০৯:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কুলাউড়ার কর্মদায় জঙ্গি সন্দেহে ১৭ জনকে আটক করেছে এলাকাবাসী

print news -

কুলাউড়ার কর্মদায় জঙ্গি সংগঠন ইমাম মাহমুদে কাফেলার সদস্য সন্দেহে ১৭ জনকে আটক করে পুলিশে খবর দিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা।  কুলাউড়ার কর্মদা ইউনিয়নের আছকরাবাদ সিএনজি স্ট্যান্ড এলাকা থেকে সোমবার সকাল ১০টার পরে তাদের আটক করে স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষে পুলিশ পাহারায় আটক রাখা হয়েছে বলে ইউপির চেয়ারম্যান মুহিবুল ইসলাম আজাদ জানিয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, কুলাউড়ার কর্মদায় জঙ্গি সংগঠন ১৭ জনের ওই দলটি আছকরাবাদ সিএনজি স্ট্যান্ড থেকে কুলাউড়ার দিকে যেতে চাইছিল। অটোরিকশা চালকদের সন্দেহ হলে এলাকাবাসীকে নিয়ে তারা সন্দেহভাজন ওই দলটিকে আটক করে। পরে টহল পুলিশও সেখানে পৌঁছায়। তখন কয়েকটি অটোরিকশায় করে তাদের ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যাওয়া হয়।

চেয়ারম্যান মুহিবুল বলছেন, নতুন ওই জঙ্গি দলের নেতা কথিত ইমাম মাহমুদও আটকদের মধ্যে আছেন বলে তাদের ধারণা। কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুস ছালেক বলেন, আটকদের ইউনিয়ন পরিষদের একটি বড় কক্ষে তালাবন্ধ করে রাখা হয়েছে। পুলিশের একটি দল সেখানে আছে। পরে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা যাবে।

খবর পেয়ে ঢাকা থেকে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ইউনিটের (সিটিটিসি) একটি দল কুলাউড়ার উদ্দেশে রওনা হয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (সিটিটিসি) আসাদুজ্জামান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, আমরা পথে আছি। ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যাবে সেখানে কে কে আছে। তাদের নিয়ে আরেকটি আস্তানায় অভিযান চালান হবে।

পুলিশের এই বিশেষায়িত ইউনিট শুক্রবার রাত থেকে কর্মদা ইউনিয়নের পূর্ব টাট্টিওয়ালি গ্রামের বাইশালী বাড়ি এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন ১০ জনকে আটক করে। তাদের সঙ্গে তিনি শিশুও ছিল। অপারেশন হিলসাইট’ নামের ওই অভিযান শেষে সিটিটিসি প্রধান মো. আসাদুজ্জামান জানান, আটকরা ইমাম মাহমুদের কাফেলা নামের নতুন এক জঙ্গি সংগঠনের সদস্য।

সেখান থেকে আড়াই কেজি বিস্ফোরক, ৫০ কেজি ডেটোনেটর, প্রশিক্ষণ ম্যুানুয়াল, কমান্ডো বুট, জিহাদি বই, নগদ তিন লাখ ৬১ হাজার টাকা, স্বর্ণাংকার, ছুরি-রাম দাসহ অন্যান্য ধারালো অস্ত্র উদ্ধারের কথা জানায় সিটিটিসি। কর্মদা ইউনিয়ন পরিষদের নারী সদস্য রাহেনা আক্তার জানান, শনিবারের ওই অভিযানের পর থেকেই পুরো এলাকায় নজর রাখছিলেন তারা। পুলিশও টহল জোরদার করেছিল।

সিটিটিসির অভিযানের সময় ওই জঙ্গি দলের একটি অংশ পাহাড়ি এলাকায় আত্মগোপান করে ছিল বলে রাহেনার ধারণা। এলাকা ছাড়তে তারাই সোমবার সকালে বের হয়ে আসে বলে তিনি মনে করছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের ৩৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

