লীগের শক্তি। শত সংগ্রামে অজস্র গৌরবে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে’ শীর্ষক এই বিশেষ বর্ধিত সভা সঞ্চালনা করেন দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ ও উপ-প্রচার সম্পাদক আবদুল আউয়াল শামীম।

স্বাগত বক্তব্যে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, আবার আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা হুমকির মুখে। বিশ্ব সংকটের মধ্যেও একজন শেখ হাসিনা মোকাবিলা করে যাচ্ছেন। এখন বাংলাদেশ পৃথিবীর অনেক দেশ থেকে অনেক ভালো আছে। কিছু দুঃখ আছে। দ্রব্যমূল্য বাড়ছে। আমরা কষ্ট পাচ্ছি। বড় বড় দেশগুলোর জন্য দ্রব্যমূল্য বাড়ছে।

কাদেরের ভাষ্য, সংকট ও ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে এগিয়ে যাচ্ছেন শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা মাথা নত করতে জানেন না। শেখ হাসিনা দেখিয়েছেন আমরাই পারি। উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ এখন বিশ্বের রোল মডেল’ মন্তব্য করে কাদের বলেন, “নিজ দেশের টাকায় পদ্মাসেতু করে শেখ হাসিনা দেখিয়েছেন ইয়েস আমরাই পারি। উপস্থিত নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এই দেশ নিয়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। তবু আমরা এই দেশকে পাকিস্তানের বন্ধুদের হাতে তুলে দেব না, আপনারা প্রস্তুত হোন।

জনপ্রিয় সংবাদ

আনোয়ারুল আজীমকে খুন করতে ৫ কোটি টাকার চুক্তি

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জনপ্রতিনিধিকে নিয়ে বিশেষ বর্ধিত সভা

প্রকাশিত হয়েছেঃ ০১:৩০:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ অগাস্ট ২০২৩
print news -

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে মাঠ পর্যায়ের প্রায় তিন হাজার নেতা এবং জনপ্রতিনিধিকে নিয়ে বিশেষ বর্ধিত সভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে এগিয়ে নিতে আওয়ামী লীগকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেছেন, জনগণই ভোটের মালিক, আওয়ামী লীগকে ভোট দিলেই উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা নিয়ে চলতে পারবে এদেশের মানুষ।

রোববার (৮ আগষ্ট) প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনের আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভার এ কথা বলেন দলের সভাপতি শেখ হাসিনা।  দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে মাঠ পর্যায়ের প্রায় তিন হাজার নেতা এবং জনপ্রতিনিধিকে নিয়ে এই বিশেষ বর্ধিত সভায় বসেছেন তিনি।

আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটি, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, জেলা, মহানগর, উপজেলা, থানা ও পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকরা সভায় যোগ দিয়েছেন।

এছাড়া জাতীয় সংসদের দলীয় সংসদ সদস্য, জেলা পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের দলীয় চেয়ারম্যান, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার দলীয় মেয়র এবং সহযোগী সংগঠনগুলোর কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরাও উপস্থিত রয়েছেন।

এই সভায় যোগ দিতে সকাল ৯টা থেকেই তৃণমূলের নেতাকর্মীদের গণভবনে প্রবেশ করতে দেখা যায়। সকাল সাড়ে ১০টার পর সভামঞ্চে আসেন শেখ হাসিনা।  জেলা উপজেলা থেকে আসা নেতাকর্মীরা উদ্দেশে তিনি বলেন, “আপনাদের পদচারণায় গণভবন প্রাঙ্গণ আজ ধন্য। অনেকদিন পর আপনাদের সঙ্গে কথা বলার একটা সুযোগ হল।

বিএনপির ‘দুর্নীতি ও দুঃশাসনের ফলে’ এদেশে সামরিক শাসন জারি হয়েছিল মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, “জনগণের ভোটের অধিকার সুরক্ষিত করতে আওয়ামী লীগই সংগ্রাম করেছে।”

তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগের কোনো প্রভু নেই। আমাদের কোনো প্রভু নেই। জনগণই আমাদের প্রভু। জনগণের কাছেই আমরা দায়বদ্ধ।  বাংলাদেশের জনগণ কী চায় বাংলাদেশ এগিয়ে যাক? বাংলাদেশের জনগণই ভোটের মালিক। তারা যদি চায় বাংলাদেশ এগিয়ে যাক, তাহলে আওয়ামী লীগকে নৌকা মার্কায় ভোট দিতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে ২০২৬ সালে যাত্রা শুরু করবে বাংলাদেশ। জনগণ চাইলে দেশ এগিয়ে যাবে। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে দেশকে এগিয়ে নিতে আওয়ামী লীগকে ভোট দিতে হবে। স্বাধীনতার পরে একটি ‘চক্রান্ত’ শুরু হয়েছিল মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, “সেই চক্রান্তে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ও জনপ্রতিনিধিদের হত্যা করা হয়। ২১ বছর আমাদের শুধু আহতদের চিকিৎসা ও লাশ টানতে হয়েছে।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, “সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে। মানসিক শক্তিই আওয়ামী লীগের শক্তি। শত সংগ্রামে অজস্র গৌরবে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে’ শীর্ষক এই বিশেষ বর্ধিত সভা সঞ্চালনা করেন দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ ও উপ-প্রচার সম্পাদক আবদুল আউয়াল শামীম।

স্বাগত বক্তব্যে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, আবার আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা হুমকির মুখে। বিশ্ব সংকটের মধ্যেও একজন শেখ হাসিনা মোকাবিলা করে যাচ্ছেন। এখন বাংলাদেশ পৃথিবীর অনেক দেশ থেকে অনেক ভালো আছে। কিছু দুঃখ আছে। দ্রব্যমূল্য বাড়ছে। আমরা কষ্ট পাচ্ছি। বড় বড় দেশগুলোর জন্য দ্রব্যমূল্য বাড়ছে।

কাদেরের ভাষ্য, সংকট ও ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে এগিয়ে যাচ্ছেন শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা মাথা নত করতে জানেন না। শেখ হাসিনা দেখিয়েছেন আমরাই পারি। উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ এখন বিশ্বের রোল মডেল’ মন্তব্য করে কাদের বলেন, “নিজ দেশের টাকায় পদ্মাসেতু করে শেখ হাসিনা দেখিয়েছেন ইয়েস আমরাই পারি। উপস্থিত নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এই দেশ নিয়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। তবু আমরা এই দেশকে পাকিস্তানের বন্ধুদের হাতে তুলে দেব না, আপনারা প্রস্তুত হোন।