০৯:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কমিউনিটি ক্লিনিক বিশ্বব্যাপী প্রশংসনীয় সফলতা অর্জন করেছে:স্বাস্থ্যমন্ত্রী

print news -

কমিউনিটি ক্লিনিক কার্যক্রম বিশ্বের অনেক দেশের কাছে মডেল হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

মঙ্গলবার (৬ জুন) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মিলনায়তনে ‘কমিউনিটি ক্লিনিকের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি উদযাপন’ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, শিশুদের টিকাদান কর্মসূচি, মাতৃ ও শিশু মৃত্যু হ্রাস, তৃণমূল পর্যায়ে জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে চলমান কমিউনিটি ক্লিনিক কার্যক্রম বিশ্বের অনেক দেশের কাছে মডেল হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে। এই কমিউনিটি ক্লিনিকভিত্তিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা প্রবর্তনের মাধ্যমে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের স্বাস্থ্য সেবার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। স্বাধীনতার ৫২ বছরে দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাত বিশ্বব্যাপী প্রশংসনীয় সফলতা অর্জন করেছে।

 জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর কমিউনিটি ক্লিনিকের রেজুল্যুশন অনুমোদনকে ২০৩০ সালের মধ্যে সার্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা অর্জনের বৈশ্বিক প্রচেষ্টায় এক অবিস্মরণীয় মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সার্বজনীন স্বাস্থ্য পরিষেবা অর্জনে এ কমিউনিটি ক্লিনিক ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তুলনায় অপেক্ষাকৃত কম খরচে মৌলিক চিকিৎসা চাহিদা পূরণ, সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল, অসংক্রামক রোগসমূহের ব্যবস্থাপনা ও প্রতিরোধে ব্যাপক উদ্যোগ, পুষ্টি উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসূচক সমূহের ব্যাপক অগ্রগতিতে স্বাস্থ্য অবকাঠামো খাতে অভূতপূর্ব অর্জন বাংলাদেশকে এগিয়েছে বহুদূর।

সারাদেশে ১৪ হাজারের বেশি কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে। এসব ক্লিনিকে ৩২ ধরনের ওষুধ বিনামূল্যে দেয়া হয়। প্রতিটি ক্লিনিকে প্রতিদিন প্রায় ৪০ জন মানুষ সেবা নেয়। সেই হিসেবে সারা দেশে দিনে ৫ থেকে ৬ লাখ, মাসে দেড় কোটি এবং বছরে ১৮ কোটি মানুষ কমিউনিটি ক্লিনিকের সেবা পাচ্ছে। যা দেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখছে, যোগ করেন মন্ত্রী।

দেশের তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ‘দ্য শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ’ কমিউনিটি ক্লিনিক জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনার কমিউনিটি ক্লিনিকের উদ্যোগ দেশ ছাড়িয়ে বিদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। পেয়েছে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। ৭৫টি দেশ প্রধানমন্ত্রীর এ উদ্যোগকে সরাসরি সমর্থন দিয়েছে। যা দেশের জন্য অনেক বড় প্রাপ্তি।

কমিউনিটি ক্লিনিক ঘরে ঘরে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিবে। করোনাকালে ভ্যাকসিন ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কমিউনিটি ক্লিনিকের বিরাট ভূমিকা ছিল। শুধু তাই নয়, দেশে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কমিউনিটি ক্লিনিক গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।
এ সময় কমিউনিটি ক্লিনিকের সফলতা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক চিকিৎসা নিশ্চিতের ফলে মানুষের স্বাস্থ্যগত উন্নতি হয়েছে। বড় ধরনের রোগ থেকে মানুষ সতর্ক হতে পারছে। এতে দেশের মানুষের গড় আয়ু বেড়েছে। আমরা এমডিজি অর্জন করেছি। এটি বাস্তবায়নে কমিউনিটি ক্লিনিক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। করোনা ও ইপিআইয়ের ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রমেও ভূমিকা রেখেছে কমিউনিটি ক্লিনিক। এটি শুধু একটি একক উদ্যোগ নয়, এটি একাধিক মহৎ উদ্যোগের সম্মিলিত রূপ। বর্তমান সরকারের প্রাপ্ত আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিগুলোর মধ্যে সব থেকে বেশি এসেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হাত ধরে। কমিউনিটি ক্লিনিকও সেসব খাতের অন্যতম।

