০৮:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কুমিল্লায় সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনায় পুলিশের কোনো কর্মকর্তার অবহেলা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে: ডিএমপি কমিশনার

print news -

নিউজ ডেক্স:

কুমিল্লায় সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনায় পুলিশের কোনো কর্মকর্তার অবহেলা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মোহা. শফিকুল ইসলাম। পাশাপাশি এ ঘটনায় কোনো রাজনৈতিক ইন্ধন আছে কি না, তা নিয়ে তদন্ত চলছে বলেও তিনি জানান।

আজ শনিবার তেজগাঁওয়ে এফডিসিতে ‘গণজাগরণই পারে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা প্রতিরোধ করতে’ শীর্ষক এক ছায়া সংসদে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএমপি কমিশনার  শফিকুল ইসলাম এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম) কৃষ্ণপদ রায়।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, শুধু আইনের প্রয়োগ করে সাম্প্রদায়িক সংঘাতের মতো সামাজিক সংকটের সমাধান সম্ভব নয়। বিচারপ্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতার কারণে প্রত্যক্ষদর্শীরা সাক্ষ্য দেওয়ার আগ্রহ হারিয়ে ফেলে এবং অপরাধীদের প্রভাবের ভয়ে সাক্ষ্য দেওয়ার ঝুঁকি নিতে চায় না। একই সঙ্গে দেরির কারণে মানুষের আবেগও হ্রাস পায়। কঠোর আইন থাকা সত্ত্বেও প্রতিবছর ১০ শতাংশ হারে নারী নির্যাতনসংক্রান্ত মামলার সংখ্যা বাড়ছে।

দেশের সামাজিকীকরণ প্রক্রিয়ায় অসাম্প্রদায়িকতার শিক্ষা দেওয়া হয় না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা যথাযথভাবে দেশপ্রেমিক নাগরিক গড়ে তুলতে পারছি না। ফলে বিভিন্ন সময়ে সমাজের কেউ কেউ সাম্প্রদায়িক সংঘাতে জড়িয়ে পড়ছে। পুলিশি তদন্তে দেখা যায় রামু ও নাসিরনগরের ঘটনায় স্থানীয়ভাবে সক্রিয় সব রাজনৈতিক দলের কর্মীরা জড়িত ছিল। কুমিল্লার ঘটনায় কোনো রাজনৈতিক ইন্ধন আছে কি না, তা নিয়ে তদন্ত চলছে।

সভাপতির বক্তব্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী বলেন, সম্প্রতি দুর্গাপূজার সময় যে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা হয়েছে তাতে আমরা লজ্জিত, ব্যথিত ও মর্মাহত। সাম্প্রদায়িক হামলার তদন্ত হয়, কিন্তু দৃশ্যমান বিচারের নজির খুবই কম। ধর্মীয় উগ্রবাদীরা বারবার দায়মুক্তি পাওয়ার কারণে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার পুনরাবৃত্তি ঘটছে।

ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির আয়োজনে প্রতিযোগিতায় প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটিকে হারিয়ে কুমিল্লা ইউনিভার্সিটির বিতার্কিকেরা চ্যাম্পিয়ন হন। প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী দলের মাঝে ট্রফি ও সনদ দেওয়া হয়।

 

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের ৩৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

কুমিল্লায় সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনায় পুলিশের কোনো কর্মকর্তার অবহেলা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে: ডিএমপি কমিশনার

প্রকাশিত হয়েছেঃ ০৮:১৫:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২১
print news -

নিউজ ডেক্স:

কুমিল্লায় সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনায় পুলিশের কোনো কর্মকর্তার অবহেলা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মোহা. শফিকুল ইসলাম। পাশাপাশি এ ঘটনায় কোনো রাজনৈতিক ইন্ধন আছে কি না, তা নিয়ে তদন্ত চলছে বলেও তিনি জানান।

আজ শনিবার তেজগাঁওয়ে এফডিসিতে ‘গণজাগরণই পারে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা প্রতিরোধ করতে’ শীর্ষক এক ছায়া সংসদে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএমপি কমিশনার  শফিকুল ইসলাম এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম) কৃষ্ণপদ রায়।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, শুধু আইনের প্রয়োগ করে সাম্প্রদায়িক সংঘাতের মতো সামাজিক সংকটের সমাধান সম্ভব নয়। বিচারপ্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতার কারণে প্রত্যক্ষদর্শীরা সাক্ষ্য দেওয়ার আগ্রহ হারিয়ে ফেলে এবং অপরাধীদের প্রভাবের ভয়ে সাক্ষ্য দেওয়ার ঝুঁকি নিতে চায় না। একই সঙ্গে দেরির কারণে মানুষের আবেগও হ্রাস পায়। কঠোর আইন থাকা সত্ত্বেও প্রতিবছর ১০ শতাংশ হারে নারী নির্যাতনসংক্রান্ত মামলার সংখ্যা বাড়ছে।

দেশের সামাজিকীকরণ প্রক্রিয়ায় অসাম্প্রদায়িকতার শিক্ষা দেওয়া হয় না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা যথাযথভাবে দেশপ্রেমিক নাগরিক গড়ে তুলতে পারছি না। ফলে বিভিন্ন সময়ে সমাজের কেউ কেউ সাম্প্রদায়িক সংঘাতে জড়িয়ে পড়ছে। পুলিশি তদন্তে দেখা যায় রামু ও নাসিরনগরের ঘটনায় স্থানীয়ভাবে সক্রিয় সব রাজনৈতিক দলের কর্মীরা জড়িত ছিল। কুমিল্লার ঘটনায় কোনো রাজনৈতিক ইন্ধন আছে কি না, তা নিয়ে তদন্ত চলছে।

সভাপতির বক্তব্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী বলেন, সম্প্রতি দুর্গাপূজার সময় যে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা হয়েছে তাতে আমরা লজ্জিত, ব্যথিত ও মর্মাহত। সাম্প্রদায়িক হামলার তদন্ত হয়, কিন্তু দৃশ্যমান বিচারের নজির খুবই কম। ধর্মীয় উগ্রবাদীরা বারবার দায়মুক্তি পাওয়ার কারণে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার পুনরাবৃত্তি ঘটছে।

ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির আয়োজনে প্রতিযোগিতায় প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটিকে হারিয়ে কুমিল্লা ইউনিভার্সিটির বিতার্কিকেরা চ্যাম্পিয়ন হন। প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী দলের মাঝে ট্রফি ও সনদ দেওয়া হয়।