০৫:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ঝিনাইদহে কৃষক চান্নু মিয়া হত্যা মামলায় ২৩ জনকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত

print news -

পঞ্চবানী ডেক্স:

ঝিনাইদহে কৃষক চান্নু মিয়া হত্যা মামলায় ২৩ জনকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তাদের মধ্যে একজনকে আমৃত্যু, পাঁচজনকে যাবজ্জীবন ও ১৭ জনকে এক বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

জেলার অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক শওকত হোসাইন মঙ্গলবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এ দণ্ডাদেশ দেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৭ সালের ৮ এপ্রিল সদর উপজেলার করিমপুর গ্রামে পূর্বশত্রুতার জেরে কৃষক চান্নু মিয়াকে কুপিয়ে হত্যা করেন আসামিরা।

এ ঘটনায় পরদিন নিহতের বাবা শাহাদাত হোসেন ৩০ জনকে আসামি করে সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে ওই বছরের ৩০ জুন ৩০ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত মামলার আসামি বজলু মিয়াকে আমৃত্যু, তফসের আলী, আবদুল জলিল, তিতু, ইকতিয়ার ও আবদুল আলিমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।

এ মামলায় আরও ১৭ জনকে ১ বছর করে কারাদণ্ডাদেশ দেয়া হয়।

অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তিনজনকে খালাস দেয় আদালত। মামলা চলাকালে মারা যাওয়ায় চারজনকে মামলা থেকে অব্যহতি দেয়া হয়েছে।

আসামি পক্ষের আইনজীবী এ্যাড. নেকবার হোসেন বলেন, আমরা ন্যায় বিচার পায়নি। আমার উচ্চ আদালতে আপিল করবো।

রাষ্টপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি এ্যাড. আব্দুল খালেক বলেন, আমরা এ হত্যার মামলা আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। আমরা আরও কঠোর শাস্তি আশা করেছিলাম। কিন্তু আদালত যা রায় দিয়েছেন তাতেও আমরা সন্তুষ্ট।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

বন্যা পরিস্থিতির অবনতি সিলেট, সুনামগঞ্জ ও কুড়িগ্রাম

ঝিনাইদহে কৃষক চান্নু মিয়া হত্যা মামলায় ২৩ জনকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত

প্রকাশিত হয়েছেঃ ০৩:৫৩:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২২
print news -

পঞ্চবানী ডেক্স:

ঝিনাইদহে কৃষক চান্নু মিয়া হত্যা মামলায় ২৩ জনকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তাদের মধ্যে একজনকে আমৃত্যু, পাঁচজনকে যাবজ্জীবন ও ১৭ জনকে এক বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

জেলার অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক শওকত হোসাইন মঙ্গলবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এ দণ্ডাদেশ দেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৭ সালের ৮ এপ্রিল সদর উপজেলার করিমপুর গ্রামে পূর্বশত্রুতার জেরে কৃষক চান্নু মিয়াকে কুপিয়ে হত্যা করেন আসামিরা।

এ ঘটনায় পরদিন নিহতের বাবা শাহাদাত হোসেন ৩০ জনকে আসামি করে সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে ওই বছরের ৩০ জুন ৩০ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত মামলার আসামি বজলু মিয়াকে আমৃত্যু, তফসের আলী, আবদুল জলিল, তিতু, ইকতিয়ার ও আবদুল আলিমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।

এ মামলায় আরও ১৭ জনকে ১ বছর করে কারাদণ্ডাদেশ দেয়া হয়।

অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তিনজনকে খালাস দেয় আদালত। মামলা চলাকালে মারা যাওয়ায় চারজনকে মামলা থেকে অব্যহতি দেয়া হয়েছে।

আসামি পক্ষের আইনজীবী এ্যাড. নেকবার হোসেন বলেন, আমরা ন্যায় বিচার পায়নি। আমার উচ্চ আদালতে আপিল করবো।

রাষ্টপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি এ্যাড. আব্দুল খালেক বলেন, আমরা এ হত্যার মামলা আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। আমরা আরও কঠোর শাস্তি আশা করেছিলাম। কিন্তু আদালত যা রায় দিয়েছেন তাতেও আমরা সন্তুষ্ট।