০৫:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ সন্ত্রাসী হামলা ও হাসপাতাল ভাংচুরের প্রতিবাদ 

print news -

বাংলাদেশ মেডিক্যাল এসোসিয়েশন (বিএমএ)’র সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন এবং মহাসচিব ডা. মোঃ ইহতেশামুল হক চৌধুরী নিম্নলিখিত বিবৃতি প্রদান করেন।জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত রোগীর মৃত্যুর ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সিলেটের মৈস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর অনাকাংখিত হামলা, ভাঙচুর ও অ্যাম্বুলেন্সসহ সরকারি সম্পত্তিতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় বাংলাদেশ মেডিক্যাল এসোসিয়েশন তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করছে।

সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামলা ও ভাংচুর

উল্লেখ্য বিগত ১৯-০১-২০২৪ খ্রিঃ তারিখ মধ্যরাতে সিলেট-তামাবিল সড়কের জৈন্তাপুরে প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডোবার পড়ে গেলে স্থানীয় লোকজন প্রাইভেটকারটির চার আরোহীকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে নিকটস্থ জৈন্তাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যান। জৈন্তাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক দুর্ঘটনায় আহতদের পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন। তাদের চিকিৎসা ঠিকমতো হয়নি অভিযোগ তুলে হাসপাতাল কমপ্লেক্স, জরুরী চিকিৎসা কক্ষ, চিকিৎসক কোয়ার্টার, নার্সিং কোয়ার্টার, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে উপস্থিত জনতা নামধারী একদল সন্ত্রাসী। এ সময় হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স ভাঙচুর ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার (ইউএইচএফপিও) গাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয় ।

বাংলাদেশ মেডিক্যাল এসোসিয়েশন সরকারি চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করা, ডিউটিকালীন সময়ে সরকারি কাজে বাধা প্রদান ও হাসপাতালে ত্রাসের সৃষ্টি করে অন্যান্য রোগীদের মাঝে আতংক তৈরী করার ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান ও দেশের সকল চিকিৎসকের জন্য নিরাপদ কর্মস্থল নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিকট জোর দাবী জানাচ্ছে। কর্মক্ষেত্রে চিকিৎসক নিপিড়ন ও চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুরের ঘটনারোধে “স্বাস্থ্য সেবা ও সুরক্ষা আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন সময়ের দাবী হলেও প্রশাসনিক আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় তা হচ্ছে না। এসকল অনাকাংখিত ও অনভিপ্রেত ঘটনা ক্রমঅগ্রসরমান দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে মারাত্মক হুমকিতে ফেলে দিচ্ছে। উক্ত ঘটনার দ্রুত তদন্ত ও দোষীদের শাস্তি প্রদান এবং চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইউএইচএন্ডএফপিও ফোরাম কর্তৃক এযাবৎ গৃহীত সকল কর্মসূচীর প্রতি বাংলাদেশ মেডিক্যাল এসোসিয়েশন একাত্মতা প্রকাশ করছে।প্রেস বিজ্ঞপ্তি

জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ সন্ত্রাসী হামলা ও হাসপাতাল ভাংচুরের প্রতিবাদ 

প্রকাশিত হয়েছেঃ ০১:০২:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৪
print news -

বাংলাদেশ মেডিক্যাল এসোসিয়েশন (বিএমএ)’র সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন এবং মহাসচিব ডা. মোঃ ইহতেশামুল হক চৌধুরী নিম্নলিখিত বিবৃতি প্রদান করেন।জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত রোগীর মৃত্যুর ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সিলেটের মৈস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর অনাকাংখিত হামলা, ভাঙচুর ও অ্যাম্বুলেন্সসহ সরকারি সম্পত্তিতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় বাংলাদেশ মেডিক্যাল এসোসিয়েশন তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করছে।

সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামলা ও ভাংচুর

উল্লেখ্য বিগত ১৯-০১-২০২৪ খ্রিঃ তারিখ মধ্যরাতে সিলেট-তামাবিল সড়কের জৈন্তাপুরে প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডোবার পড়ে গেলে স্থানীয় লোকজন প্রাইভেটকারটির চার আরোহীকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে নিকটস্থ জৈন্তাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যান। জৈন্তাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক দুর্ঘটনায় আহতদের পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন। তাদের চিকিৎসা ঠিকমতো হয়নি অভিযোগ তুলে হাসপাতাল কমপ্লেক্স, জরুরী চিকিৎসা কক্ষ, চিকিৎসক কোয়ার্টার, নার্সিং কোয়ার্টার, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে উপস্থিত জনতা নামধারী একদল সন্ত্রাসী। এ সময় হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স ভাঙচুর ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার (ইউএইচএফপিও) গাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয় ।

বাংলাদেশ মেডিক্যাল এসোসিয়েশন সরকারি চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করা, ডিউটিকালীন সময়ে সরকারি কাজে বাধা প্রদান ও হাসপাতালে ত্রাসের সৃষ্টি করে অন্যান্য রোগীদের মাঝে আতংক তৈরী করার ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান ও দেশের সকল চিকিৎসকের জন্য নিরাপদ কর্মস্থল নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিকট জোর দাবী জানাচ্ছে। কর্মক্ষেত্রে চিকিৎসক নিপিড়ন ও চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুরের ঘটনারোধে “স্বাস্থ্য সেবা ও সুরক্ষা আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন সময়ের দাবী হলেও প্রশাসনিক আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় তা হচ্ছে না। এসকল অনাকাংখিত ও অনভিপ্রেত ঘটনা ক্রমঅগ্রসরমান দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে মারাত্মক হুমকিতে ফেলে দিচ্ছে। উক্ত ঘটনার দ্রুত তদন্ত ও দোষীদের শাস্তি প্রদান এবং চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইউএইচএন্ডএফপিও ফোরাম কর্তৃক এযাবৎ গৃহীত সকল কর্মসূচীর প্রতি বাংলাদেশ মেডিক্যাল এসোসিয়েশন একাত্মতা প্রকাশ করছে।প্রেস বিজ্ঞপ্তি