কুলাউড়ার কর্মদায় জঙ্গি সন্দেহে ১৭ জনকে আটক করেছে এলাকাবাসী

প্রকাশিত হয়েছেঃ ১১:১৮:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৩
print news -

কুলাউড়ার কর্মদায় জঙ্গি সংগঠন ইমাম মাহমুদে কাফেলার সদস্য সন্দেহে ১৭ জনকে আটক করে পুলিশে খবর দিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা।  কুলাউড়ার কর্মদা ইউনিয়নের আছকরাবাদ সিএনজি স্ট্যান্ড এলাকা থেকে সোমবার সকাল ১০টার পরে তাদের আটক করে স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষে পুলিশ পাহারায় আটক রাখা হয়েছে বলে ইউপির চেয়ারম্যান মুহিবুল ইসলাম আজাদ জানিয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, কুলাউড়ার কর্মদায় জঙ্গি সংগঠন ১৭ জনের ওই দলটি আছকরাবাদ সিএনজি স্ট্যান্ড থেকে কুলাউড়ার দিকে যেতে চাইছিল। অটোরিকশা চালকদের সন্দেহ হলে এলাকাবাসীকে নিয়ে তারা সন্দেহভাজন ওই দলটিকে আটক করে। পরে টহল পুলিশও সেখানে পৌঁছায়। তখন কয়েকটি অটোরিকশায় করে তাদের ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যাওয়া হয়।

চেয়ারম্যান মুহিবুল বলছেন, নতুন ওই জঙ্গি দলের নেতা কথিত ইমাম মাহমুদও আটকদের মধ্যে আছেন বলে তাদের ধারণা। কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুস ছালেক বলেন, আটকদের ইউনিয়ন পরিষদের একটি বড় কক্ষে তালাবন্ধ করে রাখা হয়েছে। পুলিশের একটি দল সেখানে আছে। পরে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা যাবে।

খবর পেয়ে ঢাকা থেকে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ইউনিটের (সিটিটিসি) একটি দল কুলাউড়ার উদ্দেশে রওনা হয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (সিটিটিসি) আসাদুজ্জামান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, আমরা পথে আছি। ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যাবে সেখানে কে কে আছে। তাদের নিয়ে আরেকটি আস্তানায় অভিযান চালান হবে।

পুলিশের এই বিশেষায়িত ইউনিট শুক্রবার রাত থেকে কর্মদা ইউনিয়নের পূর্ব টাট্টিওয়ালি গ্রামের বাইশালী বাড়ি এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন ১০ জনকে আটক করে। তাদের সঙ্গে তিনি শিশুও ছিল। অপারেশন হিলসাইট’ নামের ওই অভিযান শেষে সিটিটিসি প্রধান মো. আসাদুজ্জামান জানান, আটকরা ইমাম মাহমুদের কাফেলা নামের নতুন এক জঙ্গি সংগঠনের সদস্য।

সেখান থেকে আড়াই কেজি বিস্ফোরক, ৫০ কেজি ডেটোনেটর, প্রশিক্ষণ ম্যুানুয়াল, কমান্ডো বুট, জিহাদি বই, নগদ তিন লাখ ৬১ হাজার টাকা, স্বর্ণাংকার, ছুরি-রাম দাসহ অন্যান্য ধারালো অস্ত্র উদ্ধারের কথা জানায় সিটিটিসি। কর্মদা ইউনিয়ন পরিষদের নারী সদস্য রাহেনা আক্তার জানান, শনিবারের ওই অভিযানের পর থেকেই পুরো এলাকায় নজর রাখছিলেন তারা। পুলিশও টহল জোরদার করেছিল।

সিটিটিসির অভিযানের সময় ওই জঙ্গি দলের একটি অংশ পাহাড়ি এলাকায় আত্মগোপান করে ছিল বলে রাহেনার ধারণা। এলাকা ছাড়তে তারাই সোমবার সকালে বের হয়ে আসে বলে তিনি মনে করছেন।