স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ডা. মো. জামাল উদ্দিন চৌধুরির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি অধ্যাপক ড. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক প্রফেসর আবদুল্লাহসহ সারা দেশের কমিউনিটি ক্লিনিকের চিকিৎসক ও অন্যরা।
অনুষ্ঠানে মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন বলেন, গ্রামীণ দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য বর্তমান সরকার সারাদেশে ১৮ হাজার ৫০০টি কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করেছে। যার মাধ্যমে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ঘরের দোরগোড়ায় বসে প্রাথমিক বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছেন।

বিশেষ অতিথি আ ফ ম রুহুল হক বলেন, বাংলাদেশের সব মানুষকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশে এই অনন্য কমিউনিটি কিনিকভিত্তিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা চালু করেছিলেন। যা সারা দেশের তৃণমুল পর্যায়ের মানুষের দোরগোড়ায় সরকারের প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা সরবরাহে বিপ্লব ঘটিয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার (১৬ মে) জাতিসংঘে প্রথমবারের মতো কমিউনিটি ভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবাবিষয়ক একটি রেজুলেশন সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। যেখানে সরকার নিরবচ্ছিন্ন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সারা দেশে ১৪ হাজারেরও বেশি কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করায় জাতিসংঘের স্বীকৃতি পেয়েছে।

কমিউনিটি ক্লিনিক জাতিসংঘের স্বীকৃতি পাওয়ায় বাংলাদেশ সিএইচসিপি এসোসিয়েশন চট্টগ্রাম বিভাগের উদ্যোগে আনন্দ র‌্যালী ও আলোচনা সভা

জনপ্রিয় সংবাদ

হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের ৩৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

কমিউনিটি ক্লিনিক বিশ্বব্যাপী প্রশংসনীয় সফলতা অর্জন করেছে:স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত হয়েছেঃ ০১:০১:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জুন ২০২৩
print news -

কমিউনিটি ক্লিনিক কার্যক্রম বিশ্বের অনেক দেশের কাছে মডেল হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

মঙ্গলবার (৬ জুন) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মিলনায়তনে ‘কমিউনিটি ক্লিনিকের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি উদযাপন’ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, শিশুদের টিকাদান কর্মসূচি, মাতৃ ও শিশু মৃত্যু হ্রাস, তৃণমূল পর্যায়ে জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে চলমান কমিউনিটি ক্লিনিক কার্যক্রম বিশ্বের অনেক দেশের কাছে মডেল হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে। এই কমিউনিটি ক্লিনিকভিত্তিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা প্রবর্তনের মাধ্যমে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের স্বাস্থ্য সেবার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। স্বাধীনতার ৫২ বছরে দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাত বিশ্বব্যাপী প্রশংসনীয় সফলতা অর্জন করেছে।

 জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর কমিউনিটি ক্লিনিকের রেজুল্যুশন অনুমোদনকে ২০৩০ সালের মধ্যে সার্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা অর্জনের বৈশ্বিক প্রচেষ্টায় এক অবিস্মরণীয় মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সার্বজনীন স্বাস্থ্য পরিষেবা অর্জনে এ কমিউনিটি ক্লিনিক ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তুলনায় অপেক্ষাকৃত কম খরচে মৌলিক চিকিৎসা চাহিদা পূরণ, সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল, অসংক্রামক রোগসমূহের ব্যবস্থাপনা ও প্রতিরোধে ব্যাপক উদ্যোগ, পুষ্টি উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসূচক সমূহের ব্যাপক অগ্রগতিতে স্বাস্থ্য অবকাঠামো খাতে অভূতপূর্ব অর্জন বাংলাদেশকে এগিয়েছে বহুদূর।

