ঢাকামঙ্গলবার , ২৯শে নভেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. এক্সক্লুসিভ
  5. কৃষি ও প্রকৃতি
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলা
  8. গণমাধ্যম
  9. জবস
  10. জাতীয়
  11. জোকস
  12. টপ নিউজ
  13. তথ্যপ্রযুক্তি
  14. ধর্ম
  15. প্রবাস

তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসানের পদত্যাগপত্র গৃহীত, প্রজ্ঞাপন জারি

পঞ্চবাণী অনলাইন ডেস্ক
আপডেট : ডিসেম্বর ৮, ২০২১
Link Copied!

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসানের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। আজ মঙ্গলবার রাতে বঙ্গভবনের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। পরে রাতেই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
এর আগে আজ দুপুরের পর মুরাদ হাসানের পক্ষে তাঁর পদত্যাগপত্রটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে দিয়ে আসেন তথ্য প্রতিমন্ত্রীর জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন। পরে সেটি সারসংক্ষেপ আকারে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পাঠায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এরপর সেটি যায় বঙ্গভবনে।

অশালীন, শিষ্টাচারবহির্ভূত ও নারীর প্রতি চরম অবমাননাকর বক্তব্য দেওয়ায় গতকাল সোমবার মুরাদ হাসানকে আজকের মধ্যে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনার কথা জানিয়েছিলেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
জানা গেছে, নিজের বক্তব্য নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়ার মুখে মুরাদ হাসান গতকাল চট্টগ্রামে চলে যান। সেখান থেকেই তিনি তাঁর দপ্তরের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে আজ সকালে পদত্যাগপত্র তৈরি করেন। পরে সেটি সই করে ই-মেইলে তাঁর দপ্তরের কর্মকর্তাদের কাছে পাঠান। কিন্তু ওই পদত্যাগপত্রে তিনি তথ্য প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব প্রদানের তারিখ ২০২১ সালের ১৯ মে উল্লেখ করেন। পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করা তারিখটি ঠিক থাকলেও সালটি ভুল। তথ্য প্রতিমন্ত্রীকে আসলে ২০১৯ সালের ১৯ মে দায়িত্ব প্রদান করা হয়। পরে অবশ্য সেটি সংশোধন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে জমা দেওয়া হয়। প্রতিমন্ত্রী ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের ইচ্ছার কথা জানান পদত্যাগপত্রে।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে সরিয়ে ২০১৯ সালের মে মাসে মুরাদ হাসানকে তথ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। মুরাদ হাসান জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী উপজেলা) আসনের সাংসদ। তিনি জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যাবিষয়ক সম্পাদক। তবে তিনি দলীয় এই পদও হারাচ্ছেন। জেলা আওয়ামী লীগ তাঁকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কাছে সুপারিশ করেছে।
সরকারি সূত্রগুলো বলছে, বিতর্কিত বক্তব্য দিয়ে পদ হারানো সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর মতো মুরাদ হাসান সংসদ সদস্যের পদও হারাতে পারেন।

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নাতনি জাইমা রহমানকে নিয়ে প্রতিমন্ত্রীর করা অশ্লীল মন্তব্য ঘিরে কয়েক দিন ধরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনা হচ্ছিল। এর মধ্যেই ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রতিমন্ত্রীর ফোনালাপের একটি অডিও ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে এক চিত্রনায়িকার সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করেন। একই সঙ্গে তাঁকে হুমকিও দেন। এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের নিয়েও তিনি আপত্তিকর বক্তব্য দেন বলে অভিযোগ ওঠে। এসব নিয়ে বিভিন্ন মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। এরপরই তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল পঞ্চবানী.কম এ  লিখতে পারেন আপনিও। খবর, ফিচার, ভ্রমন, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি, খেলা-ধুলা। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন   newsdeskpb@gmail.com   ঠিকানায়।