০৮:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে বাঁধা, বাড়িঘরে হামলা-হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

print news -

মোঃ মিছবাহ উদ্দিন খান আছাদ
নেত্রকোণা প্রতিনিধি।

নেত্রকোণ সদর উপজেলার কাইলাটি ইউনিয়নের মৌজাবালী গ্রামে গাছ কাটতে বাঁধা দেওয়ায় বাড়িঘরে হামলা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্তরা একই ইউনিয়নের তারেক মিয়া ও কালা মিয়া। এসময় নারীসহ আহত হয় ৪ জন।

জানা যায়, ভুক্তভোগীদের পৈতৃক ভূমি ভূয়া দলিলের মাধ্যমে দখলের উদ্দেশ্যে গাছ কাটতে আসে অভিযুক্তরা। এসময় বাঁধা প্রদান করে ঘটনার বাদী তারা মিয়া ও তার পরিবার।

এরই জেরধরে বসতবাড়িতে হামলা চালানোর পর তাকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যাচেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করেন তারা মিয়া। তিনি বলেন, আমার বাড়িতে হামলার পর রাত ৩ টার দিকে বাইরে বের হই। তখন ওরা তিনজন আগে থেকেই ওত পেতে ছিলো। তারেক ও কালা মিয়া আমাকে গলায় গামছা পেচিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। কিন্তু ভাগ্যক্রমে আমি বেঁচে যাই।

উনার পুত্র লিটন মিয়া জানান, তারেক মিয়া জাল দলিল করে আমাদের অর্জিত ৪ শতাংশ ভূমি দখলে নেওয়ার পায়তারা করছে। সেই লক্ষ্য নিয়ে গাছ কাটতে আসলে আমরা বাঁধা দেই। আমাদের পরিবারের সবার নামে মিথ্যা মামলাও দিয়েছে। কোনো অপরাধ না করেও আসামী হলাম। আমি প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

বেগম আক্তার বলেন, আমার বোন হামিদা আক্তার কিন্তু বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। সে কি করে আমাদের প্রাপ্য পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে দেয়। আমি এর সঠিক বিচার চাই।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আশারফ জানান, আমি দুইপক্ষের অভিযোগ পেয়েছি। এর মধ্যে একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রসঙ্গত ঘটনার পরদিন জোরপূর্বক রেন্টি, শিমুল, কদম গাছসহ ১৪ টি গাছ কেটে নিয়ে যায় হামলাকারীরা।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের ৩৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে বাঁধা, বাড়িঘরে হামলা-হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

প্রকাশিত হয়েছেঃ ০৪:৪৭:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২২
print news -

মোঃ মিছবাহ উদ্দিন খান আছাদ
নেত্রকোণা প্রতিনিধি।

নেত্রকোণ সদর উপজেলার কাইলাটি ইউনিয়নের মৌজাবালী গ্রামে গাছ কাটতে বাঁধা দেওয়ায় বাড়িঘরে হামলা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্তরা একই ইউনিয়নের তারেক মিয়া ও কালা মিয়া। এসময় নারীসহ আহত হয় ৪ জন।

জানা যায়, ভুক্তভোগীদের পৈতৃক ভূমি ভূয়া দলিলের মাধ্যমে দখলের উদ্দেশ্যে গাছ কাটতে আসে অভিযুক্তরা। এসময় বাঁধা প্রদান করে ঘটনার বাদী তারা মিয়া ও তার পরিবার।

এরই জেরধরে বসতবাড়িতে হামলা চালানোর পর তাকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যাচেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করেন তারা মিয়া। তিনি বলেন, আমার বাড়িতে হামলার পর রাত ৩ টার দিকে বাইরে বের হই। তখন ওরা তিনজন আগে থেকেই ওত পেতে ছিলো। তারেক ও কালা মিয়া আমাকে গলায় গামছা পেচিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। কিন্তু ভাগ্যক্রমে আমি বেঁচে যাই।

উনার পুত্র লিটন মিয়া জানান, তারেক মিয়া জাল দলিল করে আমাদের অর্জিত ৪ শতাংশ ভূমি দখলে নেওয়ার পায়তারা করছে। সেই লক্ষ্য নিয়ে গাছ কাটতে আসলে আমরা বাঁধা দেই। আমাদের পরিবারের সবার নামে মিথ্যা মামলাও দিয়েছে। কোনো অপরাধ না করেও আসামী হলাম। আমি প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

বেগম আক্তার বলেন, আমার বোন হামিদা আক্তার কিন্তু বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। সে কি করে আমাদের প্রাপ্য পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে দেয়। আমি এর সঠিক বিচার চাই।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আশারফ জানান, আমি দুইপক্ষের অভিযোগ পেয়েছি। এর মধ্যে একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রসঙ্গত ঘটনার পরদিন জোরপূর্বক রেন্টি, শিমুল, কদম গাছসহ ১৪ টি গাছ কেটে নিয়ে যায় হামলাকারীরা।