সারাদেশে ১৪ হাজারের বেশি কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে। এসব ক্লিনিকে ৩২ ধরনের ওষুধ বিনামূল্যে দেয়া হয়। প্রতিটি ক্লিনিকে প্রতিদিন প্রায় ৪০ জন মানুষ সেবা নেয়। সেই হিসেবে সারা দেশে দিনে ৫ থেকে ৬ লাখ, মাসে দেড় কোটি এবং বছরে ১৮ কোটি মানুষ কমিউনিটি ক্লিনিকের সেবা পাচ্ছে। যা দেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখছে, যোগ করেন মন্ত্রী।

দেশের তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ‘দ্য শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ’ কমিউনিটি ক্লিনিক জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনার কমিউনিটি ক্লিনিকের উদ্যোগ দেশ ছাড়িয়ে বিদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। পেয়েছে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। ৭৫টি দেশ প্রধানমন্ত্রীর এ উদ্যোগকে সরাসরি সমর্থন দিয়েছে। যা দেশের জন্য অনেক বড় প্রাপ্তি।

কমিউনিটি ক্লিনিক ঘরে ঘরে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিবে। করোনাকালে ভ্যাকসিন ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কমিউনিটি ক্লিনিকের বিরাট ভূমিকা ছিল। শুধু তাই নয়, দেশে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কমিউনিটি ক্লিনিক গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।
এ সময় কমিউনিটি ক্লিনিকের সফলতা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক চিকিৎসা নিশ্চিতের ফলে মানুষের স্বাস্থ্যগত উন্নতি হয়েছে। বড় ধরনের রোগ থেকে মানুষ সতর্ক হতে পারছে। এতে দেশের মানুষের গড় আয়ু বেড়েছে। আমরা এমডিজি অর্জন করেছি। এটি বাস্তবায়নে কমিউনিটি ক্লিনিক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। করোনা ও ইপিআইয়ের ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রমেও ভূমিকা রেখেছে কমিউনিটি ক্লিনিক। এটি শুধু একটি একক উদ্যোগ নয়, এটি একাধিক মহৎ উদ্যোগের সম্মিলিত রূপ। বর্তমান সরকারের প্রাপ্ত আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিগুলোর মধ্যে সব থেকে বেশি এসেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হাত ধরে। কমিউনিটি ক্লিনিকও সেসব খাতের অন্যতম।

স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ডা. মো. জামাল উদ্দিন চৌধুরির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি অধ্যাপক ড. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক প্রফেসর আবদুল্লাহসহ সারা দেশের কমিউনিটি ক্লিনিকের চিকিৎসক ও অন্যরা।
অনুষ্ঠানে মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন বলেন, গ্রামীণ দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য বর্তমান সরকার সারাদেশে ১৮ হাজার ৫০০টি কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করেছে। যার মাধ্যমে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ঘরের দোরগোড়ায় বসে প্রাথমিক বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছেন।

বিশেষ অতিথি আ ফ ম রুহুল হক বলেন, বাংলাদেশের সব মানুষকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশে এই অনন্য কমিউনিটি কিনিকভিত্তিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা চালু করেছিলেন। যা সারা দেশের তৃণমুল পর্যায়ের মানুষের দোরগোড়ায় সরকারের প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা সরবরাহে বিপ্লব ঘটিয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার (১৬ মে) জাতিসংঘে প্রথমবারের মতো কমিউনিটি ভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবাবিষয়ক একটি রেজুলেশন সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। যেখানে সরকার নিরবচ্ছিন্ন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সারা দেশে ১৪ হাজারেরও বেশি কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করায় জাতিসংঘের স্বীকৃতি পেয়েছে।

কমিউনিটি ক্লিনিক জাতিসংঘের স্বীকৃতি পাওয়ায় বাংলাদেশ সিএইচসিপি এসোসিয়েশন চট্টগ্রাম বিভাগের উদ্যোগে আনন্দ র‌্যালী ও আলোচনা সভা